![]() |
| মরহুম খান নওশের আলী |
সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৬
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খান নওশের আলীর আজ ৭তম মৃত্যু বার্ষিকী
শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৬
কত বয়াস হলে বয়স্ক ভাতা পাবেন রিজিয়া বেগম?
| রিজিয়া বেগম |
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের খোলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা রিজিয়া। বিধবা এই নারী পাঁচ সন্তানের জননী । দুটি ছেলে ও তিন মেয়ে তার। অভাবের সংসারে ছেলেরা দিনমজুরের কাজ করে যা রোজগার করে তা দিয়ে তাদের পরিবার নিয়েই হিমশিম খেতে হয়। মেয়েরা স্বামীর সংসারে ব্যস্ত। মধুমতি নদীর ভাঙনে ভিটে মাঁটি হারিয়েছে রিজিয়া। এখন মধুমতির চরে পাটকাঠি দিয়ে ঘেরা টিনের ছাপড়া ঘরে দরিদ্র সন্তানদের সঙ্গে থাকছেন। বৃহস্পতিবার রিজিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার বয়স্ক ভাতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমারে ভাতা তাতা দিবি কিডারে মনা ? ভাতার কাট কত্তিতো চাইর হাজার টাহা লাগে, আমি টাহা কহানে পাব ? টাহা দিতি পারিনে, তাই ভাতা অয়না’। তবে কে টাকা চায় সেটা স্পষ্ট করে না বললেও স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকেই দুষলেন তিনি। এই বৃদ্ধা আরও বলেন, ‘আল্লা কোনো রহম বাচায় রাহিছে, তাই বাইচে আছি, ঠান্ডায় মেলা কষ্ট অয়, ওষুধ নাই, ভালো কিছু খাইবের পারিনে’।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য খান নজরুল ইসলাম বলেন, বয়ষ্ক ভাতা কার্ড করতে কারো কাছ থেকে কোনো টাকা পয়সা নেয়া হয় না। তাহলে বৃদ্ধা রিজিয়ার কাছ থেকে কে টাকা চেয়েছে-সে প্রশ্নের জবাবে নীরব থাকেন এই জনপ্রতিনিধি।
এ ব্যাপারে বুড়াইচ ইউপি চেয়ারম্যান আঃ ওহাব পান্নু মিয়া বলেন, আমার কাছে তার কোনো তালিকা আসে নাই। আসলে আমি তার ভাতার ব্য্পাারে সুপারিশ করবো।’
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার কুন্ডুু বলেন, ‘চেয়ারম্যান, মেম্বাররা এ কার্ড গুলোর তালিকা করে থাকেন। তারা কেনও এত বয়স্ক একটি মানুষকে কার্ডের অন্তর্ভুক্ত করেনি তা খতিয়ে দেখতে হবে। পরবর্তীতে সুযোগ হলে বৃদ্ধাকে বয়স্ক ভাতা দেয়া হবে।’
শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৬
ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনাস্থা
![]() |
| চেয়ারম্যান মো. ইমাম হাচান |
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সদ্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মো. ইমাম হাচান শিপন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইউপি সদস্য এবং জন সাধারনের সঙ্গে খারাপ আচারণ করেন। ইউনিয়নের তথ্য কেন্দ্র এসে জন সাধারন সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ২০১৫ সালে অর্থ বছরে মৌলিক থোক বরাদ্দ(কাবিখা) দ্বিতীয় কিস্তির ৮ লাখ ৮৬ হাজার ২শ’ ৮৩ টাকা আত্মসাতের লক্ষে নির্বাচন পরবর্তি প্রথম মিটিংয়ে কিছু না লেখা সাদা রেজুলেশন খাতায় সদস্যদের স্বাক্ষর নিয়ে তিনি নিজে টাকা উত্তোলন করেন। তিনি সদস্যদের নিকট থেকে কোন প্রকল্প নেন না। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বরাদ্দ ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা একই ভাবে উত্তোলন করেছেন । এ ছাড়া হালে বরাদ্দ পাওয়া ৪২৪ খানা ভিজিডি কার্ড বিতরণে অনিয়ম করছেন। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা বই বিতরণের সময় চেয়ারম্যান তার নিজস্ব প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জন প্রতি ১০০০ হাজার টাকা নিয়েকার্ড বিতরন করেন। এ ব্যাপারে ৩ নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা সদস্য লাকি পারভিন বলেন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য। আমরা ৯ সদস্য ইউএনও ও ডিসি সারের নিকট অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছি।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে সেটা ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের। তখন আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল খায়ের জানান, লিখিত অভিযোগের কথা স্বীকার করে বলেন অনেক সময় ব্যাক্তি স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটলে এ ধরনের অভিযোগ এনে থাকে। বিষয়টি নিয়ে গত সোমবার দুই পক্ষকে অফিসে ডেকে ছিলাম । এক পক্ষ হাজির না হওয়ায় কোন সমাধান হয়নি। আগামি দু-একদিনের ভিতরে দুই পক্ষকে ডেকে অভিযোগের সত্য ও মিথ্যা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৬
বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা
মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুপুর আড়াইটার দিকে প্রস্তুতিমূলক সভা ও বেলা ৩টার দিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের এর সভাপতিতে উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ, আলফাডঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন, আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজের উপাধ্যক্ষ কামাল আতাউর রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কুদ্দুস খান, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম শেখ সহ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারি, ইউপি চেয়ারম্যান বৃন্দ, বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সাংবাদিক বৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা সভায় অংশ গ্রহণ করেন।
শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৬
পুলিশ বটে ! বারইপাড়ায় হামলা চালিয়ে বসতবাড়ি ভেঙ্গে গুরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ
![]() |
| ভেঙ্গে ফেলা ঘর |
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে নির্মানাধীন সাদবিহীন একতলা ভবন ভেঙ্গে গুরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানায় কর্মরত মহিলা কনস্টেবল রওশন আরা খানমের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে।
অভিযোগ ও সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারইপাড়া গ্রামের মো. সোহরাব মোল্যার বসতবাড়িতে ১৬ নভেম্বর বুধবার সকাল ৬টার দিকে মহিলা কনস্টেবল রওশন আরা খানমের নেতৃত্বে চাইনিস কোরাল, রামদা, হাতুরি, লোহার রড, ড্রিল মেশিন, বড় হ্যামার, ও ওয়ালকাটা মেশিনসহ শতাধীক বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অস্ত্রেরমুখে বাড়ির লোকজনদের জিম্মি করে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে নির্মানাধীন সাদবিহীন একতলা ভবন ভেঙ্গেচুড়ে গুড়িয়ে দেয়। আলফাডাঙ্গা থানায় এ ব্যাপারে ১৮ নভেম্বর শক্রবার মহিলা কনস্টেবল রওশন আরা খানম(২৯), তার পিতা মোখলেচুর রহমান(৭০), ভাই ফরিদ মোল্যা(২৫), ফয়সাল মোল্যা(২০), ফোরাদ মোল্যা(২৭) ও বড় বোন রেহেনা বেগম(৩৫) এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভূক্তভোগী সোহরাব মোল্যা।
ভূক্তভোগী সোহরাব মোল্যা বলেন, একই গ্রামে অবস্থিত আমার প্রতিবেশী মোখলেচুর রহমানের মেয়ে পার্শ¦বর্তি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানায় মহিলা কনস্টেবল পদে পুলিশের চাকুরি করার সূবাদে প্রভাব খাটিয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে আমাদেরকে অস্ত্রেরমুখে জিম্মি করে আমার একতলা ভবনটি ভেঙ্গে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে এবং আমাকে ও আমার পরিবারকে তারা বিভিন্ন প্রকার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
জানতে চাইলে মহিলা কনস্টেবল রওশন আরা খানম মুঠোফোনে বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারি আলফাডাঙ্গা থানার এস আই মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, রওশন আরা খানম ঘটনাস্থলে ছিলেন। ঘটনাস্থলেই তার সাথে আমার কথা হয়েছে।
এ ব্যপারে কাশিয়ানী থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে এম আলীনুর হোসেন মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, এটা খুবই দুঃখজনক। তবে বিষয়টি মিমাংশার কথা চলছে।
আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যপারে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৬
বোয়ালমারীতে ধর্ষণের শিকার আদিবাসি শিশুকে ইউএনও’র অনুদান
সংবাদদাতা,বোয়ালমারী (ফরিদপুর) ঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার মধ্যকামারগ্রামে ধর্ষণের শিকার আদিবাসি সেই শিশুর চিকিৎসার জন্য দশ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন বোয়ালমারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রওশন আরা পলি। বৃহস্পতিবার ১৭নভেম্বর সন্ধ্যায় ইউএন’র কার্যালয়ে ওই শিশুর মায়ের নিকট তিনি অনুদানের টাকার চেক প্রদান করেন। এ সময় ইউএনও ওই শিশুটির চিকিৎসার খোজ খবর নেন এবং ধর্ষকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির আশ্বাস দেন। ওই শিশু বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অনুদান দেওয়ার সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান। উল্লেখ্য গত সোমবার (১৪নভেম্বর) প্রতিবেশি লিয়াকত বিশ্বাসের ছেলে ওহিদ বিশ্বাস (২৮) ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। শিশুর মা বাদি হয়ে বোয়ালমারী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর কুলখানী অনুষ্ঠিত
![]() |
| আমিরুল ইসলাম চৌধরী |
গত শুক্রবার ১৮ নভেম্বর জুম্মা বাদ বোয়ালমারী পৌর-সভার ছোলনা গ্রামের তার নিজ বাসভবনে দোয়া মাহফিল এর মাধ্যমে এ কুলখানী অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. শাহাজাহান মৃধা পিকুল, বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক গুনবাহা ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. মো. সিরাজুল ইসলাম, বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক বৃন্দ সহ শত শত মুসল্লী কুলখানীতে অংশ গ্রহন করেন।
বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৬
সাংবাদিক আমিরুল চৌধুরী চলে গেলেন না ফেরার দেশে
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা/ফরিদপুরঃ বহুল প্রচারিত দৈনিক ভোরের পাতার বোয়ালমারী প্রতিনিধি, বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি, আল-হাসান মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক কর্মী সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী (৫৬) চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
গতকাল বুধবার ভোর রাতে পৌরসভার ছোলনা গ্রামের নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি........রাজিউন)। তিনি দির্ঘদিন ধরে লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।
বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তার মরাদেহ বোয়ালমারী প্রেসক্লাবে রাখা হয়। পরে বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোযার হোসেন, আল-হেলাল পত্রিকার সম্পাদক মো. রেজাউল হক, আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম এর বক্তব্য শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আছর ছোলনা সালামিয়া ফাযিল মাদ্রসা প্রাঙ্গনে জানাযা শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এসময় বোয়ালমারী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নান্নু মিয়া, পৌর মেয়র মোজাফ্ফর হোসেন বাবলু মিয়া, গুনবাহা ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. মো. সিরাজুল ইসলাম, সহ শত শত মুসল্লী জানাযায় অংশগ্রহণ করেন।
তার মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান এমপি, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক সাংসদ কাজী সিরাজুল ইসলাম সহ রাজনীতিবীদ, সাংবাদিক, সুশিলসমাজ, ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
গতকাল বুধবার ভোর রাতে পৌরসভার ছোলনা গ্রামের নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি........রাজিউন)। তিনি দির্ঘদিন ধরে লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।
বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তার মরাদেহ বোয়ালমারী প্রেসক্লাবে রাখা হয়। পরে বোয়ালমারী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আনোযার হোসেন, আল-হেলাল পত্রিকার সম্পাদক মো. রেজাউল হক, আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম এর বক্তব্য শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আছর ছোলনা সালামিয়া ফাযিল মাদ্রসা প্রাঙ্গনে জানাযা শেষে কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এসময় বোয়ালমারী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নান্নু মিয়া, পৌর মেয়র মোজাফ্ফর হোসেন বাবলু মিয়া, গুনবাহা ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড. মো. সিরাজুল ইসলাম, সহ শত শত মুসল্লী জানাযায় অংশগ্রহণ করেন।
তার মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান এমপি, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক সাংসদ কাজী সিরাজুল ইসলাম সহ রাজনীতিবীদ, সাংবাদিক, সুশিলসমাজ, ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৬
সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধে আলফাডাঙ্গায় মতবিনিময় সভা
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, প্রতিমা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের
ঘটনায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মতবিনিময় সভা হয়েছে। এমন ঘটনা যেন ফরিদপুরে না
ঘটে মতবিনিময় সভায় সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন করা হয়।
সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের-এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেযারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো, আব্দুল কুদ্দুস খান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা ছালাম, উপজেলা কৃষি অফিসার আফতাব উদ্দিন মাহমুদ, মৎস্য অফিসার তপন মজুমদার, আলফাডাঙ্গার দুই কলেজের অধ্যক্ষ, উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার সুপার ও স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, বিভিন্ন মন্দিরের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) ঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে উপজেলা যুবলীগ। গতকাল শুক্রবার (১১-১১-১৬) বিকাল ৪টার দিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলা সদর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এসে কেক কাটার মাধ্যমে শেষ হয়। পরে আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। সভায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আহসান উদ্দৌলা (রানা)’র সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফার এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, এম এম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ, কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী পরিচালক ও বেগম শাহানারা একাডেমির সভাপতি শেখ শহীদুল ইসলাম, আলফাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ.লীগের যুগ্ন-সম্পাদক এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ রাসেল রেজা, গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম, উপজেলা আ.লীগের সহ-প্রচার সম্পাদক হিটান্ত কুমার ঘোষ, আওয়ামী লীগ মনোনীত গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ইনামুল হাসান, উপজেলা যুবলীগ নেতা হাসমত হোসেন তপন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, বানা ইউপি যুবলীগের সভাপতি মো. আলমগীর কবির, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান মিজান, সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌকির আহম্মেদ ডালিম, উপজেলা ছাত্রলীগের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, বুড়াইছ ইউপি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশীদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, উপজেলা আ.লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজের সভাপতি, কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমি ও কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং ‘ঢাকাটাইমস’ ও ‘এই সময়’ সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন।
বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৬
পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় “সেবার মান বৃদ্ধি করি, সবার প্রত্যাশা পূরণ করি” প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ১২ থেকে ১৭ নভেম্বর পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ উপলক্ষে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এ সভা হয়।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আফরোজ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা সহকারি কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফায়েকুজ্জান এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম তালুকদার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন মাহমুদ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান টুনু, মো. শাহারিয়ার হোসেন, উপজেলা যুবলীগের মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনীন, মাঠকর্মী পারভীন বেগম।
এসময় বিশেষ অতিথি উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা ছালাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম এইচ এ কে এম রওনক আরা বেগমসহ উপজেলার ছয় ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৬
‘সবার আগে দরকার শিক্ষার মানোন্নয়ন’
মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ সবার আগে শিক্ষার মানোন্নয়ন দরকার বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুরের
আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজের নবনির্বাচিত সভাপতি, কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমি ও
কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং ‘ঢাকাটাইমস’ ও ‘এই সময়’ সম্পাদক
আরিফুর রহমান দোলন।
শনিবার দুপুরে
আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজের শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের এক পরিচিতিমূলক সভায়
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের
অধ্যক্ষ মো. মোরশেদুর রহমান। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা
নব-নির্বাচিত সভাপতিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
আরিফুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর উন্নয়ন দরকার, শিক্ষকদের জীবনমানের উন্নয়ন দরকার, কিন্তু সবার আগে দরকার শিক্ষার মানোন্নয়ন।’
কলেজের উন্নয়ন সম্পর্কে নবনির্বাচিত সভাপতি বলেন, ‘আমি উন্নয়নের বিরোধী নই, আমি উন্নয়নে বিশ্বাসী। আমি কথা দিচ্ছি প্রতিষ্ঠানের শুধু অবকাঠামোই নয় যত ধরনের উন্নয়ন প্রয়োজন আমি চেষ্টা করবো আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন দ্রুতগতিতে করার।’
ঢাকাটাইমস সম্পাদক শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘তোমাদের শুধু পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষা নিলেই হবে না, নৈতিক শিক্ষায়ও শিক্ষিত হতে হবে। তোমরা এমন কোনো কাজ করবে না, যাতে তোমাদের প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি বা মান ক্ষুণ্ন হয়।’
কলেজের অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে আরিফুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষকরা নিশ্চয়ই নৈতিক শিক্ষা দেন। কিন্তু মাদকের ছোবল সারাদেশে, তাই আমাদের সন্তানদের যাতে এই মাদক আচ্ছন্ন না করে সে ব্যাপারে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।’
সহকারী অধ্যাপক এ কে এম আরিফুজ্জামানের পরিচালনায় সভায়
আরও বক্তব্য দেন, উপাধ্যক্ষ কামাল আতাউর রহমান, কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের
প্রধান নির্বাহী পরিচালক ও বেগম শাহানারা একাডেমির সভাপতি শেখ শহীদুল
ইসলাম, কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, কলেজ
গভর্নিং বডির সদস্য মো. নূরুল ইসলাম লিটন, শেখ শরিফুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ
মনোনীত গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী ইনামুল হাসান, কামারগ্রাম কাঞ্চন
একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা এস এম
নজরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক নীল রতন বিশ্বাস, এ ইউ হায়দার চৌধুরী, সহকারী
অধ্যাপক আবুল কাশেম, নিখিল কুমার কুন্ডু প্রমুখ।
এসময় কলেজের শিক্ষক/শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকার সুধীজন, স্থানীয় রাজনীতিবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
আরিফুর রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোর উন্নয়ন দরকার, শিক্ষকদের জীবনমানের উন্নয়ন দরকার, কিন্তু সবার আগে দরকার শিক্ষার মানোন্নয়ন।’
কলেজের উন্নয়ন সম্পর্কে নবনির্বাচিত সভাপতি বলেন, ‘আমি উন্নয়নের বিরোধী নই, আমি উন্নয়নে বিশ্বাসী। আমি কথা দিচ্ছি প্রতিষ্ঠানের শুধু অবকাঠামোই নয় যত ধরনের উন্নয়ন প্রয়োজন আমি চেষ্টা করবো আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন দ্রুতগতিতে করার।’
ঢাকাটাইমস সম্পাদক শিক্ষার্থীদের বলেন, ‘তোমাদের শুধু পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষা নিলেই হবে না, নৈতিক শিক্ষায়ও শিক্ষিত হতে হবে। তোমরা এমন কোনো কাজ করবে না, যাতে তোমাদের প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি বা মান ক্ষুণ্ন হয়।’
কলেজের অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে আরিফুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষকরা নিশ্চয়ই নৈতিক শিক্ষা দেন। কিন্তু মাদকের ছোবল সারাদেশে, তাই আমাদের সন্তানদের যাতে এই মাদক আচ্ছন্ন না করে সে ব্যাপারে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।’
এসময় কলেজের শিক্ষক/শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকার সুধীজন, স্থানীয় রাজনীতিবিদরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় ওয়াবদা জায়গা রক্ষা করলেন ইউএনও
প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ বারাশিয়া চন্দনা নদী করার সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পওর) বেড়িবাদ নির্মাণ এর জন্য মালিনা জমি একর করে। অনেক বেড়িবাধ হয়েছে হালোট ও সরকারী রা¯তা নির্মাণ। রাস্তার পাশ দিয়ে সরকারের পড়ে থাকা অনেক জমি বেদখল হয়ে গেছে। তেমনি একটি ওয়াবদার জমি বেদখল হওয়ার সময় রক্ষা করলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, আজ শুক্রবার উপজেলাধীন পৌর-এলাকায় নোকাল বাসস্থান এর পূর্ব পাশে সরকারী রাস্তার পাশে ওয়াবদার পড়ে থাকা দশ শতাংশ জমি ভুমি হীন অসহয় গরীব আমেনা নামে এক মহিলা তার পরিবার নিয়ে ১৫/১৬ বছর বসবাস করতেছিল। আমেনা অসুস্থ থাকার সুবাধে পার্শ¦বর্তী বোয়ালমারী উপজেলা শেখর ইউনিয়ানে ছত্রকান্দা গ্রামের আবুল কালাম এর পুত্র আর্মি অবসর প্রাপ্ত সৈনিক মোঃ আলমগীর হোসেন জিন্নাহ বেআইনি ভাবে বসতভিটায় প্রবেশ করে জোর পূর্বক বাশ,খুটি,টিনের চাল দিয়ে ঘর নিমার্ন করতে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলফাডাঙ্গা উপ-সহকারী ভুমি অধির কুমার সাহা ও থানার এস আই মো. সিরাজকে পাঠিয়ে ঘর নিমার্নের কাজ বন্ধ করে দেন এবং জমিতে থাকা বাশ,খুটি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। আমেনা কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের জানান,আমার থাকার কোন জায়গা নেই। ওয়াবদার জায়গায় বসবাস করি,আমাকে জোর করে নামিয়ে দিয়ে জিন্নাহ বাড়ি করছে।
এ ব্যাপারে বাপাউবো আলফাডাঙ্গা পওর শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী উত্তম কুমার পোদ্দার সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাদী হয়ে থানায় জিন্নাহ বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
মো. আলমগীর হোনে জিন্নাহ বলেন, আমি আমার জায়গায় ঘর তোলতে গিয়েছি,এটা আমেনার জায়গা না।
এ বিষয় থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, আমেনা অভিযোগ করলে আমি পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করবে বলি এবং তার কাগজ পত্র দেখতে চাই কিন্তু জিন্না অন্য উপজেলা থেকে এসে কাগজ পত্র না দেখিয়ে আবার ঘর তোলার কাজ শুরু করে।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘরের কাজ বন্ধ করে দেই এবং জমিতে থাকা বাশ,খুটি ও সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, আজ শুক্রবার উপজেলাধীন পৌর-এলাকায় নোকাল বাসস্থান এর পূর্ব পাশে সরকারী রাস্তার পাশে ওয়াবদার পড়ে থাকা দশ শতাংশ জমি ভুমি হীন অসহয় গরীব আমেনা নামে এক মহিলা তার পরিবার নিয়ে ১৫/১৬ বছর বসবাস করতেছিল। আমেনা অসুস্থ থাকার সুবাধে পার্শ¦বর্তী বোয়ালমারী উপজেলা শেখর ইউনিয়ানে ছত্রকান্দা গ্রামের আবুল কালাম এর পুত্র আর্মি অবসর প্রাপ্ত সৈনিক মোঃ আলমগীর হোসেন জিন্নাহ বেআইনি ভাবে বসতভিটায় প্রবেশ করে জোর পূর্বক বাশ,খুটি,টিনের চাল দিয়ে ঘর নিমার্ন করতে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলফাডাঙ্গা উপ-সহকারী ভুমি অধির কুমার সাহা ও থানার এস আই মো. সিরাজকে পাঠিয়ে ঘর নিমার্নের কাজ বন্ধ করে দেন এবং জমিতে থাকা বাশ,খুটি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। আমেনা কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের জানান,আমার থাকার কোন জায়গা নেই। ওয়াবদার জায়গায় বসবাস করি,আমাকে জোর করে নামিয়ে দিয়ে জিন্নাহ বাড়ি করছে।
এ ব্যাপারে বাপাউবো আলফাডাঙ্গা পওর শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী উত্তম কুমার পোদ্দার সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাদী হয়ে থানায় জিন্নাহ বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
মো. আলমগীর হোনে জিন্নাহ বলেন, আমি আমার জায়গায় ঘর তোলতে গিয়েছি,এটা আমেনার জায়গা না।
এ বিষয় থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, আমেনা অভিযোগ করলে আমি পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করবে বলি এবং তার কাগজ পত্র দেখতে চাই কিন্তু জিন্না অন্য উপজেলা থেকে এসে কাগজ পত্র না দেখিয়ে আবার ঘর তোলার কাজ শুরু করে।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘরের কাজ বন্ধ করে দেই এবং জমিতে থাকা বাশ,খুটি ও সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।
মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০১৬
আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য কাজী সিরাজ ! শিরগ্রাম বাজারে আনন্দ মিছিল
ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হওয়ায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিরগ্রাম বাজারে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করেছে ইউনিয়ন এর নেতাকর্মীরা।
রবিবার ৩০ অক্টোবার বিকালে আছর নামাজের পর উপজেলা কৃষক লীগের নেতা কাজী আব্দুলাহর ও শিরগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আলমগীর মোল্ল্যার উদ্দ্যেগে এ আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এসময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজী হারুন-অর-রশিদ সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ,নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি বানা ইউনিয়ন কৃষক লীগের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে স্কুল মাঠে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যেমে শেষ হয়।
রবিবার ৩০ অক্টোবার বিকালে আছর নামাজের পর উপজেলা কৃষক লীগের নেতা কাজী আব্দুলাহর ও শিরগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আলমগীর মোল্ল্যার উদ্দ্যেগে এ আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এসময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজী হারুন-অর-রশিদ সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ,নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিছিলটি বানা ইউনিয়ন কৃষক লীগের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে স্কুল মাঠে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যেমে শেষ হয়।
সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৬
বাংলাদেশ যদি পাকিস্তানের সাথে থাকতো তাহলে এ দেশ ভিক্ষুকের দেশে পরিণত হত .... উপজেলা চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন আহম্মেদ
ষ্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ যদি পাকিস্তানের সাথে থাকতো তাহলে এ দেশ ভিক্ষুকের দেশে পরিণত হত বলে মন্তব্য করেছেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ।
আজ সোমবার (৩১.১০.১৬) সকাল ১০টায় ফরিদপুর জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ে জনগণকে অবহিতকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, কিছুদিন আগে আমি সৌদি আরবে হজ্ব করতে গিয়েছিলাম সেখানে দেখলাম পাকিস্তানের মেয়েরা ভিক্ষাবৃত্তি করছে কিন্তু বাংলাদেশের কাউকে সেখানে ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখি নাই। তাই বাংলাদেশ যদি পাকিস্তানের সাথে থাকতো তাহলে এ দেশ এতদিনে ভিক্ষুকের দেশেই পরিণত হত।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি এ দেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, তাই সবাইকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। তাহলে এ দেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে পরিণত হবে।
আলোচনা সভায় সরকারের সাফল্য অর্জন ও বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আরও বক্তব্য দেন, ফরিদপুর জেলা সিনিয়র অফিসার মো. মশিইর রহমান, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, সাংবাদিক আলমগীর কবির প্রমুখ।
আজ সোমবার (৩১.১০.১৬) সকাল ১০টায় ফরিদপুর জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ে জনগণকে অবহিতকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, কিছুদিন আগে আমি সৌদি আরবে হজ্ব করতে গিয়েছিলাম সেখানে দেখলাম পাকিস্তানের মেয়েরা ভিক্ষাবৃত্তি করছে কিন্তু বাংলাদেশের কাউকে সেখানে ভিক্ষাবৃত্তি করতে দেখি নাই। তাই বাংলাদেশ যদি পাকিস্তানের সাথে থাকতো তাহলে এ দেশ এতদিনে ভিক্ষুকের দেশেই পরিণত হত।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতি এ দেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, তাই সবাইকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। তাহলে এ দেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে পরিণত হবে।
আলোচনা সভায় সরকারের সাফল্য অর্জন ও বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আরও বক্তব্য দেন, ফরিদপুর জেলা সিনিয়র অফিসার মো. মশিইর রহমান, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, সাংবাদিক আলমগীর কবির প্রমুখ।
রবিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় জেলা তথ্য অফিসের সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টারঃ সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সম্পৃক্তকরণ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফরিদপুর জেলা তথ্য অফিস।
রবিবার বিকাল ৪টায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মশিউর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলমসহ স্থানীয় সকল সাংবাদিক বৃন্দ।
রবিবার বিকাল ৪টায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের, জেলা সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মশিউর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলমসহ স্থানীয় সকল সাংবাদিক বৃন্দ।
শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৬
কাজী সিরাজ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হওয়ায় আলফাডাঙ্গায় মিষ্টি বিতরন ও আনন্দ মিছিল
স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হওয়ায়
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করেছে উপজেলার নেতাকর্মীরা।
শনিবার (২৯.১০.১৬) বিকালে আছর নামাজের পর উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ন- আহবায়ক শেখ দেলোয়ার হেসেন ও বেজিডাঙ্গা কাজী আমেনা ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান এর উদ্দ্যেগে এ আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
মিছিলটি উপজেলা কৃষক লীগের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে সদর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে কৃষক লীগের কার্যালয়ে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়।
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করেছে উপজেলার নেতাকর্মীরা।
শনিবার (২৯.১০.১৬) বিকালে আছর নামাজের পর উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ন- আহবায়ক শেখ দেলোয়ার হেসেন ও বেজিডাঙ্গা কাজী আমেনা ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান এর উদ্দ্যেগে এ আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
মিছিলটি উপজেলা কৃষক লীগের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে সদর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে কৃষক লীগের কার্যালয়ে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়।
বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬
নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বাল্য বিবাহ ও মাদক বিরোধী সভা
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে এক সচেতনামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সভা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদার এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিধি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. মাহাফুজা বেগম।
সভায় অতিথিরা মাদক ও বাল্যবিবাহের ক্ষতিকারক দিকগুলো তুলে ধরে বক্তব্য দেন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাদক ব্যবহার ও বাল্য বিবাহ না করার জন্য শপথ পাঠ করান।
এসময় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বৃন্দ, শিক্ষক/শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যধার অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়ি ঘর লুট ও ভাংচুর
প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বিদ্যধার গ্রামে অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা হামলা চালিয়ে ৫ টি ঘরের টিনের বেড়া কুপিয়ে ঘরে থাকা আসবাবপত্র তছনছ করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়ন রয়েছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার(২৭-১০-১৬) তারিখে সকাল ৯টার সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিদ্যধার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে । পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে গ্রামের চার পাশে টহল দিচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আহাদুল হাচান ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আঃ রাজ্জাক এর দুইটি গ্রুপের মধ্যে দন্ড থাকায় রাজ্জাক গ্রুপের লোকজন বৃহস্পতিবার সকালে সাহাদত হোসেনের নেতৃত্বে একই গ্রামের নাগর, চঞ্চল, মান্নান, রিপন ও ইকবলের বাড়িতে আকর্ষিক ভাবে হামলা চালিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।
আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। পেলে দ্রুত আইন গত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার(২৭-১০-১৬) তারিখে সকাল ৯টার সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিদ্যধার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে । পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে গ্রামের চার পাশে টহল দিচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আহাদুল হাচান ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আঃ রাজ্জাক এর দুইটি গ্রুপের মধ্যে দন্ড থাকায় রাজ্জাক গ্রুপের লোকজন বৃহস্পতিবার সকালে সাহাদত হোসেনের নেতৃত্বে একই গ্রামের নাগর, চঞ্চল, মান্নান, রিপন ও ইকবলের বাড়িতে আকর্ষিক ভাবে হামলা চালিয়ে এ ঘটনা ঘটায়।
আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমি লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। পেলে দ্রুত আইন গত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
ধলাইচর প্রতিপক্ষের হামলায় গ্রাম পুলিশ গুরুত্বর আহত
প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ জমি-জমার বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধলাইচর ওয়ার্ড এর গ্রাম পুলিশ রফিক হোসেন (৬০) গুরুত্বর আহত হয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এ ব্যাপারে আজ বৃহস্পতিবার রফিকের ছেলের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বাদী হয়ে পান্নু (৪০), চুন্নু (৩০),সজিব(১৮),মনিরা(৩৫) কোহিনুর(২৫),লেকজান(৬৫)এর নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, গত বুধবার (২৬-১০-১৬) ইং তারিখে বিকাল ৫ টার সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নে ধলাইচর গ্রামে গ্রাম পুলিশ রফিক বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে পান্নু সিকদার লোকজন নিয়ে আতর্কিত ভাবে দেশীয় অস্ত লোহার রড নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় রফিকের মাথা ফেটে রক্ত খনন হয় এবং তার ডান হাতের কোটি সরে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার মোঃ ইমরান হোসেন রোগির অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। বর্তমানে সে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩য় তলায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত পূর্বক দ্রুত আইন গত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, গত বুধবার (২৬-১০-১৬) ইং তারিখে বিকাল ৫ টার সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নে ধলাইচর গ্রামে গ্রাম পুলিশ রফিক বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে পান্নু সিকদার লোকজন নিয়ে আতর্কিত ভাবে দেশীয় অস্ত লোহার রড নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় রফিকের মাথা ফেটে রক্ত খনন হয় এবং তার ডান হাতের কোটি সরে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তার মোঃ ইমরান হোসেন রোগির অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। বর্তমানে সে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩য় তলায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয় জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত পূর্বক দ্রুত আইন গত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
ইউপি চেয়ারম্যান আহাদের মাতার ইন্তেকাল
স্টাফ রিপোর্টার ঃ আলফাডাঙ্গা সদর ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা আ.লীগের যুগ্ন-সম্পাদক, উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা আহাদুল হাসান আহাদের মাতা মোসা. ছবুরন নেছা (১০০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিলাহি........রাজিউন)। আজ বৃহস্পতিবার (২৭.১০.১৬) সকাল ৮টায় উপজেলার শুকুরহাটা গ্রামে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে, ৭ মেয়ে আত্রীয়সজন সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দিনগত বিকাল সাড়ে ৪ টায় আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে মরহুমার নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে মরহুমাকে শুকুরহাটা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন হয়। মরহুমার স্বামী মরহুম আবু বক্কার মিয়া আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে ৪ বার তথা ২১বছর সততার সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন। মোসা. ছবুরন নেছার মৃত্যুতে ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষকলীগের সহ-সভাপতি কাজী সিরাজুল ইসলাম,ঢাকাটাইমস ও সাপ্তাহিক ‘এই সময়’ এর সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাব ও উপজেলা আ.লীগ সহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬
মাদকমুক্ত আলফাডাঙ্গা গড়তে সহযোগিতা চাইলেন ডিসি
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলাকে মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসন মিলনায়তনে এক
মতবিনিময় সভায় তিনি এ সহযোগিতা চান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ
আবুল খায়ের সভায় সভাপতিত্ব করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘মাদক একটি ভয়ানক ব্যধি। এটি যুবসমাজকে মারাত্মক
ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তাই আমি আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আলফাডাঙ্গাকে
মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়তে তুলতে চাই।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উম্মে সালমা তানজিয়া বলেন, ‘আমার কোন
কর্মকর্তা-কর্মচারী যদি কোন দুর্নীতি বা অনিয়ম করেন- তাহলে আমাকে জানাবেন।
আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব।’
সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আলফাডাঙ্গার উন্নয়নকে
আরও তরান্বিত করতে জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যহত থাকবে বলে
আশ্বাস দেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক।
মতবিনিময় সভায় ডিডিএলজি উপ-পরিচালক ড. আবু নঈম মোহাম্মদ আবদুছ ছবুর,
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দীন আহম্মেদ, উপজেলা আ.লীগের
সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর
রহমান, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা সালাম, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা
কমান্ডার আবু হোসেন তালুকদার, আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
মো. মোশাররফ হোসেন, আলফাডাঙ্গা আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোরশেদুর রহমান
তাজ, আলফাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেনসহ ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি
কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন।
সভা পরিচালনা করেন আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের প্রভাষক সারেকুল হাসান নয়ন ও গোপালপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা অধির কুমার গুহ।
মতবিনিময় সভা শেষে তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভূমি অফিসসহ একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৬
ইয়াবা সেবনের দায়ে একজনের কারাদন্ড
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ইয়াবা সেবনের দায়ে আলম মোল্যা (৪৫) নামের একজনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ দন্ডাদেশ দেন। আলম মোল্যা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মো. রইজ উদ্দিন আহমেদ এর ছেলে।
আদালত সূত্র জানায়, শনিবার রাতে স্থানীয় জনগণ কৃষ্ণপুর থেকে ৪ পিছ ইয়াবাসহ ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আলম মোল্যাকে আটক করে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে তুলে দেয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আলম মোল্যাকে সোপর্দ করা হলে রাত ৯টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজ কার্যালয়ে তাকে এ দন্ডাদেশ দেন।
শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাসান আহাদের জনসভা
মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ আলফাডাঙ্গায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিজের প্রার্থীতা জোড়ালো করতে
নির্বাচনী প্রস্তুতিমূলক জনসভা করেছেন বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল
হাসান আহাদ।
আলফাডাঙ্গাকে পৌরসভা ঘোষণা করায় গত ইউপি নির্বাচনের সময় ফরিদপুরের গোপালপুর, আলফাডাঙ্গা ও বুড়াইছ ইউপির নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।
শুক্রবার বিকাল ৪টায় জাটীগ্রাম মমতাজউদ্দিন মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ জনসভা হয়।
দুপুর দুইটা হতেই ইউনিয়নের শতশত নেতাকর্মী ও সমর্থক জড়ো হতে থাকেন
জনসভাস্থলে। বিকাল ৩টায় সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনে
চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ গাড়িবহর নিয়ে শোডাউনের
মাধ্যমে সভাস্থলে পৌঁছান।
এসময় নেতাকর্মীরা “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, আহাদ ভাই তুমি এগিয়ে চলো, আমরা আছি তোমার সাথে’’- স্লোগানে সভাস্থল মূখরিত করে তোলেন।
জনসভায় মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহাজাহান কবীর দাউদ মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান
বক্তা ছিলেন উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা, সদর
ইউপি চেয়ারম্যান ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম
আহাদুল হাসান আহাদ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি এ কে এম
জাহিদুল হাসান জাহিদ, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. আবু বক্কার সিদ্দীক,
সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান, ইমারত হোসেন, রফিকুল ইসলাম মোল্যা,
শরফুদ্দিন ও মো. উজ্জল প্রমুখ।
প্রধান বক্তা আহাদুল হাসান তার বক্তব্যে বিগত দিনে ইউনিয়নে তার সময়ের
বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের চিত্র তুলে ধরেন ও আগামীতে এ উন্নয়নের ধারা
অব্যহত রাখতে সকল ভেদাভেদ ভুলে তার পক্ষে কাজ করার জন্য ইউনিয়ন বাসীর প্রতি
আহবান জানান।
অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে আগামী ইউপি নির্বাচনে যোগ্যনেতা হিসাবে
আহাদুল হাসান আহাদকে বিপুল পরিমাণ ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত
করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেন।
জনসভায় ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের শতশত নেতাকর্মী ও সমর্থক স্বতস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৬
বিএনপি নেতার পদত্যাগ
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ২নং গোপালপুর ইউনিয়ন শাখা বিএনপি’র সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শিকদার ওয়াহিদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি পদত্যাগ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি আর দল ও দলের কোনো পদে থাকতে ইচ্ছুক নন। ফলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আকরামুজ্জামান সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমি পদত্যাগপত্র পেয়েছি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি পদত্যাগ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি আর দল ও দলের কোনো পদে থাকতে ইচ্ছুক নন। ফলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আকরামুজ্জামান সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমি পদত্যাগপত্র পেয়েছি।
বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬
আগামী দুই মাসের মধ্যে পৌর এলাকাকে মাদক মুক্ত করা হবে ------ ইউএনও মোহাম্মদ আবুল খায়ের
স্টাফ রিপোর্টার ঃ আগামী দুই মাসের মধ্যে আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকাকে মাদক মুক্ত করা হবে, মাদকের সাথে কোন আপোষ নেই, যারা মাদকের সাথে জড়িত তাদের ব্যপারে আপনারা প্রশাসনকে জানাবেন। তিনি আরও বলেন, কোথাও যদি বাল্য বিবাহ হয় তাহলে সে খবর আমাকে দিবেন, উপজেলা সদরে এ.জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রঙ্গনে মাদক ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে এক সচেতনামূলক সভায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের এসব কথা বলেন। উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তিনি মাদক ব্যবহার না করার জন্য শপথ পাঠ করান। এ.জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজনে আজ ১৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১০ টায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, থানার উপ-পরিদর্শক(এস আই) মো. সাহেব আলী , উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থী বৃন্দ।
রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৬
ধর্ম যার যার, আনন্দ সবার------------কাজী সিরাজুল ইসলাম
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ন সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেন, বানা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরিফ হারুন অর রশিদ,উপজেলা কৃষক লীগ নেতা আজিজুর রহমান ও কাজী হানিফ প্রমূখ।
মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬
বিনা মূল্যে রক্তগ্রুপিং ক্যাম্পেনিং
স্টাফ রিপোর্টার ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার আছাদুজ্জামান বালিকা বিদ্যালয়ে গত মঙ্গলবার (০৪.১০.১৬) সকাল ১০টায় মানব সেবা সংঘ’র আয়োজনে বিনা মূল্যে রক্তগ্রুপিং ক্যাম্পেনিং অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্লাড গ্রুপিং ও ডোনার কালেকশন করা হয়। উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের রক্তগ্রুপ করে রেজিষ্ট্রেশন তালিকা ভুক্ত করেন সংগঠনটি। এ সময় ক্যাম্পেনিং শুভ সুচনা করেন উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গির হোসেন। রক্তগ্রুপিং পরিক্ষা করেন টেকনিশিয়ান মো. জাফর মোল্যা। সেচ্ছা সেবক এর দায়িত্ব পালন করেন উক্ত সংগঠনের সদস্য বৃন্দ।
সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৬
বানা দাখিল মাদ্রাসা বন্ধ রেখে শিক্ষকদের কর্ম ফাঁকি
স্টাফ রিপোর্টার ঃ শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষকদের কাজ থেকে জাতির আসা অনেক। শিক্ষকরা হচ্ছে মানুষ গড়ার কারিগড়। আর সেই শিক্ষকরাই যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কর্ম ফাঁকি দেয় তাহলে এ জাতি তাদের কাছ থেকে কি আশা করতে পারে। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বানা ইউনিয়নের বানা শ.প.দাখিল মাদ্রাসায়। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আজ সোমবার (০৩.১০.১৬) দুপুর ১টায় বানা শ.প.দাখিল মাদ্রাসাটি বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে সুপার আঃ লতিফ সহ সকল শিক্ষক চলে যান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সুপার উপজেলা মিটিং এর দুয়াই দিয়ে সহ-সুপারের উপর চাপিয়ে দেন। ঘটনা স্থলে উপস্থিত থাকা সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম কুদ্দুস বলেন এখন বেলা ২টা বাজে কিন্তু কিছু সময় পূর্বে শিক্ষকরা মাদ্রাসাটি বন্ধ করে চলে গেছেন। এ বিষয় সহ-সুপার মো. লাভলু মিয়াকে ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যাইনি।
জানতে চাইলে সুপার (ভারপ্রাপ্ত) আঃ লতিফ বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমি সকল শিক্ষকদের মতামত নিয়ে মাদ্রাসা ছুটি দিয়েছি।
বানা ইউপি চেয়ারম্যান ও মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাদী হুমায়ন কবীর বাবু মুঠো ফোনে (০১৭১৬৭৩৮৪৪২) সাংবাদিকদের জানান, উক্ত শিক্ষকরা মাদ্রাসায় এসে পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাজনিতি করেন। ওদের বিরুদ্ধে আপনারা নিউজ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা ম্যাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. মাহাফুজা বেগম বলেন, আজ মাদ্রাসা খোলা আছে। বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখছি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহম্মাদ আবুল খায়ের বলেন, আমি শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।
উল্লেখ্য, উক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ রয়েছে।
জানতে চাইলে সুপার (ভারপ্রাপ্ত) আঃ লতিফ বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমি সকল শিক্ষকদের মতামত নিয়ে মাদ্রাসা ছুটি দিয়েছি।
বানা ইউপি চেয়ারম্যান ও মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাদী হুমায়ন কবীর বাবু মুঠো ফোনে (০১৭১৬৭৩৮৪৪২) সাংবাদিকদের জানান, উক্ত শিক্ষকরা মাদ্রাসায় এসে পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাজনিতি করেন। ওদের বিরুদ্ধে আপনারা নিউজ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা ম্যাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. মাহাফুজা বেগম বলেন, আজ মাদ্রাসা খোলা আছে। বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখছি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহম্মাদ আবুল খায়ের বলেন, আমি শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।
উল্লেখ্য, উক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ রয়েছে।
শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি মূলক সভা
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ আলফাডাঙ্গা উপজেলায় আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (০৩.১০.১৬) সকাল ১০ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তনে নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের এর সভাপতিত্বে এ সভা হয়। সভায় আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুল করীম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, আলফাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয় ও উপজেলার ৪১টি পূজা মন্ডপের প্রত্যেক পূজা মন্ডপের মাঝে সরকারি অনুদান ৫’শত কেজি করে চাউল বিতরণ করা হয়।
শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় কৃষক লীগের পরিচিতি সভা
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়ন শাখা কৃষক লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে বানা ইউনিয়ন শাখা কৃষক লীগের সভাপতির বাড়িতে এ পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচিতি সভা বানা ইউনিয়ন শাখা কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ হারুন অর রশীদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আ. কুদ্দুস খান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী হারুন অর রশীদ, আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও উপজেলা আ.লীগ নেতা মো. আলমগীর মোল্যা।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে বানা ইউনিয়ন শাখা কৃষক লীগের সভাপতির বাড়িতে এ পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিচিতি সভা বানা ইউনিয়ন শাখা কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ হারুন অর রশীদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আ. কুদ্দুস খান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী হারুন অর রশীদ, আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও উপজেলা আ.লীগ নেতা মো. আলমগীর মোল্যা।
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কৃষক লীগ কাজ করে চলছে .... আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম
প্রতিনিধি ,আলফাডাঙ্গা ঃ বাংলাদেশকে সুদক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে ডিজিটাল দেশ হিসাবে বিশ্বের মধ্যে প্রথম শ্রেনীর দেশ গড়ে তোলার জন্য কাজ করছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কৃষক লীগ অবিরম কাজ করে চলছে।
আজ শুক্রবার বিকাল ৪ টার আলফাডাঙ্গা উপজেলা শিরগ্রাম বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রঙ্গনে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উদ্বোধন কালে বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম এ সব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, এই সরকার মুক্তিযোদ্ধার সরকার। নারী ক্ষমতায়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য এজেন্ট অব চেঞ্জ উপাধীতে ভূষিত হওয়ায় বাংলাদেশ কৃষকলীগের পক্ষ থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আ. কুদ্দুস খান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, লে. কর্ণেল ম্সুদ হায়দার, কাশিয়ানী ইউপি চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান, শিরগ্রাম বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আ. আজিজ মোল্যা, পল্লী প্রগতি সহায়ক সমিতির নির্বাহী পরিচালক মো. ওলিয়ার রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক বাবু শ্যামল কুমার সাহা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক কাজী ইমদাদুল হক বকুল। অন্যান্যদের মধ্যে কাজী আমেনা ওয়াহেদ এর পুত্র ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কাজী হারুন অর রশীদ, টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন মোল্যা, বোয়ালমারী উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আকরামুজ্জামান মৃধা রুকু, আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ন সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষক লীগ নেতা কাজী আব্দুল্লাহ আল রশীদ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ফরিদপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপসচিব এম এম দাউদ বিশেষ কাজে অনুষ্ঠানে আসতে না পেরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সবাইকে শুভে”ছা জানান।
ফাইনাল খেলায় কাশিয়ানী উপজেলা ফুটবল একাদশ ৪-৩ গোলে ট্রাইবেকারে মোহাম্মাদপুর একাদশকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।
খেলা দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার দর্শক মাঠে উপস্থিত হন।
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
স্ত্রী’র সাথে প্রতারণার অভিযোগে স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা
বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলাইরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন (২৯) এর বিরুদ্ধে স্ত্রী’র সাথে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানায় মামলা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ হয়েছে।
থানা ও অফিস সুত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুর গ্রামের মৃতঃ নূরুল ইসলামের কর্ন্যা খাদিজা বেগমের (৪০) সাথে মুঠোফোনে শিক্ষক মো. আলমগীর হোসেন এর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের এক পর্যায়ে ২০০৮ সালের মে মাসের ১ তারিখে পুরান ঢাকার এ রেজিস্টার কাজী অফিসে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর থেকে তাদের সংসার ভালই চলছিল। খাজিদা বেগম তার মার নিকট থাকত এবং আলমগীর এক মাস পরপর খাদিজার নিকট যাওয়া আসা করত। কিন্তু তাদের সংসারে কাল হয়ে দাড়ায় আলমগীর হোসেনের সরকারি চাকুরী। এ চাকুরি পাওয়ার পর থেকেই বিগত তিন মাস পূর্ব হতে স্ত্রী খাদিজা বেগমের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন ঐ লম্পট শিক্ষক আলমগীর। স্ত্রী খাদিজা বেগম তার কোন খোজ না পেয়ে স্বামীর খোজে আলফাডাঙ্গা উপজেলার মিঠাপুর গ্রামে তালুকদার পাড়ায় তার শশুর বাড়িতে গিয়ে ওঠে। কিন্তু শাশুড়ি ও ননদ তাকে মারপিট করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ সময় আলফাডাঙ্গা সরকারী কলেজের সামনে আসলে রাস্তায় একা পেয়ে লম্পট শিক্ষক আলমগীর তার স্ত্রী খাদিজা বেগম এর ভ্যানেটিব্যাগে থাকা বিবাহের কাবিন এর নকল, স্বর্ণলংকার ও নগদ টাকা পয়সা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মারধর দিয়ে জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। স্ত্রী খাদিজা বেগম জীবন বাচাতে দৌড়ে পাশে আবুল কালাম খালাশির বাড়িতে গিয়ে ওঠে। খাদিজা বেগম কোন উপায়ন্ত না পেয়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় উপজেলার রাজনীতিবীদ ও প্রশাসনের শরনাপন্ন হন। এ ব্যাপারে খাদিজা বেগম আলফাডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এ খবর শুনে প্রশাসনের ভয়ে লম্পট শিক্ষক আলমগীর স্কুল ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে লম্পট আলমগীরের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ মামলা রুজু করেন। যার মামলা নং-৬,তাং- ২৫-৯-২০১৬ ইং।
এ ব্যাপারে খাদিজা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, আলমগীর প্রতারনা করে আমাকে ঠকিয়ে সর্বোচ্চ লুটে নিয়ে আমাকে সর্ব শান্ত করেছে। আমার নিকট থেকে সরকারী চাকুরী পাওয়ার কথা বলে কয়েক ধাপে সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা ও আমার মায়ের দেয়া গচ্ছিত কয়েক ভরি স্বর্ণলংকার প্রতারনা করে নিয়েছে। তিনি কান্নাজড়িত কন্ঠে আরও বলেন, আমার দেয়া টাকার বিনিময়ে সে সরকারী চাকুরী পেলো ঠিকই কিন্তু আমি পেলাম না তার স্ত্রীর মর্যাদা। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।
এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মূন্সী রুহুল আসলাম বলেন, শিক্ষক আলমগীরের বিরুদ্ধে খাদিজা বেগম নামে এক মহিলা উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
এ বিষয়ে শিক্ষক আলমগীরের সাথে মুঠোফোনে(০১৯২৪৫৫৭৮৯১) যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
শ্লোগানের কবি নাজমুল হক নজীর এর ৬১তম জন্মজয়ন্তী আজ
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ আয় কে যাবি আয়রে তোরা আয়/আমার সাথে সবুজ শ্যামল গাঁয়/পাখির গানে ঘুম ভাঙ্গাবো/গলায় তোর মালা পরাবো/পথ দেখাবো পূব দখিণা বায়/দূর্বা ঘাসে পথ চলাবো নবান্নতে অন্ন দেবো ঘুম পাড়াবো ছই বাঁধানো নায়.......। অস্তিত্বের শেকড়ে ফেরার এমন আহবান যিনি কবিতার পংক্তির মাধ্যমে আমাদের জানিয়েছেন তিনি হলেন কবি নাজমুল হক নজীর।
আজ ২৫শে সেপ্টেম্বর কবি নাজমুল হক নজীর এর জন্মজয়ন্তী। তিনি আজকের এই দিনে ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিয়ালদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
দশক গননায় সত্তর দশকের হলেও নাজমুল হক নজীর বাংলার একজন মৌলিক কবি। তাঁর কবিতার সহজ প্রকাশভঙ্গি ও গভীর জীবনবোধ পাঠককে সহজেই আকৃষ্ট করে। ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেও যে কোন কবি নিজস্বতা নিয়ে কবিতা লিখতে পারেন নাজমুল হক নজীর সেটা মনে রেখেছিলেন। আর একারনে তিনি আমাদের উপহার দিতে পেরেছিলেন, আয়নায় আপন অবয়ব অথবা নোনা জলের বাসিন্দার মতো কিছু কালজয়ী কবিতা।
কবি’র শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ “নোনা জলের বাসিন্দা”। এছাড়া “স্বৈরিণী স্বদেশ”, “কালো জোৎনার এক চুমুক”, “কার কাছে বলে যাই”, “যুরে দাঁড়াই স্বপ্ন পুরুষ”, “স্বপ্ন বাড়ি অবিরাম”, “এভাবে অবাধ্য রঙীন”,“ভিটেমাটি স্বরগ্রাম”, প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ, আর “সাধনার ফসল”, “আবার শ্লোগান”, “ইষ্টি কুটুম মিষ্টি কুটুম” ছড়ার বই, সম্পাদিত গ্রন্থ গাজী খোরশেদুজ্জামানের কিশোর কবিতা এবং ফরিদপুর অঞ্চলের ইতিহাস বিষয়ক গবেষণা গ্রন্থ আমাদের ফরিদপুর-১ অঞ্চল।
কবি’র এ পর্যন্ত ৮টি কাব্যগ্রন্থ , ৩টি ছড়া, ১টি ইতিহাস গ্রন্থ, ১টি সম্পাদিত গ্রন্থ, নির্বাচিত কবিতা ও কবিতা সমগ্র প্রকাশিত হয়েছে।
কবি’র জীবদশায় শ্রেষ্ঠ সম্মাননা- কবি শামসুর রাহমান স্মৃতি পুরস্কার, কবি খান মুহাম্মদ মঈনউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার, কবি গোবিন্দ চন্দ্র দাস স্মৃতি পদক , শ্রী হরিদর্শন পুরস্কার ও ভারত থেকে রাহিলা সাহিত্য পুরস্কার উল্লেখযোগ্য।
“শ্লোগানের কবি” খ্যাত নাজমুল হক নজীর ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর পাড়ি জমান না ফেরার দেশে। কবি’র ৬১তম জন্মজয়ন্তীতে আমাদের শ্রদ্ধা।
আজ ২৫শে সেপ্টেম্বর কবি নাজমুল হক নজীর এর জন্মজয়ন্তী। তিনি আজকের এই দিনে ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার শিয়ালদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
দশক গননায় সত্তর দশকের হলেও নাজমুল হক নজীর বাংলার একজন মৌলিক কবি। তাঁর কবিতার সহজ প্রকাশভঙ্গি ও গভীর জীবনবোধ পাঠককে সহজেই আকৃষ্ট করে। ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকেও যে কোন কবি নিজস্বতা নিয়ে কবিতা লিখতে পারেন নাজমুল হক নজীর সেটা মনে রেখেছিলেন। আর একারনে তিনি আমাদের উপহার দিতে পেরেছিলেন, আয়নায় আপন অবয়ব অথবা নোনা জলের বাসিন্দার মতো কিছু কালজয়ী কবিতা।
কবি’র শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ “নোনা জলের বাসিন্দা”। এছাড়া “স্বৈরিণী স্বদেশ”, “কালো জোৎনার এক চুমুক”, “কার কাছে বলে যাই”, “যুরে দাঁড়াই স্বপ্ন পুরুষ”, “স্বপ্ন বাড়ি অবিরাম”, “এভাবে অবাধ্য রঙীন”,“ভিটেমাটি স্বরগ্রাম”, প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ, আর “সাধনার ফসল”, “আবার শ্লোগান”, “ইষ্টি কুটুম মিষ্টি কুটুম” ছড়ার বই, সম্পাদিত গ্রন্থ গাজী খোরশেদুজ্জামানের কিশোর কবিতা এবং ফরিদপুর অঞ্চলের ইতিহাস বিষয়ক গবেষণা গ্রন্থ আমাদের ফরিদপুর-১ অঞ্চল।
কবি’র এ পর্যন্ত ৮টি কাব্যগ্রন্থ , ৩টি ছড়া, ১টি ইতিহাস গ্রন্থ, ১টি সম্পাদিত গ্রন্থ, নির্বাচিত কবিতা ও কবিতা সমগ্র প্রকাশিত হয়েছে।
কবি’র জীবদশায় শ্রেষ্ঠ সম্মাননা- কবি শামসুর রাহমান স্মৃতি পুরস্কার, কবি খান মুহাম্মদ মঈনউদ্দিন সাহিত্য পুরস্কার, কবি গোবিন্দ চন্দ্র দাস স্মৃতি পদক , শ্রী হরিদর্শন পুরস্কার ও ভারত থেকে রাহিলা সাহিত্য পুরস্কার উল্লেখযোগ্য।
“শ্লোগানের কবি” খ্যাত নাজমুল হক নজীর ২০১৫ সালের ২৩ নভেম্বর পাড়ি জমান না ফেরার দেশে। কবি’র ৬১তম জন্মজয়ন্তীতে আমাদের শ্রদ্ধা।
শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
মা’র বটির কোপে মেয়ে গুরুত্বর আহত
স্টাফ রিপোর্টার ঃ মা’র হাতে বটির কোপ খেয়ে শিশু কন্যা আছিয়া (১০) গুরুত্বর আহত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। অভিমানী মা তাসলিমা বেগম(৪০) মেয়ের এ অবস্থা দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌর-এলাকা ভরমিঠাপুর গ্রামে গত শনিবার (২৪-০৯-১৬) বেলা ৪ টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে আছিয়ার পিতা মো. কুবাদ মেম্বার তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রো আনে। পরে হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তার শিশুটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা পৌর-এলাকা ভরমিঠাপুর গ্রামে ওয়ার্ড মেম্বার মো. কুবাদ মিয়ার পাশে বাড়ি মাবিয়া বেগমের ঘরে শুক্রবার শিশু আছিয়া সহ অনেকে টিভি দেখতে যায়। টিভি দেখে আছিয়া চলে গেলে মাবিয়ার পনারশত টাকা হারিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন। শিশুটির মা তাসলিমা বেগম রাগ করে মেয়েকে ডেকে নিয়ে ধারালো বটি দিয়ে তার ডান হাতের কজ্বির উপর কোপ মারে। উক্ত কোপে শিশুটির ডান হাত দুই খন্ড হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে কর্মরত ডাক্তার পূর্ন চন্দ্র দাস বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনলে তার অবস্থা খারাপ থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফাট করা হয়েছে।
আছিয়ার পিতা মো. কুবাদ মেম্বার সাংবাদিকদের জানান, আমার ২য় স্ত্রী তাসলিমা রাগা-রাগি করে মেয়ে সাথে অভিমানে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
খবর পেয়ে আছিয়ার পিতা মো. কুবাদ মেম্বার তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রো আনে। পরে হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তার শিশুটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা পৌর-এলাকা ভরমিঠাপুর গ্রামে ওয়ার্ড মেম্বার মো. কুবাদ মিয়ার পাশে বাড়ি মাবিয়া বেগমের ঘরে শুক্রবার শিশু আছিয়া সহ অনেকে টিভি দেখতে যায়। টিভি দেখে আছিয়া চলে গেলে মাবিয়ার পনারশত টাকা হারিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন। শিশুটির মা তাসলিমা বেগম রাগ করে মেয়েকে ডেকে নিয়ে ধারালো বটি দিয়ে তার ডান হাতের কজ্বির উপর কোপ মারে। উক্ত কোপে শিশুটির ডান হাত দুই খন্ড হয়ে যায়।
এ ব্যাপারে কর্মরত ডাক্তার পূর্ন চন্দ্র দাস বলেন, শিশুটিকে হাসপাতালে আনলে তার অবস্থা খারাপ থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফাট করা হয়েছে।
আছিয়ার পিতা মো. কুবাদ মেম্বার সাংবাদিকদের জানান, আমার ২য় স্ত্রী তাসলিমা রাগা-রাগি করে মেয়ে সাথে অভিমানে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় রবি/২০১৬-১৭ ও খরিপ-১ মৌসুমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে ৩শত ৫০জন চাষীদের প্রত্যেকের মঝে ১ কেজি ‘বারি সরিষা-১৪’ বীজ, ২০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।
সার ও বীজ বিতরণ করেন, ডিএই ফরিদপুর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার গোপাল চন্দ্র দাস, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, উপজেলা কৃষি অফিসার আফতাব উদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা মৎস্য অফিসার তপন মজুমদার, উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. এ কে এম আসজাদ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাফরোজা আক্তার প্রমূখ।
মঙ্গলবার বেলা ১২টায় উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে ৩শত ৫০জন চাষীদের প্রত্যেকের মঝে ১ কেজি ‘বারি সরিষা-১৪’ বীজ, ২০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।
সার ও বীজ বিতরণ করেন, ডিএই ফরিদপুর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার গোপাল চন্দ্র দাস, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, উপজেলা কৃষি অফিসার আফতাব উদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা মৎস্য অফিসার তপন মজুমদার, উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. এ কে এম আসজাদ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মাফরোজা আক্তার প্রমূখ।
পুলিশের মতবিনিময় সভা
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন শারদীয়া দূর্গা পুজা উপলক্ষে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলা আ’লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ৪১টি পূজা মন্ডবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে এ সভা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নূরুল বাশার মিয়া, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু হোসেন তালুকদার, আলফাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, বানা ইউপি চেয়ারম্যান হাদী হুমায়ুন কবীর বাবু, গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম প্রমূখ।
সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
আধিপত্য কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ৫
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫জন আহত হয়েছে। গত রবিবার (১৮-০৯-১৬) দুপুর ১টার দিকে উপজেলাধীন আলফাডাঙ্গা ইউনিয়নের জাটিগ্রাম বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জাটিগ্রাম বাজারে শাহাদতের চায়ের দোকানে মোহাম্মাদ শরীফ (৫০) ও জাহাঙ্গীর শরীফ(৩০) চা পান করার জন্য যায়। এসময় প্রতিপক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের লোকজন দোকানের মধ্যে গিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র লাঠিশোটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পালটা ধাওয়া হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। হামলায় উভয় পক্ষের অন্তত ৫জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মোহাম্মাদ শরীফ ও মিতুল(২০) কে আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করীম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহে ৫ জনকে আটক করে তাদেরকে ১৫১ দ্বারায় ফরিদপুর কোর্টে প্রেরণ করা হয়।
অজ্ঞাত ব্যক্তির ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির (৫০
) মরাদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গত রবিবার (১৮-০৯-১৬) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিজ পরনের লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় এ মরাদেহ উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, পৌর এলাকার শ্রীরামপুর গ্রামে হারুন মাস্টারের বাড়ির উত্তর পার্শে এবং লোকাল বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পার্শে বাইবাস সড়কে বারাশিয়া নদীর পাড়ে এক বরই গাছে অজ্ঞাত ঐ ব্যক্তির নিজ পরনের লুঙ্গি দিয়ে ঝুলান্ত অবস্থায় মরাদেহ দেখতে পায় পথচারীরা। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরাদেহটি উদ্ধার করে। জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করীম বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঐ ব্যক্তির এখন পযর্ন্ত কোন পরিচয় জানা যায়নি। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
) মরাদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গত রবিবার (১৮-০৯-১৬) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিজ পরনের লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় এ মরাদেহ উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, পৌর এলাকার শ্রীরামপুর গ্রামে হারুন মাস্টারের বাড়ির উত্তর পার্শে এবং লোকাল বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পার্শে বাইবাস সড়কে বারাশিয়া নদীর পাড়ে এক বরই গাছে অজ্ঞাত ঐ ব্যক্তির নিজ পরনের লুঙ্গি দিয়ে ঝুলান্ত অবস্থায় মরাদেহ দেখতে পায় পথচারীরা। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরাদেহটি উদ্ধার করে। জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করীম বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঐ ব্যক্তির এখন পযর্ন্ত কোন পরিচয় জানা যায়নি। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় অজ্ঞাত ব্যক্তির ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরাদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিজ পরনের লুঙ্গি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় এ মরাদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, সদরের লোকাল বাসষ্টান্ডের পশ্চিম পার্শে বাইবাস সড়কে বারাশিয়া
নদীর পাড়ে এক বরই গাছে অজ্ঞাত ঐ ব্যক্তির নিজ পরনের লুঙ্গি দিয়ে ঝুলান্ত
অবস্থায় মরাদেহ দেখতে পায় পথচারীরা। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে
মরাদেহটি উদ্ধার করে।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করীম বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ঐ ব্যক্তির এখন পযর্ন্ত কোন পরিচয় জানা যায়নি।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করীম বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ঐ ব্যক্তির এখন পযর্ন্ত কোন পরিচয় জানা যায়নি।
রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
বোয়ালমারীতে প্রতিপক্ষের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসহ আহত ৫
আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি ঃ বাড়ির সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌর সদরের সরকারি কলেজ রোডে মরহুম কাজী আব্দুর রশিদের বাড়িতে সন্ত্রাসী পনির গং আকষ্মিক হামলা চালিয়ে পরিবারের লোকজনকে মারধর ও ভাংচুর করেছে। এসময় শান্তামারিয়াম ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রলীগ নেতা শাইখসহ ৫জন আহত হয়েছে। শাইখকে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রবিবার (১১.০৯.১৬) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সন্ত্রাসী পনিরের নেতৃত্বে ছোটন, বাপ্পি, পাপ্পুসহ কয়েকজন কাজী আব্দুর রশিদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার ছেলে কাজী রায়হান, শান্তামারিয়াম ইউনিভারসিটির ছাত্র কাজী রেদোয়ান শাইখ, মেয়ে জর্জ একাডেমীর সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া ও সুমাকে মারধর করে। এ সময় লাঠির আঘাতে শাইখের মাথা ফেটে যায়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে সাবেক সেনা সদস্য এমএ জাহিদ হোসেন আহত হয়। গুরুতর আহত ৫নং ওয়ার্ড ছাত্র লীগের সদস্য শাইখকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কাজী বাবুল বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানতে চাইলে বোয়ালমারী থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হবে এবং দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রবিবার (১১.০৯.১৬) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সন্ত্রাসী পনিরের নেতৃত্বে ছোটন, বাপ্পি, পাপ্পুসহ কয়েকজন কাজী আব্দুর রশিদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার ছেলে কাজী রায়হান, শান্তামারিয়াম ইউনিভারসিটির ছাত্র কাজী রেদোয়ান শাইখ, মেয়ে জর্জ একাডেমীর সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া ও সুমাকে মারধর করে। এ সময় লাঠির আঘাতে শাইখের মাথা ফেটে যায়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে সাবেক সেনা সদস্য এমএ জাহিদ হোসেন আহত হয়। গুরুতর আহত ৫নং ওয়ার্ড ছাত্র লীগের সদস্য শাইখকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কাজী বাবুল বাদি হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানতে চাইলে বোয়ালমারী থানা অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হবে এবং দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
প্রতিপক্ষের হামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আহত! ঘর বাড়ি ভাংচুর
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় প্রতিপক্ষের হামলায় মো. জাফর মোল্যা(৬৮) নামে এক মুক্তিযোদ্ধাকে আহত করা ও তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং লুটপাট করা অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এ বিষয়ে শনিবার আলফাডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহত মুক্তিযোদ্ধা জাফর মোল্যা। শুক্রবার (০৯-০৯-১৬) সকালে উপজেলার বানা ইউনিয়নের পন্ডিতের বানা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. জাফর মোল্যার বাড়িতে হামলাকারীরা এসে জাফর মোল্যার নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। জাফর মোল্যা ঘর থেকে বের হয়ে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে হামলাকারীরা জাফর মোল্যাকে মারধর করে। এ সময় তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও অনুমান ৩৬ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয় বলে জানা যায়। হামলাকারীরা বানা ইউনিয়নের দিঘলবানা গ্রামের মো. পলাশ(৩৫), মো. জমির উদ্দিন মোল্যা(৫৫), দেলওয়ার মোল্যা(৪০), বাকিয়ার(৫০), আত্তাব শেখ(৬৫), মো. জাকির মোল্যা(৪৫), সাবিনা ইয়াসমিন(৩০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেকে। এ বিষয়ে আহত মুক্তিযোদ্ধা জাফর মোল্যা বলেন, তারা আমার সাথে পূর্ব হতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ করে আসছিল। ঐ বিরোধের জের ধরে আমার উপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর ভাংচুর করে স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানার এস আই মো. সাহেব আলী বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনার তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন,মুক্তিযোদ্ধা মো. জাফর মোল্যার উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করে হামলার বিচার চান ।
এ ব্যাপারে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন,মুক্তিযোদ্ধা মো. জাফর মোল্যার উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করে হামলার বিচার চান ।
শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
শিক্ষক পিটালেন বৃদ্ধাকে
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইছ ইউনিয়নের হেলেঞ্চা গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে লাবনী খানম নামে এক স্কুল শিক্ষকে বিরুদ্ধে ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধাকে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃদ্ধা ঐ গ্রামের আ. ছালাম শেখ এর স্ত্রী রেখা বেগম। আহত বৃদ্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আহত বৃদ্ধার স্বামী আ. ছালাম শেখ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আ. ছালাম শেখ এর সাথে ৪৮ নং কঠুরাকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোসা. লাবনী খানম জমিজমা নিয়ে বিরোধ করে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে তারা বিগত অনুমান ১৫দিন আগে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যেমে আপোষ মিমাংসা করে দেন। কিন্তু শিক্ষক লাবনী খানম এতে সন্তুষ্ট না হয়ে গত মঙ্গলবার (৬.৯.১৬) বিকালে ঐ বৃদ্ধার নিজ বসত ঘরে প্রবেশ করে চুলের মুঠি ধরে ঘরের মেঝেতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিলঘুসি ও লাথি মেরে ডান কান, ঘাড় ও ডান পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। আহত বৃদ্ধা রেখা বেগমকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত বৃদ্ধা রেখা বেগমের স্বামী আ. ছালাম শেখ জানান, আমার সঙ্গে জমি নিয়ে তাদের অনেক আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। কিন্তু বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা আপোশ মিমাংসা করে দিয়েছেন। তারপরেও আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমার স্ত্রীকে নির্যাতন করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
জানতে চাইলে শিক্ষক মোসা. লাবনী খানম বলেন, জমিজমার বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব পান্নু বলেন, আমার অনুরোধে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা ঐ বিষয়ে কিছু দিন আগে তাদের আপোশ মিমাংসা করে দিয়েছেন।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, এ ব্যাপারে আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আ. ছালাম শেখ এর সাথে ৪৮ নং কঠুরাকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোসা. লাবনী খানম জমিজমা নিয়ে বিরোধ করে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে তারা বিগত অনুমান ১৫দিন আগে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যেমে আপোষ মিমাংসা করে দেন। কিন্তু শিক্ষক লাবনী খানম এতে সন্তুষ্ট না হয়ে গত মঙ্গলবার (৬.৯.১৬) বিকালে ঐ বৃদ্ধার নিজ বসত ঘরে প্রবেশ করে চুলের মুঠি ধরে ঘরের মেঝেতে ফেলে এলোপাতাড়ি কিলঘুসি ও লাথি মেরে ডান কান, ঘাড় ও ডান পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। আহত বৃদ্ধা রেখা বেগমকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
আহত বৃদ্ধা রেখা বেগমের স্বামী আ. ছালাম শেখ জানান, আমার সঙ্গে জমি নিয়ে তাদের অনেক আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। কিন্তু বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা আপোশ মিমাংসা করে দিয়েছেন। তারপরেও আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমার স্ত্রীকে নির্যাতন করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
জানতে চাইলে শিক্ষক মোসা. লাবনী খানম বলেন, জমিজমার বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব পান্নু বলেন, আমার অনুরোধে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা ঐ বিষয়ে কিছু দিন আগে তাদের আপোশ মিমাংসা করে দিয়েছেন।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, এ ব্যাপারে আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
টাবনী কঠুরাকান্দী প্রাইমারী স্কুল সময়ের আগেই বন্ধ ! দুই শিক্ষককে শোকজ
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ প্রধান শিক্ষক উপজেলা সদরে গেছেন মাসিক সভায়। সুযোগটা নিলেন বাকি দুই শিক্ষক। তারা প্রথম ক্লাস নিয়েই ছুটি দিয়ে দেন শিক্ষার্থীদের। এরপর স্কুলে তালা ঝুলিয়ে চলে যান নিজের কাজে।
ঘটনাটি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়নের ৪৮ নম্বর কঠুরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। নির্ধারিত সময়ের আগে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে স্কুল বন্ধ করে দেয়ায় সংশ্লিষ্ট দুই সহকারী শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদের ছুটির আগে বৃহস্পতিবার ছিল শেষ কর্মদিবস। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা বেগম উপজেলা মাসিক সভায় গিয়েছিলেন। স্কুলে ছিলেন সহকারী শিক্ষক মোসা. লাবনী খানম ও মোসা. ইয়াসমিন। তারা সকাল ১০টায় স্কুলে গিয়ে হাজিরা খাতায় সই করে প্রথম ক্লাস নেন। এরপর শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে স্কুল বন্ধ করে চলে যান। কিন্তু বিধি বাম। এ খবর চলে যায় উপজেলা শিক্ষা অফিসে। কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) জারি হয় ওই দুই শিক্ষকের নামে। আগামী ৭ দিনের কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব চেয়েছেন শিক্ষা অফিস।
জানতে চাইলে শিক্ষক লাবনী খানম ও ইয়াসমিন বলেন, স্কুল বন্ধ রাখলে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে তা আমরা বুঝতে পারেননি।
এ ব্যাপারে কঠুরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) রওশন আরা বেগম বলেন, ‘আমি দুই শিক্ষককে স্কুলে রেখে উপজেলা মাসিক মিটিংয়ে আসি। এ সুযোগে তারা স্কুল বন্ধ করে চলে যান। এ ব্যাপারে নিউজ না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তিনি।
জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সি রুহুল আসলাম বলেন, ঘটনার সত্যতা পেয়ে ওই দুই শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঘটনাটি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়নের ৪৮ নম্বর কঠুরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। নির্ধারিত সময়ের আগে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে স্কুল বন্ধ করে দেয়ায় সংশ্লিষ্ট দুই সহকারী শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদের ছুটির আগে বৃহস্পতিবার ছিল শেষ কর্মদিবস। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা বেগম উপজেলা মাসিক সভায় গিয়েছিলেন। স্কুলে ছিলেন সহকারী শিক্ষক মোসা. লাবনী খানম ও মোসা. ইয়াসমিন। তারা সকাল ১০টায় স্কুলে গিয়ে হাজিরা খাতায় সই করে প্রথম ক্লাস নেন। এরপর শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে স্কুল বন্ধ করে চলে যান। কিন্তু বিধি বাম। এ খবর চলে যায় উপজেলা শিক্ষা অফিসে। কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) জারি হয় ওই দুই শিক্ষকের নামে। আগামী ৭ দিনের কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব চেয়েছেন শিক্ষা অফিস।
জানতে চাইলে শিক্ষক লাবনী খানম ও ইয়াসমিন বলেন, স্কুল বন্ধ রাখলে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে তা আমরা বুঝতে পারেননি।
এ ব্যাপারে কঠুরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) রওশন আরা বেগম বলেন, ‘আমি দুই শিক্ষককে স্কুলে রেখে উপজেলা মাসিক মিটিংয়ে আসি। এ সুযোগে তারা স্কুল বন্ধ করে চলে যান। এ ব্যাপারে নিউজ না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তিনি।
জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সি রুহুল আসলাম বলেন, ঘটনার সত্যতা পেয়ে ওই দুই শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
স্কুল বন্ধ রাখার অপরাধে দুই শিক্ষক শোকজ
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা ইউনিয়নের ৪৮ নং কঠুরাকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই সহকারী শিক্ষককে নির্ধারিত সময়ের আগে স্কুল বন্ধ রাখার অপরাধে শোকজ করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।
শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায়, আজ ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলাধীন বানা ইউনিয়নের ৪৮ নং কঠুরাকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোসা. লাবনী খানম ও মোসা. ইয়াসমিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় স্কুলে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে প্রথম ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে স্কুল বন্ধ করে নিজেদের ব্যক্তিগত কাজে বেরিয়ে যান। উক্ত স্কুলে মোট শিক্ষক ৩ জন। প্রধান শিক্ষক উপজেলা মাসিক মিটিং এ থাকার সুযোগে উক্ত দুই সহকারী শিক্ষক স্কুলটি বন্ধ করে ইচ্ছামত সরকারী নিয়মকে উপেক্ষা করে ব্যক্তিগত কাজ করেন। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিস জানতে পেয়ে উক্ত দুই শিক্ষককে শোকজ করেন।
এ ব্যাপারে শিক্ষক লাবনী খানম ও ইয়াসমিন এর নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন, স্কুল বন্ধ রাখলে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে তা আমরা বুঝতে পারিনি।
উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) রওশোন আরা বেগম বলেন, আমি ঔ দুই শিক্ষককে স্কুলে রেখে উপজেলা মাসিক মিটিং এ আসি কিন্তু এই সুবাদে তারা স্কুল বন্ধ করে দেয়। তিনি পত্রিকায় নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) মূন্সি রুহুল আসলাম বলেন, ঘটনার সত্যতা পেয়ে আমি প্রথমে তাদেরকে শোকজ করেছি। পরবর্তীতে আইনানুগ আরও ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
আলফাডাঙ্গায় জেলেদের পরিচয় পত্র প্রদান
প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জেলেদের পরিচয় পত্র প্রদান করেছে উপজেলা মৎস্য অফিস।
গত বুধবার বিকাল ৪টায় উপজেলা চত্ত্বরে ৪০৪ জন জেলেদের মাঝে পরিচয় পত্র প্রদান করেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা মৎস্য অফিসার তপন মজুমদার।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মু. খায়রুজ্জামান, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফার।
গত বুধবার বিকাল ৪টায় উপজেলা চত্ত্বরে ৪০৪ জন জেলেদের মাঝে পরিচয় পত্র প্রদান করেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা মৎস্য অফিসার তপন মজুমদার।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মু. খায়রুজ্জামান, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফার।
‘বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যেই উন্নত বিশ্বের দ্বার প্রান্তে গিয়ে পৌছাবে’ ...আব্দুর রহমান এমপি
| সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান এমপি |
গত বুধবার (০৭-০৯-১৬) আলফাডাঙ্গা সরকারী ডিগ্রী কলেজে আয়োজিত ‘নবীন বরণ ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন এমপি।
যুদ্ধপরাধীদের ফাসি কার্যকর সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে যুদ্ধপরাধীদের ফাসি কার্যকর করে এ দেশের ১৬ কোটি মানুষের সপ্ন পুরণ করেছেন। তাই আমি তাকে অভিনন্দন জানাই।
মো. আব্দুর রহমান জঙ্গিবাদ সম্পর্কে বলেন, আমরা যারা এই বাংলাদেশের নাগরিক আমরা চাই উন্নয়ন। আমাদের দেশ স্বাধীনতার লক্ষ পতাকা বুকে ধারণ করে আমরা কেবলই সামনের দিকে এগোতে চাই। আমরা পিছনের দিকে ফিরে তাকাতে চাই না এবং চাইনা বলেই আজকে জঙ্গিবাদকে ঘৃণা করি। জঙ্গিবাদকে আমরা না বলব। সরকার জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় পরিকল্পিতভাবে এগোচ্ছে। বর্তমান সরকার জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। তাই জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে গড়ে তুলে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকতে হবে ।
আলফাডাঙ্গা সরকারী ডিগ্রী কলেজের অফিসার ইনচার্জ মো. মোশাররফ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মু. খায়রুজ্জামান, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মো. নূরুল বাশার মিয়া, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাসান আহাদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফার।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা ছালাম, টগরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান শিপন, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, উপজেলা আ’লীগের মহিলা সম্পাদিকা সুফিয়া বেগম রোজী, যুবলীগের মহিলা নেত্রী বিউটি বেগম, ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান প্রমূখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উক্ত কলেজের প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস ও মো. মাহিদুল হক।
রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
বোয়ালমারীতে গোহাটা সংলগ্ন জমি লিজ দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন
স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা সদর বাজারের গোহাটায় এক নং খাস খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশ জমি অনিয়ম করে ২৫ ব্যাক্তিকে লিজ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া ও ওই জমি থেকে বড় বড় কয়েকটি গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ‘বোয়ালমারী রক্ষা কমিটি’।
রবিবার বিকাল ৪টায় সদর বাজারের গোহাটা সংলগ্ন রাস্তায় এ মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বোয়ালমারী রক্ষা কমিটি’র আহ্বায়ক বদিউজ্জামান টুলু, মুখপাত্র মো. মানোয়ার হোসেন চৌধুরী, মো. সাখাওয়াত হোসেন, মো. আরিফ মিয়া, মো. মোশারেফ হোসেন, রুবেল মিয়া, আকরাম হোসেন, হাবিবসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গোপনে আতাত করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে ওই জমি লিজ প্রদান করা হয়েছে। এমনকি স্থাপনা নির্মান করার সময় অনিয়মতান্ত্রিকভাবে কয়েকটি বড় বড় গাছ নিলাম ছাড়াই কেটে ফেলা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ওই জায়গায় স্থাপনা নির্মান করায় গরুর হাট সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবেন।
মানববন্ধনে বক্তারা ঐতিহ্যবাহী বোয়ালমারী পশুহাটের জায়গার লিজ বাতিল করে লাখো জনগণের প্রণের দাবী পুরণ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।
উল্লেখ্য, ওই জমি লিজের অনিয়মের অভিযোগ তুলে গত ৩০ আগষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছে এলাকাবাশী।
রবিবার বিকাল ৪টায় সদর বাজারের গোহাটা সংলগ্ন রাস্তায় এ মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে ব্যাবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বোয়ালমারী রক্ষা কমিটি’র আহ্বায়ক বদিউজ্জামান টুলু, মুখপাত্র মো. মানোয়ার হোসেন চৌধুরী, মো. সাখাওয়াত হোসেন, মো. আরিফ মিয়া, মো. মোশারেফ হোসেন, রুবেল মিয়া, আকরাম হোসেন, হাবিবসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গোপনে আতাত করে বিপুল অর্থের বিনিময়ে ওই জমি লিজ প্রদান করা হয়েছে। এমনকি স্থাপনা নির্মান করার সময় অনিয়মতান্ত্রিকভাবে কয়েকটি বড় বড় গাছ নিলাম ছাড়াই কেটে ফেলা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ওই জায়গায় স্থাপনা নির্মান করায় গরুর হাট সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবেন।
মানববন্ধনে বক্তারা ঐতিহ্যবাহী বোয়ালমারী পশুহাটের জায়গার লিজ বাতিল করে লাখো জনগণের প্রণের দাবী পুরণ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।
উল্লেখ্য, ওই জমি লিজের অনিয়মের অভিযোগ তুলে গত ৩০ আগষ্ট ভূমি মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছে এলাকাবাশী।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

















