স্টাফ রিপোর্টার ঃ শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষকদের কাজ থেকে জাতির আসা অনেক। শিক্ষকরা হচ্ছে মানুষ গড়ার কারিগড়। আর সেই শিক্ষকরাই যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কর্ম ফাঁকি দেয় তাহলে এ জাতি তাদের কাছ থেকে কি আশা করতে পারে। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বানা ইউনিয়নের বানা শ.প.দাখিল মাদ্রাসায়। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আজ সোমবার (০৩.১০.১৬) দুপুর ১টায় বানা শ.প.দাখিল মাদ্রাসাটি বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে সুপার আঃ লতিফ সহ সকল শিক্ষক চলে যান। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সুপার উপজেলা মিটিং এর দুয়াই দিয়ে সহ-সুপারের উপর চাপিয়ে দেন। ঘটনা স্থলে উপস্থিত থাকা সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম কুদ্দুস বলেন এখন বেলা ২টা বাজে কিন্তু কিছু সময় পূর্বে শিক্ষকরা মাদ্রাসাটি বন্ধ করে চলে গেছেন। এ বিষয় সহ-সুপার মো. লাভলু মিয়াকে ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যাইনি।
জানতে চাইলে সুপার (ভারপ্রাপ্ত) আঃ লতিফ বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমি সকল শিক্ষকদের মতামত নিয়ে মাদ্রাসা ছুটি দিয়েছি।
বানা ইউপি চেয়ারম্যান ও মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাদী হুমায়ন কবীর বাবু মুঠো ফোনে (০১৭১৬৭৩৮৪৪২) সাংবাদিকদের জানান, উক্ত শিক্ষকরা মাদ্রাসায় এসে পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাজনিতি করেন। ওদের বিরুদ্ধে আপনারা নিউজ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা ম্যাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. মাহাফুজা বেগম বলেন, আজ মাদ্রাসা খোলা আছে। বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখছি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহম্মাদ আবুল খায়ের বলেন, আমি শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।
উল্লেখ্য, উক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ রয়েছে।
জানতে চাইলে সুপার (ভারপ্রাপ্ত) আঃ লতিফ বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমি সকল শিক্ষকদের মতামত নিয়ে মাদ্রাসা ছুটি দিয়েছি।
বানা ইউপি চেয়ারম্যান ও মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাদী হুমায়ন কবীর বাবু মুঠো ফোনে (০১৭১৬৭৩৮৪৪২) সাংবাদিকদের জানান, উক্ত শিক্ষকরা মাদ্রাসায় এসে পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাজনিতি করেন। ওদের বিরুদ্ধে আপনারা নিউজ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা ম্যাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. মাহাফুজা বেগম বলেন, আজ মাদ্রাসা খোলা আছে। বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখছি।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহম্মাদ আবুল খায়ের বলেন, আমি শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি।
উল্লেখ্য, উক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ রয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন