শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৬

কাশিয়ানিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকনকে সরে যেতে হুমকি

গোপালগঞ্জ: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর হুমকির মুখে নির্বাচনী প্রচারে নামতে পারছেন না গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার ৫ নং কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মশিউর রহমান খানের নেতাকর্মীরা খোকনের সমর্থক, কর্মীদের হত্যার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে খোকনের নেতাকর্মীদের।

শুধু ৫ নং কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদই নয় উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশনকেও লিখিত জানিয়েছেন একাধিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী। তবে এখনও নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। আগামী ২৩ এপ্রিল কাশিয়ানি উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট হবে।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেন, ‘কাশিয়ানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমি জেলা পুলিশ সুপারকে জানিয়েছি। ওসির সঙ্গেও কথা বলেছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার মশিউর রহমান খানের নেতাকর্মীরা মোহাম্মদ আলী খোকনের ওপর হামলা করে। কাশিয়ানির খায়ের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলাকারীরা বহিরাগত। খোকনের সমর্থকরা তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ছোড়ে।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একাংশ বলছেন, ৫ নং কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমান খান এলাকার জনগণের সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা কম। তাকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হলেও নির্বাচনী মাঠে তিনি খুব বেশি সুবিধা করতে পারবেন না। অপর দিকে দলের মনোনয়ন না পেলেও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী খোকন ইউনিয়নবাসীর অনুরোধে আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি গত ১৪ বছর ধরে ওই ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবারও নিরপেক্ষ ভোট হলে জয় পাল্লা তার দিকেই ঝুঁকবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, খোকনের জয় নিশ্চিত জেনে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মশিউর রহমান খান। তার আত্মীয়-স্বজন, বহিরাগত সন্ত্রাসী এবং পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে খোকনের নির্বাচনী কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। খোকনের সমর্থকদের ভোট কেন্দ্রে গেলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয়ার অভিযোগ আছে। ভোটের দিন কেন্দ্র দখল করে নেয়ার কথাও প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মশিউর রহমানের অনুগামী, অনুসারীরা। রাতে খোকনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হঠাৎ তল্লাশির নামে হয়রানির অভিযোগও আছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খল বাহিনীর বিরুদ্ধে।

যদিও কাশিয়ানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ এবং গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার তাকে ফোন করে যে সতর্ক করেছেন, তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিরপেক্ষভাবে কাজ করছি। এ ব্যাপারে সন্দেহ থাকলে ঘটনাস্থল দেখে যান। আপনারা তদন্ত করেন।’

জানতে চাইলে গোপালগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার এসএম ইমরান হোসেন কে বলেন, ‘কাশিয়ানির ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে। দোষ প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেবো।’

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমান খানের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে একটি খুদে বার্তা পাঠালেও জবাব মেলেনি।

জানতে চাইলে কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমার জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারণ আমার ইউনিয়নবাসীর অনুরোধেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। তাদের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচিত হবো। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমার ও আমার নেতাকর্মীদের ওপর যে হামলা ও নির্যাতন চালাচ্ছে তা বন্ধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের সুদৃষ্টির অপেক্ষায় আছি।’


সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৬

ভাঙ্গায় অপহরনের ৬ মাসেও খোঁজ মেলেনি কলমের

অশোক সাহা (শ্যাম)ঃ-অপহরনের ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো খোঁজ মেলেনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা গ্রামের ভুসিমাল ব্যবসায়ী কলম মাতুব্বরের (২৩)। ছেলেকে হারিয়ে একেবারেই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাবা জালাল মাতুব্বর ও মা জাহানারা বেগম। এখনও তারা ছেলের ফিরে আসার পথপানে বসে আছেন। অপহরনের এ ঘটনায় একটি মামলা হলেও পুলিশ রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়েছে।
জানা গেছে, বিগত ২০১৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী কলম মাতুব্বর বাড়ী থেকে বের হয়ে কিছুদুর যাবার পর অপহরনের শিকার হয়। কয়েকজন দুবৃর্ত্ত তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে কলমের আর কোন খোঁজ পায়নি তার পরিবারের স্বজনেরা। এ ঘটনার পর ৪জনকে আসামী করে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ বেশকিছু দিন পর অভিযুক্তদের আটক করলেও ‘রহস্যজনক’ কারনে তারা সকলেই ছাড়া পেয়ে যায়। আসামীরা এখন কলমের পরিবারের সদস্যদের মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কলমের বাবা জালাল মাতুব্বর জানান, দীর্ঘদিন ধরে ছেলের খোঁজ না পেয়ে তারা মানবেতর ভাবে দিন কাটাচ্ছেন। আসামীরা একের পর এক হুমকি দিচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে কঠিন পরিনতি ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছে। ছেলেকে উদ্ধারের বিষয়ে একাধিক বার থানায় গেলেও পুলিশ কোন সহযোগীতা করছেন না। ছেলেকে হারিয়ে কলমের মা জাহানারা বেগম এখন পাগল প্রায়। ছেলের ফিরে আসার পথপানে তিনি এখনো বসে আছেন। কাউকে দেখলেই হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন। তোমরা আমার ছেলেডারে আইন্যা দ্যাও। লাশ না দ্যাও, হাড়গোড় দ্যাও। আমি হেইগুলাই নিয়াই কবর দিমু।
অপহরন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার এসআই শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আসামীদের বিভিন্ন সময় আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তারা জামিনে আছে। অপহরনের সাথে প্রকৃত পক্ষে যারা জড়িত তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।


ভাঙ্গা থানা অনলাইন প্রেসক্লাব এর দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন

ভাঙ্গা প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন অনলাইন প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে শনিবার সন্ধ্যায় অনলাইন প্রেসক্লাব ভাঙ্গা থানা কমিটি (২০১৬-১৭) গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন (বিওজেএ) ভাঙ্গা থানা শাখা কমিটির সভাপতি মনিরুল হক মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কমিটি ঘোষনা করা হয়। ভাংগা থানা শাখার নতুন কমিটি ঘোষনা করেন বেলাল  চৌধুরী, সভাপতি, অনলাইন প্রেস ক্লাব, ফরিদপুর জেলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবিদুর রহমান নিপু, সাধারণ সম্পাদক, অনলাইন প্রেসক্লাব, ফরিদপুর জেলা শাখা ও সম্পাদক অপেন আই টোয়েন্টি ফোর ডট কম, রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক, অনলাইন প্রেসক্লাব, ফরিদপুর জেলা শাখা, নিউজ এজেন্সি, ফরিদপুর বু্যূরো প্রধান, মো: আনিচুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, অনলাইন প্রেসক্লাব, ফরিদপুর জেলা শাখা ।
সকলের সর্বসম্মতিতে এ কমিটি ঘোষনা করা হয়। অনলাইন প্রেস ক্লাব ভাঙ্গা থানা শাখার ১৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে রয়েছেন মো: নাসিরউদ্দিন খান লিওন, সভাপতি, আওলাদ হোসেন মুন্সি, সহ-সভাপতি, মো: তাইবুর রশীদ, সহ-সভাপতি, জহির শেখ, সহ-সভাপতি, মো: সালমান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক, মো: খালেদুর রহমান, সহ-সাধারন সম্পাদক, বিপ্লব কুমার দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক, রুহি মালাকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, এ্যাড: আব্দুল হান্নান মিলন, আইন বিষয়ক সম্পাদক, অশোক সাহা শ্যাম, দপ্তর সম্পাদক, মো: ফকরুল ইসলাম, আইটি সম্পাদক, সাঈদ মোল্লা, সহ-আইটি সম্পাদক, বিটু মুন্সি, ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, পারুলী আক্তার, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক, মো: গোলাম কিবরিয়া বিশ্বাস, সদস্য-১, রফিকুল ইসলাম, সদস্য-২, মো: শাহিন মাতুব্বর, সদস্য-৩, সৈয়দ মাহফুজুল হক নবাবজাদা, সদস্য-৪, দিলীপ দাস, সদস্য-৫।
উল্লেখ্য এ আলোচনা সভায় অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন (বিওজেএ) ভাঙ্গা থানা শাখা কমিটি ও এডহক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা এবং নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।




জমে উঠেছে শৌলপাড়া ইউনিয়ন নির্বাচন জনপ্রিয়তায় এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ভাষানী

মোঃ ইমরান খান,শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ-তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে শরীয়তপুর সদর উপজেলা শৌলপাড়া ইউনিয়ন। বিএনপির একক প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগে বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) রয়েছে একাধিক প্রার্থী। নৌকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর চেয়েও এগিয়ে রয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ভাষানী। তিনি দিন রাত চষে বেড়াচ্ছেন ইউনিয়নের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত। ইউনিয়নের ভোটারদের আশা যৌগ্য, সৎ এবং ভালো লোকদেরকে ভোট দিয়ে শৌলপাড়া ইউনিয়নের অভিভাবক হিসেবে বেছে নিবেন তারা। শৌলপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মোঃ ভাষানী খান আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের মাহবুবুর রহমান রাজ্জাক  নৌকা, মোঃ ফজলুল হক (ঘোড়া), ইয়াসিন হাওলাদার (মটরসাইকেল) ও বিএনপির মোহাম্মদ আলী মাদবর (ধানের শীষ) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন আনারস মার্কার প্রার্থী মোঃ ভাসানী। চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ভাষানী বলেন, শরীয়তপুর জেলার মধ্যে শৌলপাড়া একটি অনুন্নত ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের মূল সমস্যা বিদ্যু। এই বিদ্যুৎ না থাকায় শৌলপাড়া ইউনিয়ন অবহেলিত রয়ে গেছে। বিদ্যুতের কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় বিঘœ ঘটছে। সড়কগুলোর বেহাল দশার কারণে যানবাহন যাতায়াতের ঠিক মতো চলাচল করতে পারছেনা। ইউনিয়নে বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। আমাকে যদি ইউনিয়নবাসী আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন এবং এই ইউনিয়নের কাজ করার সুযোগ করে দেন তাহলে আমি এ সব সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবো।

শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৬

সাবেক এমপি তোফাজ্জল হোসেন মুকুল মিয়ার মাগফেরাত কামনায় আলফাডাঙ্গায় দোয়া

ফাইল ছবি
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল মিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
আজ শুক্রবার (৮-৪-১৬) উপজেলা ছাত্রলীগের সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ও উপজেলা যুবলীগের মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনীন এর উদ্দ্যেগে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে জুম্মা বাদ এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মুকুল মিয়া টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা-মধুখালী-বোয়ালমারী) আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমানের শ্বশুর।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৬

জাতীয়করণ হলো আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ জাতীয়করণ করা হয়েছে। গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংক্রান্ত একটি ফাইলে সই করেছেন। যার স্মারক নং- (৩৭০০৯.০১৮.০৮.২০০.০০১.২০১৩/৬২২)। 

আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ সূত্র সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছে। 
আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদরে অবস্থিত কলেজটি জাতীয়করণের মধ্য দিয়ে আলফাডাঙ্গাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়িত হলো। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন থেকে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা পাবেন। 
তথ্যমতে, আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজটি ১৯৯১ সালে ১ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষাদানের অনুমোদন পায়। ১৯৯৬ সালের  ১ মার্চ এমওপি ভুক্ত হয়। পরে ২০১২ সালের ১ জুলাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষাদানের অনুমতি পায়। 

কলেজটিতে বর্তমানে ৭৩ জন শিক্ষকসহ মোট ৮৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১৭০০। 

আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. মনিরুল হক সিকদার সাংবাদিকদের জানান, ‘সরকার কলেজটি জাতীয়করণ করায় আমরা অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান এর ইচ্ছায় আমাদের কলেজ জাতীয়করণ হয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমানকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই।’

ডামুড্যায় এলজিএসপি প্রকল্পে অনিয়ম কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ অভিযোগ

গোবিন্দ দাস ,শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার দারুল আমান ইউনিয়নে এলজিএসপি-২ প্রকল্পে অনিয়ম কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করায় প্রকল্পের চেক আটক ও ফাইল বন্ধ করে দিয়েছে প্রকল্প কর্মকর্তা।

স্থানীয় ও এলজিএসপি-২ প্রকল্প অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দারুল আমান ইউনিয়নের উত্তর ডামুড্যা কছর আলী বেপারীর বাড়ি সংলগ্ন কালভার্টের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিন্টু শিকদার কালভার্টের কাজ না করে ব্যাংক থেকে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে। তদন্ত শেষে কাজ না করে টাকা উত্তোলনের তথ্য বেড়িয়ে আসলে এলজিএসপি-২ প্রকল্পের ডিএফ মোঃ রোকনুজ্জামান ওই প্রকল্পের চেক জব্ধ করে এবং উত্তোলনকৃত টাকা ডামুড্যা সোনালী ব্যাংক শাখা একাউন্টে জমা দিতে বলেন। চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিন্টু শিকদার টাকা ব্যাংকে জমা দিলেও এখনও প্রকল্পের ওই কালভার্টটির কাজ করেননি। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের এলজিএসপি-২ প্রকল্পের কাজ অন্য উপজেলায় শেষ হলেও ডামুড্যায়  এখনো শুরু হয়নি।

এ বিষয়ে দারুল আমান ইউপি চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিন্টু শিকদার বলেন, উত্তর ডামুড্যায় কালভার্ট না করে অন্য জায়গায় করা হয়েছে।  এ কারণে ডিএফ প্রকল্পের চেক জব্ধ করে নিয়ে গেছে এবং উত্তোলনকৃত টাকা ব্যাংকে জমা দিতে বলেছে। আমি ৫০ হাজার টাকা প্রকল্পের একাউন্টে ব্যাংকে জমা করে দিয়েছি।

এলজিএসপি-২ প্রকল্পের ডিএফ মো ঃ রোকনুজ্জামান বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে দারুল আমান ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ না করায় প্রকল্পের চেক জব্ধ করা হয়েছে। কাজ সম্পন্ন করা হলে চেক ফেরত দেয়া হবে।



বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শংকা

৩১মার্চ বৃহস্পতিবার নির্বাচন-২০১৬
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ এনে বিএনপির নির্বাচন বর্জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহনের শংকার মধ্য দিয়ে আজ ৩১ মার্চ বৃহস্পতিবার আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা, টগরবন্ধ ও পাচুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সরকার দলীয় লোকজনের বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্র দখলের আশংকা প্রকাশ করেছেন টগরবন্দ ইউনিয়নের আ’লীগ বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ শাহিদুজ্জামান। তিনি গতকাল বুধবার জানান, সরকার দলীয় সমর্থকরা এই ইউনিয়নে পরাজয়ের আশংকায় ভোট কেন্দ্র দখল করে নৌকা প্রতীকে সীল মারার ষড়যন্ত্র করছে। সাধারন ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহিদুজ্জামান ও ইমাম হাসান শিপনের মধ্যে মুল লড়াই হবে। অপরদিকে বানা ইউনিয়নে আ’লীগ প্রার্থী হাদি হুমায়ন কবির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ হারুন-অর-রশিদের সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। পাচুড়িয়া ইউনিয়নে আ’লীগ প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান ও আ’লীগ বিদ্রোহী খালিদ মোশাররফ রঞ্জু, স্বতন্ত্র সাইফুর রহমান ও এমডি আল মামুন মধ্যে চতুর্থমুখী লড়াই হবে। নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করতে তিন ইউনিয়নে দশজন ম্যাজিস্ট্রেট ও মনিটরিং করার জন্য তিন জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। র‌্যাবের টহল দেওয়ার পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্সের দায়িত্ব পালন করবেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল করিম বলেন, মোট ২৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে বলে ।

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় বিএনপি প্রার্থীদের নির্বাচন বর্জন

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে প্রার্থীদের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন না হওয়ার আশঙ্কায় এ ঘোষণা দেন তারা।

নির্বাচন বর্জন করা প্রার্থীরা হলেন- টগরবন্দ ইউনিয়নে মো. সাজ্জাদ হোসেন সুজন, পাচুরিয়া ইউনিয়নে মো. শাহীদুর রহমান ও বানা ইউনিয়নে মো. মার্জন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির প্রার্থীরা বলেন, দ্বিতীয় দফায় আগামী ৩১ মার্চ আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের পোস্টার ছিড়ে ফেলা, বিএনপির কর্মীদের মামলা দিয়ে জেল-জরিমানা করানো হবে বলে আ’লীগের নেতা কর্মীরা হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। প্রার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ না হওয়ার আশঙ্কায় তারা নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুস ছালাম, সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আকরামুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর জামাল খশরু, যুগ্ম সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, জিয়া পরিষদের সভাপতি আব্দুল মান্নান, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. মনিরুজ্জান মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম দাউদ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক হোসেন কাজলসহ উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৬

নৌকার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগই,জমে উঠেছে আলফাডাঙ্গায় ইউপি নির্বাচন ,প্রচার প্রচারনায় ভোটারদের দ্বারে প্রার্থীরা

মো. সাইফুর রহমান সাইফার
আল মামুন মিয়া বাদশা
খালিদ মোশারেফ রঞ্জু
এস এম মিজানুর রহমান

মো. হারুন অর রশীদ শরীফ
হাদী হুমায়ুন কবির বাবু

ইমাম হাসান শিপন

শেখ সাহিদুজ্জামান

 মুন্সি মিজানুর রহমান
আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর) ঃ জমে উঠেছে ইউপি নির্বাচন, প্রচার প্রচারনায় দিন রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে প্রার্থীরা। বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট পাওয়ার আশায় হাট বাজারের এমনকি বাড়িতে বাড়িতে গন সংযোগ করছেন প্রার্থীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চায়ের দোকানে ও গ্রামে মহল্লায় মোড়ে মোড়ে চলছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা। বিভিন্ন প্রার্থীর সর্মথকরা চায়ের দোকানে তাদের প্রার্থী পক্ষে ঝড় তুলছেন। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের ঘাটি। এ উপজেলা থেকে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রায় ৯০% ভোট পেয়ে থাকে। এ নির্বাচনে নৌকার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগই। আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষ বিদ্রোহী আওয়ামীলীগ এবং সতন্ত্র প্রার্থীও আওয়ামীলীগের নেতা। এ উপজেলায় তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ মার্চ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ করার কথা থাকলেও আলফাডাঙ্গা-কে নতুন পৌরসভা ঘোষণা করায় তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিন ছিল বুধবার ২ মার্চ বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত, তিনটি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ২৭ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৯৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। গত ৫ ও ৬ তারিখে নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় বাছাই পর্বে বানা ও পাচুড়িয়া ইউনিয়নে ইসলামি আন্দলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আকবর হোসেন ও মো. আব্দুল হালিম সহ ১ জন মহিলা সদস্য ও ১ জন সাধারন সদস্য মনোনয়ন পত্র বাতিল পরেন। তিন ইউনিয়নে ২৭ টি ওয়ার্ডে ২৭ টি কেন্দ্রে ১১০ টি ভোটকক্ষে(বুথ) ভোট গ্রহন করা হবে।
৪নং টগরবন্দ ইউনিয়ানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন আ’লীগের মুন্সি মিজানুর রহমান(নৌকা), বিএনপির মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (সুজন)(ধানের শীর্ষ), জাতীয় পার্টি’ মো. রুহুল আমিন ভুঁইয়া(লাঙ্গল), আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সাহিদুজ্জামান(আনারস), সতন্ত্র প্রার্থী ইমাম হাসান শিপন(চশমা)। সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ১২ জন ও সাধারণ সদস্য ৩৮ জন।
৫নং বানা ইউনিয়ানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন আ’লীগের প্রার্থী হাদী হুমায়ুন কবির বাবু(নৌকা), বিএনপির প্রার্থী মার্জন(ধানেরশীর্ষ),সতন্ত্র প্রার্থী মো. হারুন অর রশীদ শরীফ(চশমা),গত শুক্রবার ১৮ মার্চ শিরগ্রাম স্কুলে জনসভায় সতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল কাদের তার প্রর্থীতা প্রত্যাহার তরে নিয়ে নৌকার পক্ষে সর্মথন দিয়েছে। মহিলা সংরক্ষিত সদস্য ৮ জন ও সাধারণ সদস্য ২৮ জন ।
৬নং পাচুড়িয়া ইউনিয়ানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন, আ’লীগের প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান(নৌকা), বিএনপির প্রার্থী শাহিদুর রহমান (পান্নু)(ধানের শীর্ষ), আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খালিদ মোশারেফ (রঞ্জু)(মটর সাইকেল) ও মো. মোমিনুর রহমান(টেলিফোন), স্বতন্ত্র প্রার্থী আল মামুন মিয়া(আনারস) ও মো. সাইফুর রহমান সাইফার(চশমা)। মহিলা সংরক্ষিত সদস্যা ৭ জন ও সাধারণ সদস্য ৩২ জন। এ ব্যাপারে রিটানিং অফিসার বিকাশ কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ইতি মধ্যে ঝুকিপূর্ন কেন্দ্র গুলি বাছাই করা হচ্ছে। নির্বাচন যাতে সুন্দর সুষ্ঠ হয় সে জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১৬

ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সুবল সাহা                     সৈয়দ মাসুদ
ফরিদপুর প্রতিনিধি -: অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সৈয়দ মাসুদ হোসেন। মঙ্গলবার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মধ্যদিয়ে ১১ বছর পর নতুন নেতৃত্ব পেল ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ। শহরের ঐতিহাসিক অম্বিকাপুর ময়দানে অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে কমিটির নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। নাম ঘোষণার সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমাদের দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুটি নাম আপনাদের সামনে ঘোষণার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি নাম দুটি ঘোষণা করছি। আশা করছি আপনারা নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করবেন। কারণ আমাদের দলের প্রধান সবসময়ই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। অনেক দিন ধরে সম্মেলন না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করে আশরাফুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে তো ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হল না। আপনাদের সম্মেলন হচ্ছে ১১ বছর পর। আপনারা চিন্তা করেন কেন হল না। তিনি বলেন,এভাবে যদি ১১ বছর ধরে সম্মেলন না হয় তাহলে কিন্তু সংগঠন শক্তিশালী হয় না। এই জেলার একটা বৈশিষ্ট্য আছে। এই জেলা বঙ্গবন্ধুর জেলা। আপনাদের কাছে অনুরোধ, যেন প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলায় সময়মতো সম্মেলন হয়। সম্মেলন না হলে নেতৃত্ব সৃষ্টি হয় না। আমি আশা করি আগামীতে তিন বছর পরই আবার সম্মেলন হবে। এর আগে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংসদ উপনেতা ও দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক এমপি, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রহমান এমপি, এস এম কামাল হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার প্রমুখ। নতুন সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সৈয়দ মাসুদ হোসেন ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। সুবল চন্দ্র সাহা একাধিকবার ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন। দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকার কথা সবার মুখে মুখে। সর্বশেষ মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন ছিল তার প্রতি। ফরিদপুর পৌরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন । তিনি ছিলেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতিও। এছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কাজ করছেন প্রবীণ এই আইনজীবী।
অন্যদিকে ফরিদপুরের জেলা আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতাদের মধ্যে সৈয়দ মাসুদ হোসেন অন্যতম। তিনি জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে তাকে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সম্মেলনে ৩১৪ জন কাউন্সিলর ও ৩১৪ জন ডেলিগেট অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথি এবং গণমাধ্যম কর্মীরাও ছিলেন।

ভাঙ্গা পৌরসভায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী আবু রেজা জয়ী

আবু রেজা মো. ফয়েজ
অশোক সাহা,ভাঙ্গা প্রতিনিধি : ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আবু রেজা মো. ফয়েজ বেসরকারি ভাবে জয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৪০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ¦ী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মুন্সী জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ১২৪ ভোট। এর আগে শান্তি পূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি সহ মেয়র পদে ৫ জন, ৩৩ জন কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনে ১০ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি¦তা করেন। ৯ টি ওয়ার্ডে ১৫ টি ভোট কেন্দ্রে ৮১ টি কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হয়। পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৪ হাজার ৬৬২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৩৪০ জন ও নারী ১২ হাজার ৩২২জন।

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১৬

উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারনার অভিযোগ

আলফাডাঙ্গায় নৌকায় আগুন
স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়নে কাপড় ও বাঁশ দিয়ে তৈরী নৌকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

গত সোমবার ২১মার্চ গভীর রাতে যোগিবরাট মাদ্রাসার সামনে তিন রাস্তার ওপর টানানো নৌকায় প্রতিপক্ষের লোকজন আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই ইউনিয়নের আ‘লীগ প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান। 

এ ব্যাপারে মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান জালালউদ্দিনের ভাগ্নে আ‘লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী খালিদ মোশাররফ (রঞ্জু) ওই দিন রাতে নৌকায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে আমার ধারণা। এর আগে গত সোমবার তার কর্মী আ‘লীগ সমর্থক পাচুড়িয়া গ্রামের মান্নানকে (৩০) রঞ্জু সমর্থক একই গ্রামের খসরু ও হুমায়ুন বেধড়ক মারপিট করে। থানায় বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে (মঙ্গলবার) ফরিদপুর জেলা আ‘লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছি। সন্ধ্যায় ফিরে এসে লিখিত অভিযোগ দিব। 

মিজানুর রহমান আরও বলেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে এলাকায় এসে তার ভাগ্নে বিদ্রোহী প্রার্থী রঞ্জুর পক্ষে ভোটের প্রচারনা চালাচ্ছেন। 

এ সব অভিযোগের ব্যাপারে রঞ্জু বলেন, মিজানুর রহমান টাকা দিয়ে নৌকা প্রতীক কিনে দলের নেতা কর্মীর সমর্থন না পেয়ে তিনি নিজেই নৌকায় আগুন ধরিয়ে দিয়ে দলের নেতা কর্মীদের সহানুভতি আদায়ের ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ভোটের প্রচারণা চালানোর অভিযোগ সম্পূর্ন ভিত্তিহীন। নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে মিজানুর রহমান এসব আবোলতাবোল বকছেন। 

এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল করিম বলেন, (মঙ্গলবার) দুপুর পর্যন্ত তিনি কোন অভিযোগ হাতে পাননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, নৌকা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা মৌখিক ভাবে জানতে পেরেছি। লিখিত কোন অভিযোগ হাতে পাইনি।

সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১৬

বোয়ালমারীর শেখর ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ

বোয়ালমারী প্রতিনিধি ঃ আসন্ন ২৩ এপ্রিলের (তৃতীয় ধাপ) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৮নং শেখর ইউনিয়নে আ’লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ। গত রোববার সন্ধ্যায় শেখর কাজী সিরাজুল ইসলাম একাডেমীর সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়ন আ’লীগের এক বর্ধিত সভায় নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে আবুল কালামের নাম ঘোষণা করেন এবং প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মীরদাহ পিকুল। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এমএন জামালের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক কামরুল চৌধুরীর পরিচালনায় অন্যানের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি আছাদুজ্জামান মিন্টু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুর রহমান বাশার, উপজেলা আ’লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রশান্ত সাহা এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

নির্বাচনী জনসভায় কেন্দ্রীয় নেতা কাজী সিরাজুল ইসলাম----- আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, শেখ হাসিনা আমার অভিভাবক

আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর) ঃ আগামী ৩১ মার্চ আলফাডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে আ’লীগের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে সব রকমের সহযোগিতা করতে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি গত শনিবার সন্ধ্যায় শিরগ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শত শত নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে হাত উঁচিয়ে বানা ইউনিয়নের আ’লীগের (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী হাদী হুমায়ুন কবির বাবুর পক্ষে ভোট চান। নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। শেখ হাসিনা আমার অভিভাবক। আ’লীগের সঙ্গে আমার নাড়ির সম্পর্ক। আমি অতিতেও নৌকার মাঝি ছিলাম, এখনো আছি, আগামীতেও নৌকার মাঝি হয়ে বাকি জীবন কাটাতে চাই। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন। নৌকার প্রার্থীদের বিজয়ে যা কিছু করা দরকার তার জন্য আমি প্রস্তুত আছি। বানা আ’লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান প্রার্থী হাদী হুমায়ন কবিরের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আকরাম হোসেন মিয়া, সাধারন সম্পাদক নুরুল বাসার, যুগ্ম সম্পাদক আহাদুল হাসান আহাদ, আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ সম্পাদক আবদুল¬াহ আল মামুন, বোয়ালমারী উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আকরামুজ্জামান মৃধা রুকু, আ’লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। একই সময় ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) প্রতীকের মোঃ আব্দুল কাদের শেখ নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে নৌকা প্রতীকে সমর্থণ দেন। এ ইউনিয়নের অন্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন মোঃ মার্জান বিএনপি (ধানের শীষ), মোঃ নাজমুল ইসলাম স্বতন্ত্র, (টেলিফোন), মোঃ নজরুল ইসলাম শরীফ স্বতন্ত্র (মটর সাইকেল) এবং মোঃ হারুন অর-রশীদ শরীফ স্বতন্ত্র (চশমা) প্রতীক।


শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৬

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না----------কাজী সিরাজুল ইসলাম

আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর)ঃ- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না। স্বাধীনতার মাস মার্চ মাস। এ মাসে দেশের দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করে ছিলেন। যার নেতৃত্ব দিয়ে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। যারা এদেশের জন্য শহীদ হয়েছেন আমি তাদের আত্বার মাগফেরাত কামনা করি। এ দেশ বর্তমানে পরিচালনা করছেন তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করতে ২০২১ সালকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আপনারা সবাই আওয়ামীলীগের কাজ করে যাবেন। গত শুক্রবার ১৮ মার্চ সন্ধায় বেজিডাঙ্গা কাজী আমেনা ওয়াহেদ উচ্চ বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। উক্ত অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন আলফাডাঙ্গা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি একেএম আহাদুল হাসান আহাদ। বিশেষ অথিতি ছিলেন আলফাডাঙ্গা কৃষক লীগের আহবায়ক মো. সোলায়মান আহম্মেদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শেখ কোবাদ হোসেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আকরামুজ্জামান রুকু মৃধা, আলফাডাঙ্গা কৃষক লীগের যগ্ন আহবায়ক শেখ দেলোয়ার হোসেন ও শেখ নুরুজ্জামান নুর মিয়া, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান মাসুদ,কাজী নজরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ নেতা কাজী হানিফ, অহিদুজ্জামান মিয়া প্রমূখ। আলোচনা শেষে প্রতিযোগিদের মাঝে পুরস্কার ও সকল শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ বিতরন করেন এবং পরে এক সাংস্কৃতিক সন্ধা আয়োজন করা হয়।

বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র কমিটি গঠন

সাধারণ সম্পাদক কামরুল
সভাপতি কামরুল হক ভূঁইয়াকে
 সাংগঠনিক মুজাহিদ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়  দ্বি-বার্ষিক রিপোর্টার্স ইউনিটি’র কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৬-০৩-১৬) সকালে আলফাডাঙ্গায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়।

নব গঠিত কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে দৈনিক নাগরীক দাবীর আলফাডাঙ্গা  প্রতিনিধি আলহাজ্ব মো. কামরুল হক ভূঁইয়াকে সভাপতি, দৈনিক বাংলাদেশ সময়’র আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রতনিধি মো. কামরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা টাইমস ২৪. কম ও দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার আলফাডাঙ্গা  প্রতিনিধি মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম কে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

এছাড়া সহ সভাপতি মো. গোলাম আজম মনির (দৈনিক খবর পত্র), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশীদ (দৈনিক প্রভাত), দপ্তর সম্পাদক ডাঃ ইবাদত হোসেন মোরাদ (দৈনিক সময়ের বাংলা), অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মিয়া (দৈনিক আজকের সংবাদ), মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনীন (দৈনিক ফাতেহাবাদ), সদস্য শাহিনুর রহমান শাহীন (দৈনিক সকালের খবর), মো. তাজমিনুর রহমান তুহিন (আরএনএসবিডি ২৪.কম), মো. রবিউল ইসলাম (সাপ্তাহিক আমাদের আলফাডাঙ্গা), মো. ফারুক হোসেন (সাপ্তাহিক ইদানিং ফরিদপুর) এবং মো. তাইজুল ইসলাম টিটন (সময়২৪.কম)।

শনিবার, ১২ মার্চ, ২০১৬

একজন আদর্শ মানুষ“কাঞ্চন মুন্সী”

মো. সেকেন্দার আলম ঃ-ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার একজন আদর্শ মানুষের নাম “কাঞ্চন মুন্সী”। ফুল যেমন তার সৌন্দর্য, রং আর সূগন্ধে পরিপূর্ণতা পায় ঠিক তেমনি কামারগ্রাম পরিপূণর্তা পেয়েছে তার গুণে। তিনি সুদূর কলকাতা বসে কামারগ্রামবাসীর কথা ভাবতেন। কীভাবে এলাকার মানুষকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা যায়, এলাকার উন্নয়ন করা যায় তিনি এই চিন্তা করতেন। তিনি মানুষকে শুধু স্বপ্ন দেখাননি স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে যা যা করনীয় তা করেছেন। মানুষের পাশে থেকে তাদের দুঃখ কষ্টকে নিজের করে নিয়ে প্রমাণ করেছেন মানুষ মানুষের জন্য। তিনি উপজেলাধীন কামারগ্রামে জন্মেছিলেন বলেই পাশ্ববর্তী অনেক গ্রামের চেয়ে আগেই শিক্ষার আলো ও উন্নয়নের ছোঁয়া এখানে লেগেছিল। কাঞ্চন মুন্সী’র দরূন আজকের কামারগ্রাম গৌরবের সাথে মাথা উঁচু করে দাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, জনদরদী মহান এ পুরুষ ১৮৮০ সালের ৫ই মে আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামারগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২০ বছর বয়সে কাঞ্চন মুন্সী কাজের সন্ধানে পাড়ি জমান কলকাতায়। কলকাতার পোর্ট শিপিং কোম্পানিতে প্রথম তিনি খালাসীর চাকুরী নেন। পরবর্তীতে তিনি এই পোর্ট শিপিং কোম্পানির ম্যানেজার হন। এই কোম্পানির আরো একটি শাখা এন্ডরোল কোম্পানি। এই এন্ডরোল কোম্পানিরও ম্যানেজার ছিলেন তিনি। কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় তিনি বেতন পেতেন মাসিক ৫০০ টাকা। এন্ডরোল কোম্পানির ৯০০ ফ্লাট বোট ছিল ও ৪২ খানা তিনতলা জাহাজ ছিল। এই জাহাজ গুলির মালিক ছিলেন চার্লি কিংহাম এবং তার পুত্র কিংহাম এবং প্রধান ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন মিঃ হ্যাজমল। এই জাহাজ গুলি তখন বাংলা আসাম চলাচল করত। এসব জাহাজে কর্মরত ছিল ৩৫ হাজার শ্রমিক। এই ৩৫ হাজার শ্রমিকের বেতন নিতে হত কাঞ্চন মুন্সীর হাত থেকে। এ থেকে বোঝা যায় কতটা সৎ এবং নিষ্ঠাবান হলে এত বড় দায়িত্ব পাওয়া যায়। ইংরেজ সাহেবদের সাথে যোগাযোগ ঠিকমতো করার জন্য ইংরেজি ভাষা জানাটা খুব দরকার ছিল তাই কাঞ্চন মুন্সীর নিজের ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমে তা শিখে নেন। কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার ফলেই তিনি হতে পেরেছিলেন ধনসম্পদের মালিক। এই ধন সম্পদের মালিক হয়ে মুন্সী সাহেব হয়ত নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারতেন কিন্তু সেটা তিনি করেননি। সঞ্চিত অর্থ ব্যয় করেছেন গ্রামের মেহনতি খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে।     কামারগ্রামের মানুষের সেবায় আমৃত্যু নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন কাঞ্চন মুন্সী। অত্র এলাকাকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমী, যা এখনও আলফাডাঙ্গা উপজেলার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। এ স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন এমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই সরকারের সর্বোচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হয়েছেন। যা এই প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বেরও বটে। পাশাপাশি কামারগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ, জলদীঘি, কবরস্থান স্থাপনসহ তৎকালীন সময়ে তার জাহাজ কোম্পানিতে নিজ এলাকার প্রায় ১ হাজার মানুষকে কে চাকুরী দিয়ে বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করেছেন। আজ থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে তিনি যদি এই অবদান না রাখতেন তাহলে কামারগ্রাম হয়তবা বাংলাদেশের আর দশটা অবহেলিত গ্রামের মতই থেকে যেত। কামারগ্রামে ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে দাড়িয়ে আছে মুন্সী বাড়ি। এই বাড়ির প্রতিটি ইট-পাথর আর চুন সুড়কীর গাঁয়ে জড়িয়ে আছে কাঞ্চন মুন্সীর স্মৃতি। বাংলা ১৩৩৭ সালে এক একর জমির উপর প্রতিষ্ঠা করেন এই কারুকর্যমন্ডিত দ্বিতল ভবন। এই বাড়িটির মিস্ত্রী ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ। মুন্সী বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে মুন্সী বাড়ি মসজিদ ও পুকুর ঘাট। আর মুল ভবনের সাথে রয়েছে কাচারি ঘর। এই কাচারি ঘরে বসেই মুন্সী সাহেব এলাকার মানুষের সাথে বৈঠক করতেন। শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। কাঞ্চন মুন্সী কলকাতাতেই বেশি থাকতেন। তাই তাঁর জমিদারী তাঁর নায়েব গোমস্তারাই বেশি দেখাশোনা করতেন। বছরের বিভিন্ন সময়ে কলকাতা থেকে মধুমতি নদীর গোপালপুর ঘাটে এসে নামতেন তারপর পালকী অথবা ঘোড়া যোগে বাড়ি আসতেন। কাঞ্চন মুন্সী বাড়ি আসলে মুন্সী বাড়িতে জনসাধারণের ভিড় জমে যেত। কার কী প্রয়োজন সব তিনি শুনতেন আর চেষ্টা করতেন যতটা সম্ভব সাহায্য করার। কাঞ্চন মুন্সী নড়াইলের প্রভাবশালী জমিদার বনবিহারী বাবু এবং গিরিজাবালা সুন্দরীর নিকট থেকে জমিদারী পত্তনী পান।
 কাজের সুবাদেই কাঞ্চন মুন্সীকে কোলকাতা থাকতে হতো। কলকাতার মিশন রোডে মুন হাউস নামে পরিচিত ৭ তলা ভবন রয়েছে এছাড়াও কলকাতাতে আরও অনেক বাড়ি ছিল তাঁর। কলকাতার দম দম রোডের বাড়িতে তিনি স্থায়ী ভাবে বসবাস করতেন। এই বাড়িতে তৎকালীন সময়ের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ আসতেন তাঁর সাথে দেখা করতে।
বাংলাদেশের খুলনা ও ঢাকাতে কাঞ্চন মুন্সীর বাড়ি রয়েছে। ঢাকার শ্রেষ্ঠ বাড়ি “রুপলাল হাউস” তিনি কিনেছিলেন। পরবর্তীতে বাড়িটি তাঁর মেয়েকে দান করে দেন। কাঞ্চন মুন্সী ১৯৪৮ সালে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তার শেষ ইচ্ছা ছিল কামারগ্রামে থানা প্রতিষ্ঠা করবেন। এই লক্ষ্য বাস্তবাায়নে তিনি ঢাকা যান কিন্তু লক্ষ্য বাস্তবায়নের আগেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঢাকার রুপলাল হাউসে অবস্থানরত অবস্থায় ১৯৪৯ সালের ৪ জানুয়ারি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর পর তাঁকে বিমান যোগে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতায় শত শত মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কলকাতার গোবরডাঙ্গা গোরস্থানে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। কাঞ্চন মুন্সীর মতো সৎ ধর্মপ্রাণ মানুষ হয়ত আর ফিরে আসবেন না কামারগ্রামের মাটিতে। কিন্তু তাঁর সৃষ্ট অবদানের দরূন মানুষের মধ্যে চিরঅমর হয়ে থাকবেন আজীবন। বর্তমানে কাঞ্চন মুন্সীর নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশন” এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতি বছর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

মাদক ব্যবসায়ী রবি’র ৬ মাসের জেল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ-আলফাডাঙ্গার মাদক ব্যবসায়ী রবি ও তার সহযোগী হারুন মোল্ল্যাকে ৬ মাসের জেল দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের। জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রবি’র নিজ বাড়ি নওয়াপাড়া থেকে গাজা সহ হারুন ও রবিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে রবি ও তার সহযোগী হারুন প্রত্যেককে ৬ মাসের জেল দিয়ে ফরিদপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০১৬

আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বাছাই সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মেধাবীদের সন্ধানে আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা-২০১৬ এর বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপি আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে উক্ত বিদ্যালয়ের এস এস সি ব্যাচ-১৯৯৪’র শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত “স্মৃতিবন্ধু-৯৪” আয়োজিত বাছাইপর্বে  তিনটি বিভাগে মোট ২১ জন প্রতিযোগী ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়েছেন। প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহণ করেন।

বাছাইপর্বে “ক” বিভাগে প্রাইমারী পর্যায় ৭জন,  “খ” বিভাগে মাধ্যমিক পর্যায় ৭জন, “গ” বিভাগে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় ৭জন মোট ২১জন ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়েছেন ।
প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আলফাফাডাঙ্গা আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক আলফাডাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম এইচ এ কে এম রওনক আরা বেগম ও আলফাডাঙ্গা আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা ফরিদা বানু।

অনুষ্ঠানে “স্মৃতিবন্ধু-৯৪”র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বেতার এর সাবেক উপস্থাপক ও আবৃত্তিকার আমেরিকান প্রবাসী মাহ্ফুজুল আলম মাহ্ফুজ, আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুল ইসলাম, সুজন দাশ(ছায়ানট ও কন্ঠশীলন), জনপ্রীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা টাইমস ২৪. কম ও দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, আলফাডাঙ্গার জনপ্রীয় ফেসবুক পেজ “আলফাডাঙ্গা পেজ”র এ্যাডমীন শুভংকর পাল সহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘ইয়েস কার্ড’ প্রাপ্ত প্রতিযোগিদের নিয়ে আগামী ১৯ মার্চ আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে “আলফাডাঙ্গা আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার মূল পর্ব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জনপ্রীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “ঢাকা টাইমস ২৪. কম”, “আলফাডাঙ্গা পেজ” ও মধুমতি মাল্টিমিডিয়া এই প্রতিযোগিতার মিডিয়া পার্টনার।

বুধবার, ২ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন প্রার্থীরা

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ মার্চ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ করার কথা থাকলেও আলফাডাঙ্গাকে নতুন পৌরসভা ঘোষণা করায় তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
   
আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিন বুধবার বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত তিনটি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাধারণ সদস্য পদে ৯৮ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ২৭ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
   
৪নং টগরবন্দ ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন, আ’লীগের মুন্সি মিজানুর রহমান, বিএনপির মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (সুজন), জাতীয় পার্টি’র মো. রুহুল আমিন ভুঁইয়া। আ’লীগের বিদ্রহী প্রার্থী শেখ সাহিদুজ্জামান, সতন্ত্র প্রার্থী ইমাম হাসান শিপন। সাধারণ সদস্য ৩৮ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ১২ জন।
    
৫নং বানা ইউপিতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন, আ’লীগের প্রার্থী হাদী হুমায়ুন কবির, বিএনপির প্রার্থী মার্জন, ইসলামি আন্দলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আকবর হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল ইসলাম, কাজী হারুন অর রশীদ, নজরুল ইসলাম শরীফ, মো. আব্দুল কাদের। সাধারণ সদস্য ২৮ জন ও মহিলা সংরক্ষিত সদস্যা ৮ জন।
    
৬নং পাচুড়িয়া ইউপি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন, আ’লীগের প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান, বিএনপির প্রার্থী শাহিদুর রহমান (পান্নু), ইসলামি আন্দলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আব্দুল হালিম। আ’লীগের বিদ্রহী প্রার্থী খালিদ মোশাররফ (রঞ্জু), মমিনুর রহমান। স্বতন্ত্র প্রার্থী আল মামুন মিয়া, সাইদুর রহমান। সাধারণ সদস্য ৩২ জন, মহিলা সংরক্ষিত সদস্যা ৭ জন।
   
উল্লেখ্য, গত সোমবার আলফাডাঙ্গা পৌরসভা গঠনের প্রস্তাব প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) সভায় অনুমদিত হওয়ায় ১নং বুড়াইচ ইউনিয়ন, ২ নং গোপালপুর ইউনিয়ন ও ৩নং আলফাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গা পৌরসভা অনুমোদন হলো

ঢাকা অফিসঃ- ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরকে পৌরসভায় উন্নীত করা হয়েছে।
গত সোমবার ২৯ ফ্রেরুয়ারী  প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এ অনুমোদন দিয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সচিব বলেন, ২০১৪ সাল থেকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদর পৌরসভায় উন্নীত হলেও নিকার বৈঠকে সোমবার তা চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া  নিকার বৈঠকে নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন মাধবদী তদন্ত কেন্দ্র এবং পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মহিপুর তদন্ত কেন্দ্রকে থানায় উন্নীত করা হয়েছে।

সোমবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

সাংবাদিকদের লেখনীর কারণেই দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড বিশ্ববাসী জানতে পারে ......বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ



ঢাকা অফিসঃ-
-বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ মমতাজউদ্দিন বলেছেন, সাংবাদিকদের লেখনীর কারণেই দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড বিশ্ববাসী জানতে পারে। সাংবাদিকদের আরো দায়িত্বশীল হয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। সাংবাদিকদের বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের আচরণবিধি মেনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি আহ্বান জানান। আজ সোমবার সকাল ১০টায় প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের যৌথ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ম সচিব ও প্রেস কাউন্সিলের সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরজেএফ’র চেয়ারম্যান এস.এম জহিরুল ইসলাম।
সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল, মোঃ লোকমান খান, আলী নিয়ামত, হাজী মোঃ সোহরাব হোসেন, আরজেএফ’র যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আল আমিন শাওন এলএলবি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেকেন্দার আলম শেখ, দপ্তর সম্পাদক নার্গিস জুঁই, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান সজল, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক বিপ্লব কুমার দাস, স্থায়ী পরিষদ সদস্য কাজী আমিনুল ইসলাম, মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, জাহিদ মিয়া সহ আরজেএফ’র ২৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল এই মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

ছাত্রীর আত্মহত্যার হুমকীর মুখে বিয়ে ভেঙ্গে গেল সেই কলেজ শিক্ষকের

স্টাফ রিপোর্টার:  অবশেষে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যার হুমকীর মুখে বিয়ে ভেঙ্গে গেল এক কলেজ শিক্ষকের। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার খোকসাহাট গ্রামে। বিরেন্দ্র কুশারী বিপ্লব (৩০) আলফাডাঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জীব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক। বোয়ালমারী উপজেলার কদিরদী কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী (২১) কে প্রাইভেট পড়ানোর সূত্র ধরেই তাদের দুজনের মধ্যে দীর্গদিন যাবত মন দেওয়া নেওয়া এবং এক পর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ছাত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রভাষক বিপ্লব। পরবর্তিতে ছাত্রীর পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে শিক্ষক প্রেমের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বিকার করে এবং প্রেমিকা ছাত্রীটাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। এরই মধ্যে শিক্ষকের পরিবার ঐ শিক্ষকের অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে যার আশির্বাদ গতকাল অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। কিন্তু শিক্ষকের সাথে তার ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক এবং শিক্ষকের প্রেমিকা ঐ ছাত্রীর আত্মহত্যার হুমকীর বিষয়টি পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বিষয়টি জানার পর যেখানে ঐ শিক্ষক এর বিয়ে ঠিক হয়েছিল তা ভেঙ্গে যায় । ফলে গতকাল শিক্ষকের বিয়ের আশির্বাদ ভন্ডুল হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই বিয়ের ঘটক জানান, মেয়ের বাবা তার মেয়েকে ঝামেলায় ফেলতে চান না বলেই তারা এই বিয়েটি ভেঙ্গে দিয়েছেন। একদিকে এক ছাত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক এবং অন্য কোথাও বিয়ে করলে শিক্ষকের প্রেমিকার আত্মহত্যার হুমকী প্রদানের ঘটনায় ভয় পেয়ে মেয়ের আত্মীয় স্বজনেরা কোনভাবেই শিক্ষক বিপ্লবের সাথে বিয়ে দিতে শেষ পর্যন্ত রাজি হলেন না। বিশেষ করে কিছুতেই মেয়ের বাবাকে এই বিয়ে সম্পন্ন করার পক্ষে রাজি করানো যায়নি বলে ঐ সূত্রটি জানিয়েছে।

এদিকে শিক্ষক বিপ্লব প্রেম এর প্রসঙ্গ অস্বিকার করায় তিনি যে কলেজে চাকরি করেন সেই আলফাডাঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল হক শিকদার এবং পরবর্তিতে আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আবুল খায়েরের নিকট অভিযোগ করেন ছাত্রী ও তার পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আলফাডাঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জীব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক বিরেন্দ্র কুশারী বিপ্লব (৩০) এবং তার পরিবারের সদস্যদেরকে ইউ এন ও অফিসে হাজির হতে বললেও শিক্ষক বা তার পরিবারের কোন সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারে নির্দেশ মানেন নি। পরে কাদিরদী কলেজের ছাত্রী যার সাথে শিক্ষক অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন সেই ছাত্রী আলফাডাঙ্গায় সাংবাদিকদের স্মরনাপন্ন হন এবং তাকে বিয়ে না করলে তিনি আত্মহত্যার হুমকী দেন। শিক্ষক এবং ছাত্রীর বাড়ি মধুখালী উপজেলার খোকসা হাট গ্রামে এবং তারা দুজনেই দুজনের পুর্ব পরিচিত বলে জানা গেছে।

অপরদিকে কলেজ শিক্ষক এবং কলেজ ছাত্রীর প্রেম, বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক, প্রেমিকার আত্মহত্যার হুমকী এবং অবশেষে শিক্ষকের অন্যত্র ঠিক করা বিয়ের আশির্বাদ ভেঙ্গে যাওয়ার ঘটনাটি আলফাডাঙ্গা বোয়ালমারী এবং মধুখালীতে ব্যাপক আলোচনা ও সামলোচনার সৃষ্টি করেছে।

রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

ঢাকাটাইমস সম্পাদকের জন্য আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে দোয়া

স্টাফ রিপোর্টার: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অনলাইন নিউজপোর্টাল ঢাকাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম ও সাপ্তাহিক ‘এই সময়’ সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলনের আরোগ্য কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার বেলা ১২টায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাব সংলগ্ন স্কুল মসজিদে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে বক্তারা আরিফুর রহমানের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরে তাঁর আশু রোগমুক্তি কামনা করেন।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলমের সভাপতিত্বে এবং ঢাকাটাইমস ও সাপ্তাহিক এই সময় এর আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল খায়ের। প্রধান অতিথি বলেন, “ঢাকাটাইমস ও সাপ্তাহিক ‘এই সময়’ সম্পাদক আরিফুর রহমান ভাই ঢাকা থেকে আলফাডাঙ্গায় আসার পথে ফরিদপুর সদরের বদরপুরে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনার আহত হন। তাঁর বাঁ পায়ে অস্ত্রোপচার হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত আরোগ্য নসিব করেন এবং তিনি আগে যেভাবে পায়ে হেঁটে হাসিমুখে আলফাডাঙ্গাবাসীর সেবায় কাজ করতেন সেভাবে আলফাডাঙ্গায় এসে আবার পায়ে হেঁটে কাজ করতে পারেন। তিনি মানুষের সেবায় যেভাবে কাজ করছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল করিম বলেন, “দোলন ভাই আমাদের সবার প্রিয় একজন মানুষ। তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসুক এই কামনা করছি।”

আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আকরাম হোসেন বলেন, “দোলন এত কম বয়সে অসহায় মানুষের কল্যাণে, এলাকার কল্যাণে কাজ করে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এলাকার মানুষে কল্যাণে কাজ করার মন-মানসিকতা  অনেকের মধ্যে নেই, কিন্তু দোললের মধ্যে আছে। মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে দোলন ফিরে এসেছে তা একমাত্র আল্লাহর অশেষ রহমত, মানুষের ভালোবাসা ও দোয়ার কারণে সম্ভব হয়েছে। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘায়ু দান করুন এই দোয়া করছি।”

দোয়া মাহফিলে আরও অংশ নেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, আলফাডাঙ্গা সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাচান আহাদ, বাংলাদেশ প্রচার লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফার, উপজেলা প্রেসক্লাবের ও সদর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আ. মান্নান আব্বাস, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ দেলোয়ার হোসেন, গোপালপুর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান ইকু, তরুণ সমাজসেবক ও আওয়ামী লীগ নেতা ইনামুল হাসান, উপজেলা ছাত্রলীগের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলমগীর কবির, দৈনিক পুনরুত্থান এর স্টাফ রিপোর্টার মো. জাহিদ মিয়া, সাংবাদিক শফিউল আলম, মো. আজিজুর রহমান দোলাল, মো. ইবাদত হোসেন মুরাদ, মো. রবিউল ইসলাম, মো. টিটন, বাসারুল বারী, যুবলীগ নেতা কামারুজ্জামান কদর, উপজেলা ওলামা লীগের সভাপতি মো. আবু বক্কার সিদ্দীকসহ স্থানীয় রাজনীতিক, সাংবাদিক, সমাজসেবক ও বিশিষ্টজনেরা।

প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা যাওয়ার সময় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বদরপুর এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পড়েন সাংবাদিক আরিফুর রহমান। এতে তাঁর বাঁ পায়ের গোড়ালিতে তিনটি চিড় ধরে। ফরিদপুরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ওইদিনই তাঁকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২৫ জানুয়ারি স্কয়ার হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন ডা. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ তাঁর অস্ত্রোপচার করেন।

বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

নারী খেকো শিক্ষক প্রেম প্রত্যাক্ষান করায় কাদিরদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এক ছাত্রী’র আতœহুতির হুমকি

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর)ঃ শিক্ষক প্রেম প্রত্যাখান করায় কাদিরদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এক ছাত্রী আতœহুতির হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বুধবার আলফাডাঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রভাষক বিপ্লব নামে এক লম্পট শিক্ষক। জানাযায়, ওই কলেজের জীব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক বিরেন্দ্র কুশারী বিল্পব। বোয়ালমারী উপজেলাধীন কাদিরদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের (স্বজাতী)এক ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়ানোর সুবাধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাঁর সর্বাস্ব লুটেছে বলে ওই ছাত্রী জানান। প্রথমে মেয়েটি লম্পট শিক্ষক বিপ্লবের ভাড়াটিয়া বাসায় বিয়ের দাবীতে যান। বিপ্লব মেয়েটিকে সুকৌশলে অন্যান্য শিক্ষকদের সহযোগিতায় তার বাসা থেকে বের করে দেন। পরে অধ্যক্ষ মো. মনিরুল হক শিকদারের কাছে মেয়েটি কলেজে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি জানান । সেখানে কোন সমাধান না পেয়ে আলফাডাঙ্গা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের এর কাছে অভিযোগ দেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউএনও সাংবাদিকদের জানান ওই প্রভাষক এবং তার পরিবার হাজির না হওয়ায় অধ্যক্ষ মনিরুল হক সিকদারের উপস্থিতে মেয়েটিকে তার অভিভাবক পিতার নিকট বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। মেয়েটি যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের জানান আগামী ২১ ফেব্রুয়ারী রবিবার ওই নারী খেকো লম্পট প্রভাষক এর বিয়ের আর্শিবাদ রয়েছে বলে জানান এবং সে এ ব্যাপারে বলেন আমি বিপ্লবকে যদি না পাই তাহলে আত্মহত্তা করবো। বিপ্লবকে (০১৭১৯২৮৬৪০৫) মুঠোফোনে অনেক ফোন করার পরও তিনি রিসিব করেননি।

পীরগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ শেষ

পীরগঞ্জ প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও) ঃ পীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে প্রাথমিক জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৬ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি সুসম্পন্ন হয়েছে। প্রকাশ, গত ৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে- প্রথম দিবসে শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফেষ্টুন ও নতুন ব্যানারে র‌্যালীটি পীরগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে প্রধক্ষিণ করে। পরবত্তিতে শিক্ষা বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারী পীরগঞ্জ উপজেলা চত্বরে শিক্ষা মেলার বিভিন্ন ষ্টল স্থাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ও বই পত্রাদি জন সম্মুখে প্রদর্শন করা হয়েছে। এতে পীরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রাথমিক স্কুলের কমিটি সহ ইকো পাঠশালা ও সিডিপি এবং গুড নেইর্বাস (এনজিও) ও স্থানীয় পৌর সভার শিক্ষা কমিটি কর্তৃক এ শিক্ষা মেলায় কার্যক্রমে অংশ নেয়।
শিক্ষা মেলাটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি মোঃ ইমদাদুল হক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকারের সভাপতিত্বে “মানসম্মত শিক্ষা ও জাতির প্রতিজ্ঞা” আলোকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম এবং আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অহেন্দ্র চন্দ্র মন্ডল, জেলা ডিপিও প্রতিনিধি মোঃ আবু হারেশ এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও সাবেক এমপি মোঃ ইমদাদুল হক প্রমূখ। পরিশেষে শিক্ষা মেলার শেষ দিনে এক আকর্ষনীয় ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। উৎসমুখর এ মেলায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং দর্শনাথীদের বিপুল সমাগম ঘটে।

পীরগঞ্জে জাতীয় কৃষক সমিতির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পীরগঞ্জ প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও) ঃ ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় কৃষক সমিতির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৬ইং সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকাশ, ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় কৃষক সমিতির সম্মেলনটি পীরগঞ্জ পৌরসভা অডিটরিয়াম হলে অনুষ্ঠিত হয় সম্প্রতি। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের ওর্য়াকাস পাটির ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি কমরেড ইয়াসিন আলী, এমপি ঠাকুরগাঁও-৩ সভাপতিত্ব করেন। সম্মেলনে সাংগঠনিক বিষয় সহ কৃষি পণ্যের নার্য্যমূল্য, পৃথক কৃষি ও ভুমি আদালত গঠন নিয়ে এবং গ্রাম-গঞ্জে রেশনিং ব্যবস্থা চালুকরণ এবং ভুমিহীনদের খাসজমি ও মৎস্যজীবিদের জলা ভূমি প্রদান বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন কমরেড হাবিবুর রহমান, কমরেড ফয়জুল ইসলাম, কমরেড তৈমুর রহমান, কমরেড লাবু, কমরেড তাজুল ইসলাম ও আবু জাহিদ জুয়েল এবং প্রধান অতিথি বাংলাদেশের ওর্য়াকাস পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক।
অত্র সম্মলনে ২ বছর মেয়াদী ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় কৃষক সমিতির ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে গঠন করা হয়েছে।
এ নব গঠিত কৃষক সমিতির সভাপতি হলেন আবু জাহিদ জুয়েল, সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, ধনেশ্বর, সাধারণ সম্পাদক তৈমুর রহমান, সহ সম্পাদক তুলা রাম, দপ্তর সম্পাদক অনন্ত কুমার, আইন বিষয়ক সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ভূপেন চন্দ্র রায় এবং সদস্য কমরেড ইয়াসিন আলী এমপি ঠাকুরগাঁও-৩, বিনয় চন্দ্র, প্রফুল্ল চন্দ্র, বাবুল, দীপু রাণী, ধীরেন্দ্র নাথ প্রমূখ।
নব গঠিত ঠাকুরগাঁও জেলার জাতীয় কৃষক সমিতির নেতা- কর্মীদের স্বীয় সংগঠনের জন্য নির্দিষ্ট ভাবে অঙ্গীকার ও শপথ পাঠ করান বাংলাদেশের ওর্য়াকাশ পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক। পরিশেষে সম্মেলনে উপস্থিত সকল সদস্যবর্গকে বিশেষ ভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম:  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষায় উপজেলার ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১শত ৬৪ জন এ+ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হল রুমে  এ  বৃত্তি প্রদান করা হয়।

বৃত্তি প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ আবুল খায়ের, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম এইচ এ কে এম রওনক আরা বেগম, উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার মুন্সী রুহুল আসলাম, লাবনী রায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শিহাবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. সমশের উদ্দিন, ইচাপাশা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমূখ।

সরকারের দেয়া দুই শতাংশ জমি হারিয়ে দিশেহারা ভ্যানচালক আইয়ুব মুন্সী

অশোক সাহা (শ্যাম),ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক আইয়ুব মুন্সী সরকারের দেয়া দুই শতাংশ জমি পেয়ে সেখানে ঘর তুলে কোন রকমে জীবন-যাপন করছিল। বর্তমানে সেই জমিটুকু হারিয়ে মানবেতর ভাবে জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। অন্যের বাড়ীর খোলা আকাশের নীচে শীতের মধ্যে স্ত্রী, তিন সন্তান নিয়ে কোন রকমে দিন পার করছেন। স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি সরকারের কাছ থেকে পাওয়া জমিটুকু হাতিয়ে নিতে তৎপরতা চালাচ্ছে। এরই মধ্যে বাড়ী ঘর ভেঙ্গে সেখান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। গ্রাম ছেড়ে না গেলে হত্যার হুমকিও দেয়া হয়েছে। বর্তমানে আইয়ুব মুন্সী ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। জমিটুকু ফিরে পেতে এবং জীবনের নিরাপত্তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেছেন আইয়ুব মুন্সী।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, হামিরদী গ্রামের অসহায়, দরিদ্র ভ্যানচালক আইয়ুব মুন্সী ভূমিহীন হওয়ায় আবেদনের প্রেক্ষিতে ৯৭ সালে সরকার তাকে দুই শতাংশ জমি ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত দেয়। সে জমিতে কিছুদিন আগে ধার দেনা ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগীতা নিয়ে একটি ঘর তৈরী করে ছেলে, স্ত্রী’দের নিয়ে বসবাস করে আসছিল। ঘর তোলার সময় আর্থিক সংকটের কারনে তার আয়ের একমাত্র সম্বল ভ্যানটিও বিক্রি করে দেন। পরে ভ্যান ভাড়া নিয়ে সেটা চালিয়ে তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে কোন রকমে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু ভুমিহীন আইয়ুব মুন্সীর সে সুখও বেশী দিন টিকেনি। যে জায়গাটিতে সে তার পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতেন সে জায়গাটির উপর নজর পড়ে স্থানীয় প্রভাবশালী মো এনামুল হক (এম এ মাষ্টার)। জায়গাটি হাতিয়ে নিয়ে তিনি তার স্ত্রীকে দিয়ে আইয়ুব মুন্সীর বন্দোবস্ত বাতিল করতে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি আবেদন করেন। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আইয়ুব মুন্সীর বন্দোবস্তটি সম্প্রতি বাতিল করে তা গোপন রাখা হয়।

পরবর্তীতে ২ ডিসেম্বর স্থানীয় তফশিল অফিস থেকে আইয়ুব মুন্সীকে উক্ত জায়গায় প্রবেশ না করার একটি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু নোটিশ পাঠানোর একদিন আগে অর্থাৎ ১ ডিসেম্বর আইয়ুব আলীর কাছ থেকে উক্ত জায়গাটির খাজনা নেয়া হয়।

আইয়ুব মুন্সী অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি এনামুল মাষ্টার কয়েক ব্যক্তি পুলিশের সহযোগীতায় তার ঘরটি ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বাঁধা দিতে গেলে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়। বর্তমানে তাকে গ্রাম ছেড়ে চলে না গেলে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে বলে জানান।

আইয়ুব মুন্সী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার সহায়-সম্বল বলতে ছিল এ জায়গাটুকু। তিন ছেলে, স্ত্রীকে নিয়ে ভ্যান চালিয়ে কোন রকমে সংসার চালাতাম। আমার ঘর-বাড়ী ভেঙ্গে দিয়ে সেখান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

এখন আমি গিয়াস সরদার নামের একজনের বাড়ীতে ছেলে, স্ত্রীকে নিয়ে কষ্টের মাঝে দিন কাটাচ্ছি। শীতের রাতে খোলাস্থানে থাকতে অনেক কষ্ট হয়। খেয়ে না খেয়ে কোন রকমে বেঁচে আছি। একটি ছেলে নবম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে। সেও এখন পড়লেখা করতে পারছেনা।

আমি আমার জায়গাটি ফিরে পেতে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছি। আমি যে জায়গাটিতে ছিলাম সেটি পেতে এনামুল মাষ্টারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ভুমিহীন দাবী করে সেই জায়গাটি লীজ নিতে আবেদন করেছেন। যাদের এত সম্পদ রয়েছে তারা যদি ভুমিহীন হয় তাহলে আমার তো কিছুই নেই, আমি তাহলে কি এটা সরকারের কাছে জানতে চাই।

আইয়ুব মুন্সীকে তার জায়গা থেকে ঘর-বাড়ী ভেঙ্গে উচ্ছেদ করায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে তারা আইয়ুব মুন্সীর জায়গাটি ফিরিয়ে দেবার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় অনেকের সাথে কথা হলে তারা জানান, এনামুল মাষ্টার জায়গাটি দখলে নিতে নানা চেষ্টা করছেন। আইয়ুব মুন্সী একেবারেই হতদরিদ্র। স্ত্রী, ছেলেদের নিয়ে তার কোন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। সরকার যাতে আইয়ুব মুন্সীর জায়গাটি ফিরিয়ে দেয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য হবি খাঁ জানান, ভুমিহীন আইয়ুব মুন্সী জায়গাটি হারিয়ে একেবারেই পাগলের মতো হয়ে গেছে। এখন সে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে জমিটি ফিরে পেতে। সরকার তার জমিটি ফিরিয়ে দিবে এটাই আমাদের কামনা।

এসব বিষয় নিয়ে অভিযুক্ত মাষ্টারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা একেবারেই মিথ্যা। যে জায়গাটি সরকার আইয়ুব মুন্সীকে বন্দোবস্ত দিয়েছিল সে জায়গাটি আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ছিল। কোন এক কারনে তা খাস খতিয়ানে চলে যায়। ভূমিহীন হওয়ায় সরকার আইয়ুবকে বন্দোবস্ত দিলেও পরে আমার স্ত্রী’র আবেদনে সে বন্দোবস্ত বাতিল করে দেয়। এর বিরুদ্ধে সে আদালতে একটি মামলা করেছে। মামলার রায় যা হবে তাই আমি মেনে নেব।

সদরপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন, স্বামী পলাতক

বিপ্লব কুমার দাস (শাওন), ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: ফরিদপুরেরর সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের শৌলডুবী গ্রামে স্বামী লাভলু শেখ তার স্ত্রী শারমিন বেগম (১৯) পিটিয়ে ও গলাটিপে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হত্যার ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য বসত ঘরের আড়ায় গলায় রশি দিয়ে শারমিনের লাশ ঝুঁলিয়ে রেখে আতহত্যা বলে প্রচার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী লাভলু শেখ পলাতক রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে।

স্থানীয়রা জানান, লাভলু শেখ পাশ্ববর্তী জাফর সরদারের বাড়িতে ক্যারামবোর্ড খেলতে গেলে স্ত্রী শারমিন সেখানে গিয়ে লাভলুকে জোরপূর্বক বাড়ি নিয়ে আসে। এ ঘটনার পর লাভলু অপমানিত হলে বাড়ি এসে শারমিনকে বেদম মারপিঠ করে। মারপিটের একপর্যায়ে শারমিনকে গলাটিপে হত্যা করে। হত্যার পর পরই লাভলু শেখ বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা শারমিনের লাশটি উদ্ধার করে।

শারমিনের বাবা ছালাম মোল্যা ও মাতা মিলি বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে শারমিন কে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ হত্যা করা হয়েছে। সদরপুর থানার এসআই অখিল কুমার বিশ্বাস জানান, মৃত্যুর সঠিক তথ্যের জন্য মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে সদরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ফরিদপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে বিএফএফ

বিপ্লব কুমার দাস (শাওন), ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: ফরিদপুরে অসহায়, দুঃস্থ্য মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে কম্বল বিতরন করেছে বেনিফিসিয়ারিজ ফ্রেন্ডশীপ ফোরাম (বিএফএফ)। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় বিএফএফ কার্যালয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলার অর্ধ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে এ কম্বল বিতরন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের জেলা কমান্ডার আবুল ফয়েজ শাহনেওয়াজ, ডেপুটি জেলা কমান্ডার মোঃ নজরুল ইসলাম, থানা কামান্ডার শামসুদ্দিন ফকির, মোঃ খলিলুর রহমান, বিএফএফ’র পরিচালক আনম ফজলুল হাদী সাব্বির।

ফরিদপুরের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা (বিএফএফ)’র নিজস্ব তহবিল থেকে জেলার বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন কর্মসূচির অংশ হিসাবে ৫ শতাধিক কম্বল বিতরন করা হয়।

মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে কম্বল বিতরনের মধ্যদিয়ে শীতবস্ত্র বিতরনের কার্যক্রম শেষ হয়।

বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

পীরগঞ্জে জাতীয় কৃষক সমিতির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পীরগঞ্জ প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও): ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় কৃষক সমিতির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ২০১৬ইং সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রকাশ, ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় কৃষক সমিতির সম্মেলনটি পীরগঞ্জ পৌরসভা অডিটরিয়াম হলে অনুষ্ঠিত হয় সম্প্রতি। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের ওর্য়াকাস পাটির ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি কমরেড ইয়াসিন আলী, এমপি ঠাকুরগাঁও-৩ সভাপতিত্ব করেন। সম্মেলনে সাংগঠনিক বিষয় সহ কৃষি পণ্যের নার্য্যমূল্য, পৃথক কৃষি ও ভুমি আদালত গঠন নিয়ে এবং গ্রাম-গঞ্জে রেশনিং ব্যবস্থা চালুকরণ এবং ভুমিহীনদের খাসজমি ও মৎস্যজীবিদের জলা ভূমি প্রদান বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন কমরেড হাবিবুর রহমান, কমরেড ফয়জুল ইসলাম, কমরেড তৈমুর রহমান, কমরেড লাবু, কমরেড তাজুল ইসলাম ও আবু জাহিদ জুয়েল এবং প্রধান অতিথি বাংলাদেশের ওর্য়াকাস পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক।
অত্র সম্মলনে ২ বছর মেয়াদী ঠাকুরগাঁও জেলা জাতীয় কৃষক সমিতির ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে গঠন করা হয়েছে।
এ নব গঠিত কৃষক সমিতির সভাপতি হলেন আবু জাহিদ জুয়েল, সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, ধনেশ্বর, সাধারণ সম্পাদক তৈমুর রহমান, সহ সম্পাদক তুলা রাম, দপ্তর সম্পাদক অনন্ত কুমার, আইন বিষয়ক সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ভূপেন চন্দ্র রায় এবং সদস্য কমরেড ইয়াসিন আলী এমপি ঠাকুরগাঁও-৩, বিনয় চন্দ্র, প্রফুল্ল চন্দ্র, বাবুল, দীপু রাণী, ধীরেন্দ্র নাথ প্রমূখ।
নব গঠিত ঠাকুরগাঁও জেলার জাতীয় কৃষক সমিতির নেতা- কর্মীদের স্বীয় সংগঠনের জন্য নির্দিষ্ট ভাবে অঙ্গীকার ও শপথ পাঠ করান বাংলাদেশের ওর্য়াকাশ পার্টির পলিট ব্যুরোর সদস্য কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক। পরিশেষে সম্মেলনে উপস্থিত সকল সদস্যবর্গকে বিশেষ ভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

পীরগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ সম্পন্ন

পীরগঞ্জ প্রতিনিধি (ঠাকুরগাঁও): পীরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে প্রাথমিক জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৬ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি সুসম্পন্ন হয়েছে।
প্রকাশ, গত ৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে- প্রথম দিবসে শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শোভিত ফেষ্টুন ও নতুন ব্যানারে র‌্যালীটি পীরগঞ্জ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে প্রধক্ষিণ করে। পরবির্ততে শিক্ষা বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারী পীরগঞ্জ উপজেলা চত্বরে শিক্ষা মেলার বিভিন্ন ষ্টল স্থাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ ও বই পত্রাদি জন সম্মুখে প্রদর্শন করা হয়েছে। এতে পীরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রাথমিক স্কুলের কমিটি সহ ইকো পাঠশালা ও সিডিপি এবং গুড নেইর্বাস (এনজিও) ও স্থানীয় পৌর সভার শিক্ষা কমিটি কর্তৃক এ শিক্ষা মেলায় কার্যক্রমে অংশ নেয়।
শিক্ষা মেলাটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি মোঃ ইমদাদুল হক। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকারের সভাপতিত্বে “মানসম্মত শিক্ষা ও জাতির প্রতিজ্ঞা” আলোকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম এবং আলোচনায় অংশ নেন শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অহেন্দ্র চন্দ্র মন্ডল, জেলা ডিপিও প্রতিনিধি মোঃ আবু হারেশ এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও সাবেক এমপি মোঃ ইমদাদুল হক প্রমূখ। পরিশেষে শিক্ষা মেলার শেষ দিনে এক আকর্ষনীয় ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। উৎসমুখর এ মেলায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং দর্শনাথীদের বিপুল সমাগম ঘটে।

বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

মধুমতি এক্সিকিউটিভ ক্লাবের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে চারদলীয় ভলিবল টুর্নামেন্ট ও কম্বল বিতরন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ-ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলাধীন গোপালপুর বাজারে অবস্থিত মধুমতি এক্সিকিউটিভ ক্লাব এর দশম বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার ক্লাব প্রাঙ্গণে শীতার্ত দুঃস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ, কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গনে  চারদলীয় ভলিবল টুর্নামেন্ট ও দুপুরে প্রীতিভোজ এবং বিকালে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চারদলীয় ভলিবল টুর্নামেন্টে গোপালগঞ্জ জেলার জুনাসপুর ভলিবল টীম চ্যাম্পিয়ন এবং নড়াইল জেলার লক্ষ্মীপাশা ভলিবল টীম রানারআপ হয়। খেলাশেষে চ্যাম্পিয়ন এবং রানারআপ দলকে পুরস্কার হিসেবে ২টি কালার টিভি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে মধুমতি এক্সিকিউটিভ ক্লাবের সভাপতি খালিদ হোসেন শাহীন, প্রতিষ্ঠাতা  সভাপতি মোঃ সামছুদ্দোহা সিমু, প্রাক্তন সভাপতি এম. সোহেল আহমেদ ও সাহজাহান খান, সাধারণ সম্পাদক সেলিমুজ্জামান, আলফাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাসান আহাদ, গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম, আলফাডাঙ্গা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপাল কামাল আতাউর  রহমান সাইক্লোন, আলফাডাঙ্গা যুবলীগ সভাপতি সাইফার হোসেন, উপজেলা আওমীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক তালুকদার, আলফাডাঙ্গা উপজেলা কল্যাণ সমিতি ঢাকাস্থ সাধারণ সম্পদক সিদ্দিকুজ্জামান খান বাহার, সমাজ সেবক মোতাহার হোসেন এবং সাহেব আলী খান ,গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান হিকু ও সাধারন সম্পাদক শহিদুর রহমান মিন্টু সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

নাজমা মেডিকেয়ার ক্লিনিক শুভ উদ্বোধন

সংবাদদাতা,আলফাডাঙ্গা - ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরে গত ১  ফেব্রুয়ারী  সোমবার ২টায় প্রাইভেট ক্লিনিক নামজা মেডিকেয়ার মিলাদ মহাফিলের মাধ্যমে উদে¦াধন করা হয়েছে। এ সময়
উপজেলা  আ’লীগের সভাপতি এস.এম আকরাম হোসেন , উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান  আ. কুদ্দুছ খান , নাজমা মেডিকেয়ার নির্বাহী পরিচালক মো. হারুন অর রশীদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আমাদের  আলফাডাঙ্গার সম্পাদক মো. সেকেন্দার আলম,সাংবাদিক মো. মোরাদ হোসেন তালুকদার ,মো.  আলমগীর কবির, মো. শাহারিয়ার হোসেন, মো. আবুল বাশার, মো. লায়েকুজ্জামান, সৈয়দ আমিনুর রহমান,মুকুল শরীফ, মনিরুজ্জামান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ,মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন মাও. আবুল বাশার।


ইছাপাশা সরকারী প্রাথমীক বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগাতায় পুরস্কার বিতরন




সংবাদদাতা,আলফাডাঙ্গা -আলফাডাঙ্গা উপজেলায় গত ১  ফেব্রুয়ারী  সোমবার বিকালে ইছাপাশা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী প্রাথমীক শিক্ষা অফিসার মূন্সী মো. রুহুল আসলাম ,উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন , বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) মো. আমির হোসেন,সহকারী শিক্ষক মো.জাহাঙ্গির হোসেন,মো. কামরুল ইসলাম,পূর্নিমা রানী সরকার,শূসুমা রানী বিশ্বাস, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম, সাংবাদিক মো. শাহারিয়ার হোসেন ও মো. আবুল বাশার প্রমূখ।