মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০১৬

কেন্দ্রীয় যুব মহিলালীগ নেত্রী লাভলী আর নেই

সৈয়াদা নুরুন্নাহার পারভীন 
বিপ্লব কুমার দাস (শাওন) ঃ      আরজেএফ’র সভাপতি (ভাঙ্গা) ও দৈনিক আজকালের খবর পত্রিকার ভাঙ্গা প্রতিনিধি সৈয়দ মাহফুজুল হক নবাবজাদার বোনকেন্দ্রীয় যুব মহিলালীগের দপ্তর সম্পাদক সৈয়াদা নুরুন্নাহার পারভীন লাভলী সকালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে----------রাজেউন)।

সে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার সুনামধন্য ঐতিহ্যবাহী শাহ সাহেব বাড়ীর সৈয়াদ শাহজামান এর মেয়ে। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, ১ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সে গত ৩০ মার্চ ব্রেন স্ট্রোক করে ঢাকার আগারগাও অবস্থিত নিওরো সাইন্স হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিলেন। দীর্ঘ ১ মাস মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে সকাল ১১-১০ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

তার মৃত্যুতে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, ভাঙ্গা পৌরসভার মেয়র আবু রেজা মোঃ ফয়েজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী হেদায়েতউল্লাহ সাকলাইন ও সাধারন সম্পাদক ফাইজুর রহমান, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহীদুল হক মিরু মুন্সি, ভাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাজী আঃ মান্নান ও সাধারন সম্পাদক মোঃ রমজান সিকদার এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব কুমার দাস(শাওন)সহ ফরিদপুর জেলা ও উপজেলার নেতা-কর্মীরা শোক প্রকাশ করেছেন।

লাভলীর ছোট ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ তালাশ বুখারী জানায়, লাভলী আপা এদেশের মানুষকে ভালবেসে সারাজীবন ছাত্র রাজনীতির থেকে শুরু করে কেন্দ্রিয় পর্যায় পৌছান। দেশবাসির কাছে তার আত্মার শান্তির জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন।

তাকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শাহ সাহেব বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে (১মে রোববার)এশার নামায বাদ জানাযা নামায শেষে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে

বোয়ালমারীর দাদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-৫ম ধাপ

বোয়ালমারী প্রতিনিধি ঃ ২৮ মে অনুষ্ঠিত উপজেলার দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে গত মঙ্গলবার শেষ দিন পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে ৬জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরা হলেন, মো. শামীম মোল্লা (আ’লীগ), এনামুল কবির (বিএনপি), মো. মোকাদ্দেস হোসেন (আ’লীগ বিদ্রোহী), আব্দুল আলিম মিয়া (ইশা), মো. মোশাররফ হোসেন (স্বতন্ত্র) ও নুর আলম(স্বতন্ত্র)। উল্লেখ্য গত ২৩ এপ্রিল বোয়ালমারী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন হলেও সীমানা নিয়ে জটিলতার কারণে দাদপুর ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত থাকে।

গোপালপুরের ডাকু মেম্বার চিরতরে চলে গেলেন না ফেরার দেশে

 মোঃ নজরুল ইসলাম (ডাকু)
আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি ঃ আলফাডাঙ্গা উপজেলাধীন গোপালপুর ইউপি সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম (ডাকু)মেম্বার চিরতরে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। গত সোমবার ২ মে নিজ বাড়ি গোপালপুর গ্রামে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে হার্ড ষ্টক আক্রান্ত হলে পরিবারের লোকজন তাকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তার তাকে মৃতঃ ঘোষনা করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়ে ছিল ৪৫ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে,তিন মেয়ে, আত্বীয় স্বজন সহ অনেক গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাকে বিকালে আসর বাদ গোপালপুর মাদ্রাসা ময়দানে জানাজা শেষে গোপালপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাযায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান,ইউপি চেয়ারম্যান,মেম্বার,প্রশাসনের কর্মকর্তাগন,সুধীজন,সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে উপজেলা প্রশাসন,চেয়ারম্যান,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,সাংবাদিক গভীর শোক প্রকাশ করেন।

নজরুল ইসলাম ২০০২-২০১৬ সাল টানা ১৪ বছর ইউপি সদস্য ছলিনে। ২০১৬ সালে তনিি সফল ইউপি সদস্য ও সমাজসবেক হসিবেে মহান মাতৃভাষা সম্মাননা পদক লাভ করনে। ইউনাইটডে মুভমন্টে হউিম্যান রাইটস-এর পক্ষ থকেে তাকে এ সম্মাননা দয়ো হয়।

প্রবীন রাজনীতিবীদ ও শিক্ষ কবি কুসুম রায় চক্রবর্ত্তী আর নাই

শোক সংবাদ

মোঃ শাহারিয়ার হোসেনঃ আলফাডাঙ্গা এ,জেড পাইলট
উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক সাবেক উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও হিন্দু- বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও প্রবীন রাজনীতিবীদ বাবু কবি কুসুম রায় চক্রবর্ত্তী আর নাই। গত ১মে রবিবার রাত ৮ টায় উপজেলার বাঁকাইল গ্রামের নিজ বাড়িতে হার্ড ষ্টকে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি আপনজন বলতে এক ছেলেসহ অনেক গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তাকে গত সোমবার নিজ বাড়িতে সমাহিত করা হয়।
   

শরীয়তপুরে মে দিবসের র‌্যালী ও আলোচনা সভা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ যথাযোগ্য মর্যাদায় শরীয়তপুরে আন্তর্জাতিক মহান মে দিবস ২০১৬ পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে ১লা মে রোববার সকাল ১০ থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত শরীয়তপুর আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক চৌকিদারের নেতৃত্বে সকাল ১০ টায় শরীয়তপুর বাসস্টান্ড থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসস্টান্ড গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফারুক চৌকিদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা শিকদার। আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী আজম মাদবরের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল আমিন কোতোয়াল, পৌরসভা আ’লীগের সভাপতি এমএ মজলিশ খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শেখ মোহাম্মদ বিল্লাল, শ্রমিক নেতা ফারুক বেপারী, সাত্তার পাহাড়, সাবেক ছাত্রনেতা সুবাস চন্দ্র দাস, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল হোসেন টিপু কোতোয়াল প্রমূখ। 


শরীয়তপুর দুইটি মন্দিরের মুর্তি ভাংচুর, আটক -১

শরীয়তপুর হরিসভার ও ঋষি পাড়ায় মন্দির ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা
মোঃ ইমরান খান, শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুর জেলার কেন্দ্রীয় মন্দির হরিসভার ও ঋষি পাড়ায় ১০টি মন্দির ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার সাথে জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার সময় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলা সদরে অবস্থিত জেলার কেন্দ্রীয় মন্দিরে (সরিসভা) ও ঋষি পাড়ায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার সময় দুর্বৃত্তরা মন্দিরের ভিতরে ঢুকে দূর্গা মন্দিরে থাকা ১৩টি বিভিন্ন প্রতিমা ভাংচুর করে। বাজারের ব্যবসায়ী বাদল তপাদার ও পাহারাদার  প্রতীমা ভাংচুরের সময় সিরাজুল ইসলাম কাজী নামে একজনকে কেন্দ্রীয় মন্দির (সরিসভা) থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সিরাজুল ইসলাম সদর উপজেলার উপুরগাও গুচ্ছগ্রামের মোঃ নুরুল ইসলাম কাজীর ছেলে।

কেন্দ্রীয় মন্দির হরিসভার সভাপতি বিমল কৃষ অধিকারী বলেন, গভীর রাতে সহিরসভা কেন্দ্রীয় মন্দিরে হামলা চালিয়ে লোকনাথের ২টি, জগদ্দার্তীর ১টি, কালিমূর্তি ১টি, স্বরসতী মুর্তি ২টি, ও ইষ্টসখির ৪টি মুর্তি সহ মোট ১০ টি মুর্তি ভাংচুর করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

পালং মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ এনামুল হক বলেন, হসিসভা কেন্দ্রীয় মন্দিরে মুর্তি ভাংচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এর সাথে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা তদন্ত করে বের করা হবে।


শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৬

ঢাকা বিভাগীয় ইনোভেশন সার্কেলে প্রথম আলফাডাঙ্গার ইউএনও মোহাম্মদ আবুল খায়ের

ইউএনও মোহাম্মদ আবুল খায়ের
আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ-ঢাকা বিভাগীয় ইনোভেশন সার্কেলের আওতায় সেরা উদ্ভাবনী পাইলট উদ্যোগ বিভাগে প্রথম হয়েছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল খায়ের। ঢাকার ছয়টি জেলার মধ্যে তিনি সেরা নির্বাচিত হয়েছেন।শনিবার সকালে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ঢাকা বিভাগীয় ইনোভেশন সার্কেলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সেরা উদ্ভাবনী বিভাগে সেরাদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে দ্বিতীয় হয়েছেন রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত প্রশাসক (রাজস্ব, শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আশরাফ হোসেন এবং তৃতীয় হয়েছেন শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী। গত মঙ্গলবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। তৃণমূল পর্যায়ে সব ধরনের সেবা কম সময়ে এবং কম অর্থ ব্যয়ে জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এই উদ্যোগের নাম ইনোভেশন সার্কেল। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এটুআই কর্মসূচির সহায়তায় সার্কেলটি আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেয়া ছয় জেলা হলো- ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, শরিয়তপুর, গোপালগঞ্জ এবং মুন্সীগঞ্জ।  ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, মন্ত্রিপরিষদের ভারপ্রাপ্ত সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোজাম্মেল হক খান। এছাড়া আরও ছিলেন ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান, মৎস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ, সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মফিজুল ইসলাম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ নূরুল কবির। সভায় মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রাশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদল, রাজবাড়ী জেলার প্রশাসক জিনাত আরা, মাদারীপুর জেলার প্রশাসক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, শরীয়তপুর জেলার প্রশাসক মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বরিশালের জেলা প্রশাসক গাজী মো. সাইফুজ্জামানসহ ছয়টি জেলার অন্তত শতজন কর্মকর্তা অংশ নেন।

আলফাডাঙ্গায় কৃষকলীগের বর্ধিত সভা

আলফাডাঙ্গা কৃষকলীগের বর্ধিত সভায় ফরিদপুর জেলা কৃষকলীগের সভাপতি মো. কবিরুল আলম মাও।
আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর)ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষকলীগের আয়োজনে গত শনিবার(৩০-০৪-১৬) সকাল ১১টায়  কৃষকলীগের অস্থায়ী কার্য্যালয়ে এক   বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক মো. সোলায়মান আহমদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কৃষকলীগের সভাপতি মো. কবিরুল আলম মাও। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ মিয়া ও সহ-সভাপতি এ্যাডঃ কাউছার শরীফ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ন-আহবায়ক শেখ দেলোয়ার হেসেন। এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ন-আহবায়ক মো. নজীর মিয়া ও মো. মকলেসুর মিয়া, বোয়ালমারী উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ন-আহবায়ক আকরামুজ্জামান রুকু মৃধা, উপজেলা কৃষকলীগের নেতা ফজলুর রহমান বাবু, মো. নাছির উদ্দিন, এস এম আসাদুজ্জামান, আবু বক্কার সিদ্দিক, মো. আসাদ মিয়া, মো. নাছির মিয়া, শাহাদত হোসেন বালা ও আজিজুর রহমান দোলাল প্রমূখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ। সভায় সকলের সিদ্ধান্ত মতে আগামী ১৩ মে আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ কৃষকলীগের ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৬

বোয়ালমারীতে আধিপত্যকে বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০


স্টাফ রিপোর্টার:  ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইদ্রিস মোল্যা আর কাওসার মোল্যা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে। এসময় নারীসহ প্রায় ১০ জন আহত হন। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ও বিকালে বোয়ালমারীর শেখর ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকালে উভয় গ্রুপের কয়েকজন কথাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।পরে পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয়। সংঘর্ষে কালা  ও কলম নামে দুজন আহত হয়। কলমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছাড়া হলেও কালাকে আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনার জের ধরে বিকাল ৫টায় মাগুরা মধ্যপারা কবরস্থানের পাশে উভয় পক্ষ রাম দা, লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় উভয় গ্রুপের প্রায় ৬ জন আহত হন। এদের মধ্যে কাওসার গ্রুপের ইয়াকুব আলী (২৫), আবু আলী (২৮), ইদ্রীস গ্রুপের এনায়েত (৪০)গুরুতর আহন হন।তাদেরকে আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফরিদপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।  এছাড়া শরীফুল ইসলাম (২৩), মর্জিনা বেগম (৫০) ও ফজলু বিশ্বাস (৬০)আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ হাসপাতাল পর্যবেক্ষণ করেছে। 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার  ৮০ জন কৃষকদের মাঝে উফসী ও নেরিকা ধান বীজ এবং ধৈঞ্চা সবুজ সার বিতরণ করা হয়েছে।

আজ  সোমবার (২৫-০৪-১৬) সকাল ১১ টায়  উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষি সম্প্রসারণ হলরুমে খরিপ-১/২০১৬ মৌসুমে উফশী আউশ ধান উৎপাদন এবং মাটির স্বাস্থ সুরক্ষায় ধৈঞ্চা চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রনোদনা কর্মসূচির অধীনে তালিকাভুক্ত ক্ষুদ্র ও প্রাম্ভিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম¥দ আবুল খায়ের এর সভাপতিত্বে ও  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফতাব উদ্দীন মাহমুদ এর পরিচালনায় বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. নূরুল  হক।

এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তপন মজুমদার, ইউপি চেয়ারম্যান মুঞ্জুরুল ইসলাম, আলফাডাঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। 

বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৬

মমতাজ বেগমের মৃত্যুতে আরজেএফ’র শোক

রুর‌্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি এড. মাসুদুর রহমানের মাতা (অবঃ) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মমতাজ বেগম (৮৫) বুধবার সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে মাদারীপুরস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। মমতাজ বেগমের স্বামী মরহুম আঃ ছামাদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল মাদারীপুর জেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ ছেলে ১ মেয়ে রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র চেয়ারম্যান এস.এম জহিরুল ইসলাম, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নূর মোহাম্মদ কোতোয়াল, আরজেএফ’র যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আল-আমিন শাওন এলএলবি, সাংগঠনিক সম্পাদক সেকেন্দার আলমসহ সকল সাংগঠনিক কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম:  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়  ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস-২০১৬ উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৮-০৪-১৬) সকাল ৯টায় উপজেলা মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল বাশার মিয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফতাব উদ্দীন মাহমুদ, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক টিটো। অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তপন মজুমদার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, এম এইচ এ কে এম রওনক আরা বেগম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম, আলফাডাঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, উপজেলা আ’লীগের মহিলা সম্পাদিকা রোজীসহ উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলফাডাঙ্গায় মাদক সম্রাট হাসু গ্রেফতার

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়  মাদক সম্রাট হাসু শেখকে গ্রেফতার  করে কোর্টে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।

আজ  সোমবার (১৮-০৪-১৬) সকাল ১০টায় হাসুকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্ত্বিতে রবিবার রাতে এস আই খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স মাদক সম্রাট হাসুকে ১৫ পিচ ইয়াবাসহ উপজেলার বারুইপাড়া নিজ বাড়ি থেকে আটক করে সোমবার সকালে ১৯৯০ সনের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী ২০০৪ এর ১৯(১) এর ৯ এর “ক” ধারায় কোর্টে প্রেরণ করা হয়। হাসু গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার খারাট গ্রামের মো. জয়নাল শেখ এর পুত্র।

এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, আলফাডাঙ্গাকে মাদক মুক্ত করতে মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যহত থাকবে।

রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট বাণিজ্য!

মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার হেলেঞ্চাহাঠী কঠুরাকান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে নির্বিঘ্নে চলছে প্রাইভেট বাণিজ্য। সরকার প্রাইভেট বাণিজ্যের ওপর বিধি নিষেধ আরোপ করলেও তা মানছেন না ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. ইলিয়াস উদ্দিনসহ অন্যরা। 
অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলে প্রাইভেট বাণিজ্যের কারণে তাদের সন্তানরা লেখাপড়ায় মনযোগী হচ্ছে না। তারা প্রাইভেটের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এতে কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের ক্ষতি হচ্ছে। 
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, হেলেঞ্চাহাঠী কঠুরাকান্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন ইলিয়াস উদ্দিন। এসময় এ প্রতিবেদককে দেখে তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের ছুটি দিয়ে দেন। শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। উল্টো ওই প্রতিবেদককে দেখে নেয়ার হুমকি দেন ইলিয়াস উদ্দিন। তিনি এও বলেন, ‘সাংবাদিকদের ভয় পাই না। পারলে কিছু কইরেন।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইলিয়াস উদ্দিন গণিতের সিনিয়র শিক্ষক। সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রতি ঘন্টায় দুই ব্যাচে ৫০-৬০ জন করে ছাত্র-ছাত্রী পড়ান।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রাইভেট পড়ার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাধ্য করেন ইলিয়াস স্যার! অন্যথায় পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম দেয়ার ভয় দেখান। তাই বাধ্য হয়ে স্যারের কাছে পড়তে হয় তাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, ইলিয়াস স্যারের কাছে প্রাইভেট না পড়লে বকা-ঝকা করেন, পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম দেয়ার ভয় দেখান। ওনার কাছে যারা প্রাইভেট পড়ে তাদের পরীক্ষার হলে উত্তর বলে দেয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইলিয়াস উদ্দিন জানান, সরকার কী নিয়ম করেছে তা আমি জানি না। তবে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে আমি শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়াই।’
অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলে প্রাইভেট বাণিজ্যের কারণে তাদের সন্তানরা লেখাপড়ায় মনযোগী হচ্ছে না। তারা প্রাইভেটের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এতে কোমলমতি ছেলে-মেয়েদের ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু তাদের সন্তানদের কিছু করার নেই। কারণ ওই স্যারের কাছে না পড়লে পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম দেয়ার ভয় দেখানো হয়। তাই ইলিয়াস স্যারের কাছে সন্তানদের পড়াতে বাধ্য হন অভিভাবকরা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হেলেঞ্চাহাঠী কুঠরাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম রসুল বলেন, ‘শিক্ষকরা সরকারি প্রাইভেট বাণিজ্যের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রাইভেট পড়ায়। নিয়মের বাইরে প্রাইভেট পড়ায় কি না তা আমার জানা নেই।’
এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহাফুজা বেগম বলেন, ‘প্রাইভেট বাণিজ্যের ওপর সরকারের বিধি নিষেধ রয়েছে। সরকারি বিধি অমান্য করে কেউ স্কুলের আসবাবপত্র, রুম ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে প্রাইভেট বাণিজ্য করলে তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৬

কাশিয়ানিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী খোকনকে সরে যেতে হুমকি

গোপালগঞ্জ: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর হুমকির মুখে নির্বাচনী প্রচারে নামতে পারছেন না গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার ৫ নং কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মশিউর রহমান খানের নেতাকর্মীরা খোকনের সমর্থক, কর্মীদের হত্যার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হলে উল্টো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে খোকনের নেতাকর্মীদের।

শুধু ৫ নং কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদই নয় উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশনকেও লিখিত জানিয়েছেন একাধিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী। তবে এখনও নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। আগামী ২৩ এপ্রিল কাশিয়ানি উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট হবে।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেন, ‘কাশিয়ানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমি জেলা পুলিশ সুপারকে জানিয়েছি। ওসির সঙ্গেও কথা বলেছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার মশিউর রহমান খানের নেতাকর্মীরা মোহাম্মদ আলী খোকনের ওপর হামলা করে। কাশিয়ানির খায়ের হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলাকারীরা বহিরাগত। খোকনের সমর্থকরা তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ছোড়ে।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একাংশ বলছেন, ৫ নং কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমান খান এলাকার জনগণের সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা কম। তাকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হলেও নির্বাচনী মাঠে তিনি খুব বেশি সুবিধা করতে পারবেন না। অপর দিকে দলের মনোনয়ন না পেলেও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী খোকন ইউনিয়নবাসীর অনুরোধে আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি গত ১৪ বছর ধরে ওই ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবারও নিরপেক্ষ ভোট হলে জয় পাল্লা তার দিকেই ঝুঁকবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, খোকনের জয় নিশ্চিত জেনে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মশিউর রহমান খান। তার আত্মীয়-স্বজন, বহিরাগত সন্ত্রাসী এবং পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে খোকনের নির্বাচনী কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। খোকনের সমর্থকদের ভোট কেন্দ্রে গেলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয়ার অভিযোগ আছে। ভোটের দিন কেন্দ্র দখল করে নেয়ার কথাও প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মশিউর রহমানের অনুগামী, অনুসারীরা। রাতে খোকনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হঠাৎ তল্লাশির নামে হয়রানির অভিযোগও আছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খল বাহিনীর বিরুদ্ধে।

যদিও কাশিয়ানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ এবং গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার তাকে ফোন করে যে সতর্ক করেছেন, তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিরপেক্ষভাবে কাজ করছি। এ ব্যাপারে সন্দেহ থাকলে ঘটনাস্থল দেখে যান। আপনারা তদন্ত করেন।’

জানতে চাইলে গোপালগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার এসএম ইমরান হোসেন কে বলেন, ‘কাশিয়ানির ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে। দোষ প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেবো।’

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমান খানের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ধরেননি। পরে একটি খুদে বার্তা পাঠালেও জবাব মেলেনি।

জানতে চাইলে কাশিয়ানি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী খোকন বলেন, ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমার জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। কারণ আমার ইউনিয়নবাসীর অনুরোধেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি। তাদের ভালোবাসা নিয়ে নির্বাচিত হবো। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমার ও আমার নেতাকর্মীদের ওপর যে হামলা ও নির্যাতন চালাচ্ছে তা বন্ধ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের সুদৃষ্টির অপেক্ষায় আছি।’


সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৬

ভাঙ্গায় অপহরনের ৬ মাসেও খোঁজ মেলেনি কলমের

অশোক সাহা (শ্যাম)ঃ-অপহরনের ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো খোঁজ মেলেনি ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা গ্রামের ভুসিমাল ব্যবসায়ী কলম মাতুব্বরের (২৩)। ছেলেকে হারিয়ে একেবারেই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাবা জালাল মাতুব্বর ও মা জাহানারা বেগম। এখনও তারা ছেলের ফিরে আসার পথপানে বসে আছেন। অপহরনের এ ঘটনায় একটি মামলা হলেও পুলিশ রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয়েছে।
জানা গেছে, বিগত ২০১৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী কলম মাতুব্বর বাড়ী থেকে বের হয়ে কিছুদুর যাবার পর অপহরনের শিকার হয়। কয়েকজন দুবৃর্ত্ত তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে কলমের আর কোন খোঁজ পায়নি তার পরিবারের স্বজনেরা। এ ঘটনার পর ৪জনকে আসামী করে ভাঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ বেশকিছু দিন পর অভিযুক্তদের আটক করলেও ‘রহস্যজনক’ কারনে তারা সকলেই ছাড়া পেয়ে যায়। আসামীরা এখন কলমের পরিবারের সদস্যদের মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কলমের বাবা জালাল মাতুব্বর জানান, দীর্ঘদিন ধরে ছেলের খোঁজ না পেয়ে তারা মানবেতর ভাবে দিন কাটাচ্ছেন। আসামীরা একের পর এক হুমকি দিচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে কঠিন পরিনতি ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছে। ছেলেকে উদ্ধারের বিষয়ে একাধিক বার থানায় গেলেও পুলিশ কোন সহযোগীতা করছেন না। ছেলেকে হারিয়ে কলমের মা জাহানারা বেগম এখন পাগল প্রায়। ছেলের ফিরে আসার পথপানে তিনি এখনো বসে আছেন। কাউকে দেখলেই হাউমাউ করে কেঁদে উঠেন। তোমরা আমার ছেলেডারে আইন্যা দ্যাও। লাশ না দ্যাও, হাড়গোড় দ্যাও। আমি হেইগুলাই নিয়াই কবর দিমু।
অপহরন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার এসআই শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আসামীদের বিভিন্ন সময় আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তারা জামিনে আছে। অপহরনের সাথে প্রকৃত পক্ষে যারা জড়িত তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।


ভাঙ্গা থানা অনলাইন প্রেসক্লাব এর দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন

ভাঙ্গা প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন অনলাইন প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে শনিবার সন্ধ্যায় অনলাইন প্রেসক্লাব ভাঙ্গা থানা কমিটি (২০১৬-১৭) গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন (বিওজেএ) ভাঙ্গা থানা শাখা কমিটির সভাপতি মনিরুল হক মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কমিটি ঘোষনা করা হয়। ভাংগা থানা শাখার নতুন কমিটি ঘোষনা করেন বেলাল  চৌধুরী, সভাপতি, অনলাইন প্রেস ক্লাব, ফরিদপুর জেলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবিদুর রহমান নিপু, সাধারণ সম্পাদক, অনলাইন প্রেসক্লাব, ফরিদপুর জেলা শাখা ও সম্পাদক অপেন আই টোয়েন্টি ফোর ডট কম, রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক, অনলাইন প্রেসক্লাব, ফরিদপুর জেলা শাখা, নিউজ এজেন্সি, ফরিদপুর বু্যূরো প্রধান, মো: আনিচুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, অনলাইন প্রেসক্লাব, ফরিদপুর জেলা শাখা ।
সকলের সর্বসম্মতিতে এ কমিটি ঘোষনা করা হয়। অনলাইন প্রেস ক্লাব ভাঙ্গা থানা শাখার ১৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটিতে রয়েছেন মো: নাসিরউদ্দিন খান লিওন, সভাপতি, আওলাদ হোসেন মুন্সি, সহ-সভাপতি, মো: তাইবুর রশীদ, সহ-সভাপতি, জহির শেখ, সহ-সভাপতি, মো: সালমান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক, মো: খালেদুর রহমান, সহ-সাধারন সম্পাদক, বিপ্লব কুমার দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক, রুহি মালাকার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, এ্যাড: আব্দুল হান্নান মিলন, আইন বিষয়ক সম্পাদক, অশোক সাহা শ্যাম, দপ্তর সম্পাদক, মো: ফকরুল ইসলাম, আইটি সম্পাদক, সাঈদ মোল্লা, সহ-আইটি সম্পাদক, বিটু মুন্সি, ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, পারুলী আক্তার, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক, মো: গোলাম কিবরিয়া বিশ্বাস, সদস্য-১, রফিকুল ইসলাম, সদস্য-২, মো: শাহিন মাতুব্বর, সদস্য-৩, সৈয়দ মাহফুজুল হক নবাবজাদা, সদস্য-৪, দিলীপ দাস, সদস্য-৫।
উল্লেখ্য এ আলোচনা সভায় অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন (বিওজেএ) ভাঙ্গা থানা শাখা কমিটি ও এডহক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা এবং নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।




জমে উঠেছে শৌলপাড়া ইউনিয়ন নির্বাচন জনপ্রিয়তায় এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ভাষানী

মোঃ ইমরান খান,শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ-তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে শরীয়তপুর সদর উপজেলা শৌলপাড়া ইউনিয়ন। বিএনপির একক প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগে বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) রয়েছে একাধিক প্রার্থী। নৌকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর চেয়েও এগিয়ে রয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ভাষানী। তিনি দিন রাত চষে বেড়াচ্ছেন ইউনিয়নের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত। ইউনিয়নের ভোটারদের আশা যৌগ্য, সৎ এবং ভালো লোকদেরকে ভোট দিয়ে শৌলপাড়া ইউনিয়নের অভিভাবক হিসেবে বেছে নিবেন তারা। শৌলপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মোঃ ভাষানী খান আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের মাহবুবুর রহমান রাজ্জাক  নৌকা, মোঃ ফজলুল হক (ঘোড়া), ইয়াসিন হাওলাদার (মটরসাইকেল) ও বিএনপির মোহাম্মদ আলী মাদবর (ধানের শীষ) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে প্রচার-প্রচারণা ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন আনারস মার্কার প্রার্থী মোঃ ভাসানী। চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ভাষানী বলেন, শরীয়তপুর জেলার মধ্যে শৌলপাড়া একটি অনুন্নত ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের মূল সমস্যা বিদ্যু। এই বিদ্যুৎ না থাকায় শৌলপাড়া ইউনিয়ন অবহেলিত রয়ে গেছে। বিদ্যুতের কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখায় বিঘœ ঘটছে। সড়কগুলোর বেহাল দশার কারণে যানবাহন যাতায়াতের ঠিক মতো চলাচল করতে পারছেনা। ইউনিয়নে বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে। আমাকে যদি ইউনিয়নবাসী আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে তাদের সেবা করার সুযোগ দেন এবং এই ইউনিয়নের কাজ করার সুযোগ করে দেন তাহলে আমি এ সব সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবো।

শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৬

সাবেক এমপি তোফাজ্জল হোসেন মুকুল মিয়ার মাগফেরাত কামনায় আলফাডাঙ্গায় দোয়া

ফাইল ছবি
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল মিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 
আজ শুক্রবার (৮-৪-১৬) উপজেলা ছাত্রলীগের সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ও উপজেলা যুবলীগের মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনীন এর উদ্দ্যেগে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে জুম্মা বাদ এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মুকুল মিয়া টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি। ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা-মধুখালী-বোয়ালমারী) আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমানের শ্বশুর।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৬

জাতীয়করণ হলো আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ জাতীয়করণ করা হয়েছে। গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংক্রান্ত একটি ফাইলে সই করেছেন। যার স্মারক নং- (৩৭০০৯.০১৮.০৮.২০০.০০১.২০১৩/৬২২)। 

আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজ সূত্র সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছে। 
আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদরে অবস্থিত কলেজটি জাতীয়করণের মধ্য দিয়ে আলফাডাঙ্গাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়িত হলো। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখন থেকে সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা পাবেন। 
তথ্যমতে, আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজটি ১৯৯১ সালে ১ জুলাই উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষাদানের অনুমোদন পায়। ১৯৯৬ সালের  ১ মার্চ এমওপি ভুক্ত হয়। পরে ২০১২ সালের ১ জুলাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষাদানের অনুমতি পায়। 

কলেজটিতে বর্তমানে ৭৩ জন শিক্ষকসহ মোট ৮৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১৭০০। 

আলফাডাঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. মনিরুল হক সিকদার সাংবাদিকদের জানান, ‘সরকার কলেজটি জাতীয়করণ করায় আমরা অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান এর ইচ্ছায় আমাদের কলেজ জাতীয়করণ হয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমানকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই।’

ডামুড্যায় এলজিএসপি প্রকল্পে অনিয়ম কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ অভিযোগ

গোবিন্দ দাস ,শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার দারুল আমান ইউনিয়নে এলজিএসপি-২ প্রকল্পে অনিয়ম কাজ না করে টাকা আত্মসাৎ করায় প্রকল্পের চেক আটক ও ফাইল বন্ধ করে দিয়েছে প্রকল্প কর্মকর্তা।

স্থানীয় ও এলজিএসপি-২ প্রকল্প অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দারুল আমান ইউনিয়নের উত্তর ডামুড্যা কছর আলী বেপারীর বাড়ি সংলগ্ন কালভার্টের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিন্টু শিকদার কালভার্টের কাজ না করে ব্যাংক থেকে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে। তদন্ত শেষে কাজ না করে টাকা উত্তোলনের তথ্য বেড়িয়ে আসলে এলজিএসপি-২ প্রকল্পের ডিএফ মোঃ রোকনুজ্জামান ওই প্রকল্পের চেক জব্ধ করে এবং উত্তোলনকৃত টাকা ডামুড্যা সোনালী ব্যাংক শাখা একাউন্টে জমা দিতে বলেন। চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিন্টু শিকদার টাকা ব্যাংকে জমা দিলেও এখনও প্রকল্পের ওই কালভার্টটির কাজ করেননি। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের এলজিএসপি-২ প্রকল্পের কাজ অন্য উপজেলায় শেষ হলেও ডামুড্যায়  এখনো শুরু হয়নি।

এ বিষয়ে দারুল আমান ইউপি চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিন্টু শিকদার বলেন, উত্তর ডামুড্যায় কালভার্ট না করে অন্য জায়গায় করা হয়েছে।  এ কারণে ডিএফ প্রকল্পের চেক জব্ধ করে নিয়ে গেছে এবং উত্তোলনকৃত টাকা ব্যাংকে জমা দিতে বলেছে। আমি ৫০ হাজার টাকা প্রকল্পের একাউন্টে ব্যাংকে জমা করে দিয়েছি।

এলজিএসপি-২ প্রকল্পের ডিএফ মো ঃ রোকনুজ্জামান বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে দারুল আমান ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ না করায় প্রকল্পের চেক জব্ধ করা হয়েছে। কাজ সম্পন্ন করা হলে চেক ফেরত দেয়া হবে।



বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শংকা

৩১মার্চ বৃহস্পতিবার নির্বাচন-২০১৬
মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈমঃ সরকার দলীয় প্রার্থীদের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ এনে বিএনপির নির্বাচন বর্জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহনের শংকার মধ্য দিয়ে আজ ৩১ মার্চ বৃহস্পতিবার আলফাডাঙ্গা উপজেলার বানা, টগরবন্ধ ও পাচুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সরকার দলীয় লোকজনের বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্র দখলের আশংকা প্রকাশ করেছেন টগরবন্দ ইউনিয়নের আ’লীগ বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ শাহিদুজ্জামান। তিনি গতকাল বুধবার জানান, সরকার দলীয় সমর্থকরা এই ইউনিয়নে পরাজয়ের আশংকায় ভোট কেন্দ্র দখল করে নৌকা প্রতীকে সীল মারার ষড়যন্ত্র করছে। সাধারন ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহিদুজ্জামান ও ইমাম হাসান শিপনের মধ্যে মুল লড়াই হবে। অপরদিকে বানা ইউনিয়নে আ’লীগ প্রার্থী হাদি হুমায়ন কবির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ হারুন-অর-রশিদের সাথে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। পাচুড়িয়া ইউনিয়নে আ’লীগ প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান ও আ’লীগ বিদ্রোহী খালিদ মোশাররফ রঞ্জু, স্বতন্ত্র সাইফুর রহমান ও এমডি আল মামুন মধ্যে চতুর্থমুখী লড়াই হবে। নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করতে তিন ইউনিয়নে দশজন ম্যাজিস্ট্রেট ও মনিটরিং করার জন্য তিন জন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। র‌্যাবের টহল দেওয়ার পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্সের দায়িত্ব পালন করবেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল করিম বলেন, মোট ২৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে বলে ।

মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় বিএনপি প্রার্থীদের নির্বাচন বর্জন

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে প্রার্থীদের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন না হওয়ার আশঙ্কায় এ ঘোষণা দেন তারা।

নির্বাচন বর্জন করা প্রার্থীরা হলেন- টগরবন্দ ইউনিয়নে মো. সাজ্জাদ হোসেন সুজন, পাচুরিয়া ইউনিয়নে মো. শাহীদুর রহমান ও বানা ইউনিয়নে মো. মার্জন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির প্রার্থীরা বলেন, দ্বিতীয় দফায় আগামী ৩১ মার্চ আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের পোস্টার ছিড়ে ফেলা, বিএনপির কর্মীদের মামলা দিয়ে জেল-জরিমানা করানো হবে বলে আ’লীগের নেতা কর্মীরা হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। প্রার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তাহীনতা, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ না হওয়ার আশঙ্কায় তারা নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুস ছালাম, সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আকরামুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক নূর জামাল খশরু, যুগ্ম সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, জিয়া পরিষদের সভাপতি আব্দুল মান্নান, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. মনিরুজ্জান মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম দাউদ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক হোসেন কাজলসহ উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ, ২০১৬

নৌকার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগই,জমে উঠেছে আলফাডাঙ্গায় ইউপি নির্বাচন ,প্রচার প্রচারনায় ভোটারদের দ্বারে প্রার্থীরা

মো. সাইফুর রহমান সাইফার
আল মামুন মিয়া বাদশা
খালিদ মোশারেফ রঞ্জু
এস এম মিজানুর রহমান

মো. হারুন অর রশীদ শরীফ
হাদী হুমায়ুন কবির বাবু

ইমাম হাসান শিপন

শেখ সাহিদুজ্জামান

 মুন্সি মিজানুর রহমান
আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর) ঃ জমে উঠেছে ইউপি নির্বাচন, প্রচার প্রচারনায় দিন রাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে প্রার্থীরা। বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট পাওয়ার আশায় হাট বাজারের এমনকি বাড়িতে বাড়িতে গন সংযোগ করছেন প্রার্থীরা। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চায়ের দোকানে ও গ্রামে মহল্লায় মোড়ে মোড়ে চলছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা। বিভিন্ন প্রার্থীর সর্মথকরা চায়ের দোকানে তাদের প্রার্থী পক্ষে ঝড় তুলছেন। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের ঘাটি। এ উপজেলা থেকে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রায় ৯০% ভোট পেয়ে থাকে। এ নির্বাচনে নৌকার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগই। আওয়ামীলীগের প্রতিপক্ষ বিদ্রোহী আওয়ামীলীগ এবং সতন্ত্র প্রার্থীও আওয়ামীলীগের নেতা। এ উপজেলায় তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ মার্চ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ করার কথা থাকলেও আলফাডাঙ্গা-কে নতুন পৌরসভা ঘোষণা করায় তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিন ছিল বুধবার ২ মার্চ বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত, তিনটি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ২৭ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৯৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। গত ৫ ও ৬ তারিখে নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় বাছাই পর্বে বানা ও পাচুড়িয়া ইউনিয়নে ইসলামি আন্দলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আকবর হোসেন ও মো. আব্দুল হালিম সহ ১ জন মহিলা সদস্য ও ১ জন সাধারন সদস্য মনোনয়ন পত্র বাতিল পরেন। তিন ইউনিয়নে ২৭ টি ওয়ার্ডে ২৭ টি কেন্দ্রে ১১০ টি ভোটকক্ষে(বুথ) ভোট গ্রহন করা হবে।
৪নং টগরবন্দ ইউনিয়ানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন আ’লীগের মুন্সি মিজানুর রহমান(নৌকা), বিএনপির মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (সুজন)(ধানের শীর্ষ), জাতীয় পার্টি’ মো. রুহুল আমিন ভুঁইয়া(লাঙ্গল), আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সাহিদুজ্জামান(আনারস), সতন্ত্র প্রার্থী ইমাম হাসান শিপন(চশমা)। সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ১২ জন ও সাধারণ সদস্য ৩৮ জন।
৫নং বানা ইউনিয়ানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন আ’লীগের প্রার্থী হাদী হুমায়ুন কবির বাবু(নৌকা), বিএনপির প্রার্থী মার্জন(ধানেরশীর্ষ),সতন্ত্র প্রার্থী মো. হারুন অর রশীদ শরীফ(চশমা),গত শুক্রবার ১৮ মার্চ শিরগ্রাম স্কুলে জনসভায় সতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল কাদের তার প্রর্থীতা প্রত্যাহার তরে নিয়ে নৌকার পক্ষে সর্মথন দিয়েছে। মহিলা সংরক্ষিত সদস্য ৮ জন ও সাধারণ সদস্য ২৮ জন ।
৬নং পাচুড়িয়া ইউনিয়ানে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করবেন, আ’লীগের প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান(নৌকা), বিএনপির প্রার্থী শাহিদুর রহমান (পান্নু)(ধানের শীর্ষ), আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খালিদ মোশারেফ (রঞ্জু)(মটর সাইকেল) ও মো. মোমিনুর রহমান(টেলিফোন), স্বতন্ত্র প্রার্থী আল মামুন মিয়া(আনারস) ও মো. সাইফুর রহমান সাইফার(চশমা)। মহিলা সংরক্ষিত সদস্যা ৭ জন ও সাধারণ সদস্য ৩২ জন। এ ব্যাপারে রিটানিং অফিসার বিকাশ কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ইতি মধ্যে ঝুকিপূর্ন কেন্দ্র গুলি বাছাই করা হচ্ছে। নির্বাচন যাতে সুন্দর সুষ্ঠ হয় সে জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১৬

ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সুবল সাহা                     সৈয়দ মাসুদ
ফরিদপুর প্রতিনিধি -: অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সৈয়দ মাসুদ হোসেন। মঙ্গলবার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মধ্যদিয়ে ১১ বছর পর নতুন নেতৃত্ব পেল ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ। শহরের ঐতিহাসিক অম্বিকাপুর ময়দানে অনুষ্ঠিত ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে কমিটির নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। নাম ঘোষণার সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমাদের দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুটি নাম আপনাদের সামনে ঘোষণার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি নাম দুটি ঘোষণা করছি। আশা করছি আপনারা নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে সাদরে গ্রহণ করবেন। কারণ আমাদের দলের প্রধান সবসময়ই বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। অনেক দিন ধরে সম্মেলন না হওয়ায় উষ্মা প্রকাশ করে আশরাফুল ইসলাম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে তো ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হল না। আপনাদের সম্মেলন হচ্ছে ১১ বছর পর। আপনারা চিন্তা করেন কেন হল না। তিনি বলেন,এভাবে যদি ১১ বছর ধরে সম্মেলন না হয় তাহলে কিন্তু সংগঠন শক্তিশালী হয় না। এই জেলার একটা বৈশিষ্ট্য আছে। এই জেলা বঙ্গবন্ধুর জেলা। আপনাদের কাছে অনুরোধ, যেন প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলায় সময়মতো সম্মেলন হয়। সম্মেলন না হলে নেতৃত্ব সৃষ্টি হয় না। আমি আশা করি আগামীতে তিন বছর পরই আবার সম্মেলন হবে। এর আগে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন, সংসদ উপনেতা ও দলের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক এমপি, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রহমান এমপি, এস এম কামাল হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার প্রমুখ। নতুন সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সৈয়দ মাসুদ হোসেন ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। সুবল চন্দ্র সাহা একাধিকবার ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন। দলের দুঃসময়ে তার ভূমিকার কথা সবার মুখে মুখে। সর্বশেষ মেয়র নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন ছিল তার প্রতি। ফরিদপুর পৌরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন । তিনি ছিলেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতিও। এছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কাজ করছেন প্রবীণ এই আইনজীবী।
অন্যদিকে ফরিদপুরের জেলা আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতাদের মধ্যে সৈয়দ মাসুদ হোসেন অন্যতম। তিনি জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে তাকে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সম্মেলনে ৩১৪ জন কাউন্সিলর ও ৩১৪ জন ডেলিগেট অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথি এবং গণমাধ্যম কর্মীরাও ছিলেন।

ভাঙ্গা পৌরসভায় আওয়ামীলীগ প্রার্থী আবু রেজা জয়ী

আবু রেজা মো. ফয়েজ
অশোক সাহা,ভাঙ্গা প্রতিনিধি : ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আবু রেজা মো. ফয়েজ বেসরকারি ভাবে জয়ী হয়েছেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৪০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ¦ী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মুন্সী জগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ১২৪ ভোট। এর আগে শান্তি পূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি সহ মেয়র পদে ৫ জন, ৩৩ জন কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনে ১০ জন নারী কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দি¦তা করেন। ৯ টি ওয়ার্ডে ১৫ টি ভোট কেন্দ্রে ৮১ টি কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হয়। পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৪ হাজার ৬৬২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ হাজার ৩৪০ জন ও নারী ১২ হাজার ৩২২জন।

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১৬

উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারনার অভিযোগ

আলফাডাঙ্গায় নৌকায় আগুন
স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়নে কাপড় ও বাঁশ দিয়ে তৈরী নৌকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। 

গত সোমবার ২১মার্চ গভীর রাতে যোগিবরাট মাদ্রাসার সামনে তিন রাস্তার ওপর টানানো নৌকায় প্রতিপক্ষের লোকজন আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই ইউনিয়নের আ‘লীগ প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান। 

এ ব্যাপারে মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান জালালউদ্দিনের ভাগ্নে আ‘লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী খালিদ মোশাররফ (রঞ্জু) ওই দিন রাতে নৌকায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে আমার ধারণা। এর আগে গত সোমবার তার কর্মী আ‘লীগ সমর্থক পাচুড়িয়া গ্রামের মান্নানকে (৩০) রঞ্জু সমর্থক একই গ্রামের খসরু ও হুমায়ুন বেধড়ক মারপিট করে। থানায় বা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে (মঙ্গলবার) ফরিদপুর জেলা আ‘লীগের সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছি। সন্ধ্যায় ফিরে এসে লিখিত অভিযোগ দিব। 

মিজানুর রহমান আরও বলেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে এলাকায় এসে তার ভাগ্নে বিদ্রোহী প্রার্থী রঞ্জুর পক্ষে ভোটের প্রচারনা চালাচ্ছেন। 

এ সব অভিযোগের ব্যাপারে রঞ্জু বলেন, মিজানুর রহমান টাকা দিয়ে নৌকা প্রতীক কিনে দলের নেতা কর্মীর সমর্থন না পেয়ে তিনি নিজেই নৌকায় আগুন ধরিয়ে দিয়ে দলের নেতা কর্মীদের সহানুভতি আদায়ের ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ভোটের প্রচারণা চালানোর অভিযোগ সম্পূর্ন ভিত্তিহীন। নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে মিজানুর রহমান এসব আবোলতাবোল বকছেন। 

এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল করিম বলেন, (মঙ্গলবার) দুপুর পর্যন্ত তিনি কোন অভিযোগ হাতে পাননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রকাশ কুমার বিশ্বাস বলেন, নৌকা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা মৌখিক ভাবে জানতে পেরেছি। লিখিত কোন অভিযোগ হাতে পাইনি।

সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১৬

বোয়ালমারীর শেখর ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ

বোয়ালমারী প্রতিনিধি ঃ আসন্ন ২৩ এপ্রিলের (তৃতীয় ধাপ) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৮নং শেখর ইউনিয়নে আ’লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আ’লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ। গত রোববার সন্ধ্যায় শেখর কাজী সিরাজুল ইসলাম একাডেমীর সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়ন আ’লীগের এক বর্ধিত সভায় নৌকা মার্কার প্রার্থী হিসেবে আবুল কালামের নাম ঘোষণা করেন এবং প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মীরদাহ পিকুল। ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি এমএন জামালের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক কামরুল চৌধুরীর পরিচালনায় অন্যানের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি আছাদুজ্জামান মিন্টু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুর রহমান বাশার, উপজেলা আ’লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রশান্ত সাহা এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

নির্বাচনী জনসভায় কেন্দ্রীয় নেতা কাজী সিরাজুল ইসলাম----- আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, শেখ হাসিনা আমার অভিভাবক

আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর) ঃ আগামী ৩১ মার্চ আলফাডাঙ্গা ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে আ’লীগের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে সব রকমের সহযোগিতা করতে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি গত শনিবার সন্ধ্যায় শিরগ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শত শত নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে হাত উঁচিয়ে বানা ইউনিয়নের আ’লীগের (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী হাদী হুমায়ুন কবির বাবুর পক্ষে ভোট চান। নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। শেখ হাসিনা আমার অভিভাবক। আ’লীগের সঙ্গে আমার নাড়ির সম্পর্ক। আমি অতিতেও নৌকার মাঝি ছিলাম, এখনো আছি, আগামীতেও নৌকার মাঝি হয়ে বাকি জীবন কাটাতে চাই। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিন। নৌকার প্রার্থীদের বিজয়ে যা কিছু করা দরকার তার জন্য আমি প্রস্তুত আছি। বানা আ’লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান প্রার্থী হাদী হুমায়ন কবিরের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আকরাম হোসেন মিয়া, সাধারন সম্পাদক নুরুল বাসার, যুগ্ম সম্পাদক আহাদুল হাসান আহাদ, আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ সম্পাদক আবদুল¬াহ আল মামুন, বোয়ালমারী উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আকরামুজ্জামান মৃধা রুকু, আ’লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। একই সময় ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) প্রতীকের মোঃ আব্দুল কাদের শেখ নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে নৌকা প্রতীকে সমর্থণ দেন। এ ইউনিয়নের অন্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন মোঃ মার্জান বিএনপি (ধানের শীষ), মোঃ নাজমুল ইসলাম স্বতন্ত্র, (টেলিফোন), মোঃ নজরুল ইসলাম শরীফ স্বতন্ত্র (মটর সাইকেল) এবং মোঃ হারুন অর-রশীদ শরীফ স্বতন্ত্র (চশমা) প্রতীক।


শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৬

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না----------কাজী সিরাজুল ইসলাম

আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর)ঃ- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতো না। স্বাধীনতার মাস মার্চ মাস। এ মাসে দেশের দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করে ছিলেন। যার নেতৃত্ব দিয়ে ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। যারা এদেশের জন্য শহীদ হয়েছেন আমি তাদের আত্বার মাগফেরাত কামনা করি। এ দেশ বর্তমানে পরিচালনা করছেন তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করতে ২০২১ সালকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আপনারা সবাই আওয়ামীলীগের কাজ করে যাবেন। গত শুক্রবার ১৮ মার্চ সন্ধায় বেজিডাঙ্গা কাজী আমেনা ওয়াহেদ উচ্চ বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। উক্ত অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন আলফাডাঙ্গা সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি একেএম আহাদুল হাসান আহাদ। বিশেষ অথিতি ছিলেন আলফাডাঙ্গা কৃষক লীগের আহবায়ক মো. সোলায়মান আহম্মেদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শেখ কোবাদ হোসেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আকরামুজ্জামান রুকু মৃধা, আলফাডাঙ্গা কৃষক লীগের যগ্ন আহবায়ক শেখ দেলোয়ার হোসেন ও শেখ নুরুজ্জামান নুর মিয়া, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান মাসুদ,কাজী নজরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ নেতা কাজী হানিফ, অহিদুজ্জামান মিয়া প্রমূখ। আলোচনা শেষে প্রতিযোগিদের মাঝে পুরস্কার ও সকল শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ বিতরন করেন এবং পরে এক সাংস্কৃতিক সন্ধা আয়োজন করা হয়।

বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র কমিটি গঠন

সাধারণ সম্পাদক কামরুল
সভাপতি কামরুল হক ভূঁইয়াকে
 সাংগঠনিক মুজাহিদ

স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়  দ্বি-বার্ষিক রিপোর্টার্স ইউনিটি’র কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৬-০৩-১৬) সকালে আলফাডাঙ্গায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়।

নব গঠিত কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে দৈনিক নাগরীক দাবীর আলফাডাঙ্গা  প্রতিনিধি আলহাজ্ব মো. কামরুল হক ভূঁইয়াকে সভাপতি, দৈনিক বাংলাদেশ সময়’র আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রতনিধি মো. কামরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা টাইমস ২৪. কম ও দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার আলফাডাঙ্গা  প্রতিনিধি মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম কে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

এছাড়া সহ সভাপতি মো. গোলাম আজম মনির (দৈনিক খবর পত্র), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশীদ (দৈনিক প্রভাত), দপ্তর সম্পাদক ডাঃ ইবাদত হোসেন মোরাদ (দৈনিক সময়ের বাংলা), অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মিয়া (দৈনিক আজকের সংবাদ), মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনীন (দৈনিক ফাতেহাবাদ), সদস্য শাহিনুর রহমান শাহীন (দৈনিক সকালের খবর), মো. তাজমিনুর রহমান তুহিন (আরএনএসবিডি ২৪.কম), মো. রবিউল ইসলাম (সাপ্তাহিক আমাদের আলফাডাঙ্গা), মো. ফারুক হোসেন (সাপ্তাহিক ইদানিং ফরিদপুর) এবং মো. তাইজুল ইসলাম টিটন (সময়২৪.কম)।

শনিবার, ১২ মার্চ, ২০১৬

একজন আদর্শ মানুষ“কাঞ্চন মুন্সী”

মো. সেকেন্দার আলম ঃ-ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার একজন আদর্শ মানুষের নাম “কাঞ্চন মুন্সী”। ফুল যেমন তার সৌন্দর্য, রং আর সূগন্ধে পরিপূর্ণতা পায় ঠিক তেমনি কামারগ্রাম পরিপূণর্তা পেয়েছে তার গুণে। তিনি সুদূর কলকাতা বসে কামারগ্রামবাসীর কথা ভাবতেন। কীভাবে এলাকার মানুষকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা যায়, এলাকার উন্নয়ন করা যায় তিনি এই চিন্তা করতেন। তিনি মানুষকে শুধু স্বপ্ন দেখাননি স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে যা যা করনীয় তা করেছেন। মানুষের পাশে থেকে তাদের দুঃখ কষ্টকে নিজের করে নিয়ে প্রমাণ করেছেন মানুষ মানুষের জন্য। তিনি উপজেলাধীন কামারগ্রামে জন্মেছিলেন বলেই পাশ্ববর্তী অনেক গ্রামের চেয়ে আগেই শিক্ষার আলো ও উন্নয়নের ছোঁয়া এখানে লেগেছিল। কাঞ্চন মুন্সী’র দরূন আজকের কামারগ্রাম গৌরবের সাথে মাথা উঁচু করে দাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, জনদরদী মহান এ পুরুষ ১৮৮০ সালের ৫ই মে আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামারগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ২০ বছর বয়সে কাঞ্চন মুন্সী কাজের সন্ধানে পাড়ি জমান কলকাতায়। কলকাতার পোর্ট শিপিং কোম্পানিতে প্রথম তিনি খালাসীর চাকুরী নেন। পরবর্তীতে তিনি এই পোর্ট শিপিং কোম্পানির ম্যানেজার হন। এই কোম্পানির আরো একটি শাখা এন্ডরোল কোম্পানি। এই এন্ডরোল কোম্পানিরও ম্যানেজার ছিলেন তিনি। কোম্পানিতে কর্মরত অবস্থায় তিনি বেতন পেতেন মাসিক ৫০০ টাকা। এন্ডরোল কোম্পানির ৯০০ ফ্লাট বোট ছিল ও ৪২ খানা তিনতলা জাহাজ ছিল। এই জাহাজ গুলির মালিক ছিলেন চার্লি কিংহাম এবং তার পুত্র কিংহাম এবং প্রধান ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন মিঃ হ্যাজমল। এই জাহাজ গুলি তখন বাংলা আসাম চলাচল করত। এসব জাহাজে কর্মরত ছিল ৩৫ হাজার শ্রমিক। এই ৩৫ হাজার শ্রমিকের বেতন নিতে হত কাঞ্চন মুন্সীর হাত থেকে। এ থেকে বোঝা যায় কতটা সৎ এবং নিষ্ঠাবান হলে এত বড় দায়িত্ব পাওয়া যায়। ইংরেজ সাহেবদের সাথে যোগাযোগ ঠিকমতো করার জন্য ইংরেজি ভাষা জানাটা খুব দরকার ছিল তাই কাঞ্চন মুন্সীর নিজের ইচ্ছাশক্তি ও পরিশ্রমে তা শিখে নেন। কঠোর পরিশ্রম ও চেষ্টার ফলেই তিনি হতে পেরেছিলেন ধনসম্পদের মালিক। এই ধন সম্পদের মালিক হয়ে মুন্সী সাহেব হয়ত নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারতেন কিন্তু সেটা তিনি করেননি। সঞ্চিত অর্থ ব্যয় করেছেন গ্রামের মেহনতি খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে।     কামারগ্রামের মানুষের সেবায় আমৃত্যু নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন কাঞ্চন মুন্সী। অত্র এলাকাকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমী, যা এখনও আলফাডাঙ্গা উপজেলার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। এ স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন এমন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই সরকারের সর্বোচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হয়েছেন। যা এই প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বেরও বটে। পাশাপাশি কামারগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ, জলদীঘি, কবরস্থান স্থাপনসহ তৎকালীন সময়ে তার জাহাজ কোম্পানিতে নিজ এলাকার প্রায় ১ হাজার মানুষকে কে চাকুরী দিয়ে বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করেছেন। আজ থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে তিনি যদি এই অবদান না রাখতেন তাহলে কামারগ্রাম হয়তবা বাংলাদেশের আর দশটা অবহেলিত গ্রামের মতই থেকে যেত। কামারগ্রামে ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারণ করে দাড়িয়ে আছে মুন্সী বাড়ি। এই বাড়ির প্রতিটি ইট-পাথর আর চুন সুড়কীর গাঁয়ে জড়িয়ে আছে কাঞ্চন মুন্সীর স্মৃতি। বাংলা ১৩৩৭ সালে এক একর জমির উপর প্রতিষ্ঠা করেন এই কারুকর্যমন্ডিত দ্বিতল ভবন। এই বাড়িটির মিস্ত্রী ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ। মুন্সী বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে মুন্সী বাড়ি মসজিদ ও পুকুর ঘাট। আর মুল ভবনের সাথে রয়েছে কাচারি ঘর। এই কাচারি ঘরে বসেই মুন্সী সাহেব এলাকার মানুষের সাথে বৈঠক করতেন। শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। কাঞ্চন মুন্সী কলকাতাতেই বেশি থাকতেন। তাই তাঁর জমিদারী তাঁর নায়েব গোমস্তারাই বেশি দেখাশোনা করতেন। বছরের বিভিন্ন সময়ে কলকাতা থেকে মধুমতি নদীর গোপালপুর ঘাটে এসে নামতেন তারপর পালকী অথবা ঘোড়া যোগে বাড়ি আসতেন। কাঞ্চন মুন্সী বাড়ি আসলে মুন্সী বাড়িতে জনসাধারণের ভিড় জমে যেত। কার কী প্রয়োজন সব তিনি শুনতেন আর চেষ্টা করতেন যতটা সম্ভব সাহায্য করার। কাঞ্চন মুন্সী নড়াইলের প্রভাবশালী জমিদার বনবিহারী বাবু এবং গিরিজাবালা সুন্দরীর নিকট থেকে জমিদারী পত্তনী পান।
 কাজের সুবাদেই কাঞ্চন মুন্সীকে কোলকাতা থাকতে হতো। কলকাতার মিশন রোডে মুন হাউস নামে পরিচিত ৭ তলা ভবন রয়েছে এছাড়াও কলকাতাতে আরও অনেক বাড়ি ছিল তাঁর। কলকাতার দম দম রোডের বাড়িতে তিনি স্থায়ী ভাবে বসবাস করতেন। এই বাড়িতে তৎকালীন সময়ের বিখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ আসতেন তাঁর সাথে দেখা করতে।
বাংলাদেশের খুলনা ও ঢাকাতে কাঞ্চন মুন্সীর বাড়ি রয়েছে। ঢাকার শ্রেষ্ঠ বাড়ি “রুপলাল হাউস” তিনি কিনেছিলেন। পরবর্তীতে বাড়িটি তাঁর মেয়েকে দান করে দেন। কাঞ্চন মুন্সী ১৯৪৮ সালে চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তার শেষ ইচ্ছা ছিল কামারগ্রামে থানা প্রতিষ্ঠা করবেন। এই লক্ষ্য বাস্তবাায়নে তিনি ঢাকা যান কিন্তু লক্ষ্য বাস্তবায়নের আগেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ঢাকার রুপলাল হাউসে অবস্থানরত অবস্থায় ১৯৪৯ সালের ৪ জানুয়ারি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর পর তাঁকে বিমান যোগে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতায় শত শত মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কলকাতার গোবরডাঙ্গা গোরস্থানে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। কাঞ্চন মুন্সীর মতো সৎ ধর্মপ্রাণ মানুষ হয়ত আর ফিরে আসবেন না কামারগ্রামের মাটিতে। কিন্তু তাঁর সৃষ্ট অবদানের দরূন মানুষের মধ্যে চিরঅমর হয়ে থাকবেন আজীবন। বর্তমানে কাঞ্চন মুন্সীর নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশন” এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতি বছর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

মাদক ব্যবসায়ী রবি’র ৬ মাসের জেল

বিশেষ প্রতিনিধিঃ-আলফাডাঙ্গার মাদক ব্যবসায়ী রবি ও তার সহযোগী হারুন মোল্ল্যাকে ৬ মাসের জেল দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের। জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রবি’র নিজ বাড়ি নওয়াপাড়া থেকে গাজা সহ হারুন ও রবিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে রবি ও তার সহযোগী হারুন প্রত্যেককে ৬ মাসের জেল দিয়ে ফরিদপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০১৬

আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বাছাই সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার: ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মেধাবীদের সন্ধানে আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা-২০১৬ এর বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপি আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে উক্ত বিদ্যালয়ের এস এস সি ব্যাচ-১৯৯৪’র শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত “স্মৃতিবন্ধু-৯৪” আয়োজিত বাছাইপর্বে  তিনটি বিভাগে মোট ২১ জন প্রতিযোগী ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়েছেন। প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহণ করেন।

বাছাইপর্বে “ক” বিভাগে প্রাইমারী পর্যায় ৭জন,  “খ” বিভাগে মাধ্যমিক পর্যায় ৭জন, “গ” বিভাগে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় ৭জন মোট ২১জন ‘ইয়েস কার্ড’ পেয়েছেন ।
প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আলফাফাডাঙ্গা আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক আলফাডাঙ্গা উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম এইচ এ কে এম রওনক আরা বেগম ও আলফাডাঙ্গা আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা ফরিদা বানু।

অনুষ্ঠানে “স্মৃতিবন্ধু-৯৪”র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বেতার এর সাবেক উপস্থাপক ও আবৃত্তিকার আমেরিকান প্রবাসী মাহ্ফুজুল আলম মাহ্ফুজ, আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজাদুল ইসলাম, সুজন দাশ(ছায়ানট ও কন্ঠশীলন), জনপ্রীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা টাইমস ২৪. কম ও দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, আলফাডাঙ্গার জনপ্রীয় ফেসবুক পেজ “আলফাডাঙ্গা পেজ”র এ্যাডমীন শুভংকর পাল সহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘ইয়েস কার্ড’ প্রাপ্ত প্রতিযোগিদের নিয়ে আগামী ১৯ মার্চ আলফাডাঙ্গা এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে “আলফাডাঙ্গা আন্তঃ উন্মুক্ত কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার মূল পর্ব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

জনপ্রীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল “ঢাকা টাইমস ২৪. কম”, “আলফাডাঙ্গা পেজ” ও মধুমতি মাল্টিমিডিয়া এই প্রতিযোগিতার মিডিয়া পার্টনার।

বুধবার, ২ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন প্রার্থীরা

মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩১ মার্চ। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ করার কথা থাকলেও আলফাডাঙ্গাকে নতুন পৌরসভা ঘোষণা করায় তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
   
আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিন বুধবার বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত তিনটি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাধারণ সদস্য পদে ৯৮ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ২৭ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।
   
৪নং টগরবন্দ ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন, আ’লীগের মুন্সি মিজানুর রহমান, বিএনপির মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (সুজন), জাতীয় পার্টি’র মো. রুহুল আমিন ভুঁইয়া। আ’লীগের বিদ্রহী প্রার্থী শেখ সাহিদুজ্জামান, সতন্ত্র প্রার্থী ইমাম হাসান শিপন। সাধারণ সদস্য ৩৮ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা ১২ জন।
    
৫নং বানা ইউপিতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন, আ’লীগের প্রার্থী হাদী হুমায়ুন কবির, বিএনপির প্রার্থী মার্জন, ইসলামি আন্দলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আকবর হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল ইসলাম, কাজী হারুন অর রশীদ, নজরুল ইসলাম শরীফ, মো. আব্দুল কাদের। সাধারণ সদস্য ২৮ জন ও মহিলা সংরক্ষিত সদস্যা ৮ জন।
    
৬নং পাচুড়িয়া ইউপি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন, আ’লীগের প্রার্থী এস এম মিজানুর রহমান, বিএনপির প্রার্থী শাহিদুর রহমান (পান্নু), ইসলামি আন্দলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আব্দুল হালিম। আ’লীগের বিদ্রহী প্রার্থী খালিদ মোশাররফ (রঞ্জু), মমিনুর রহমান। স্বতন্ত্র প্রার্থী আল মামুন মিয়া, সাইদুর রহমান। সাধারণ সদস্য ৩২ জন, মহিলা সংরক্ষিত সদস্যা ৭ জন।
   
উল্লেখ্য, গত সোমবার আলফাডাঙ্গা পৌরসভা গঠনের প্রস্তাব প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) সভায় অনুমদিত হওয়ায় ১নং বুড়াইচ ইউনিয়ন, ২ নং গোপালপুর ইউনিয়ন ও ৩নং আলফাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬

আলফাডাঙ্গা পৌরসভা অনুমোদন হলো

ঢাকা অফিসঃ- ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদরকে পৌরসভায় উন্নীত করা হয়েছে।
গত সোমবার ২৯ ফ্রেরুয়ারী  প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এ অনুমোদন দিয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সচিব বলেন, ২০১৪ সাল থেকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদর পৌরসভায় উন্নীত হলেও নিকার বৈঠকে সোমবার তা চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া  নিকার বৈঠকে নরসিংদী জেলার সদর থানাধীন মাধবদী তদন্ত কেন্দ্র এবং পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার মহিপুর তদন্ত কেন্দ্রকে থানায় উন্নীত করা হয়েছে।