রবিবার, ৫ মার্চ, ২০১৭

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলফাডাঙ্গায় মানববন্ধন

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে "নারী -পুরুষ সমতায় উন্নয়নের যাত্রা বদলে যাবে বিশ্ব ,কর্মে নতুন মাত্রা " এই প্রতিপাদ্য-কে সামনে রেখে আজ  রবিবার(৫-৩-১৭) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস /২০১৭ উদ্যাপন উপলক্ষে এক মানববন্ধন কর্ম'সূচী পালিত হয় । মানববন্ধনে সার্বিক ব্যবস্থাপনায়  ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাকতী দত্ত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান এ.কে.এম আহাদুল হাসান আহাদ, হাদি হুমায়ন কবীর বাবু, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান সরদার, খান সাইফুল ইসলাম, ইমাম হাসান শিপন ,বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন , উপজেলা পরিষদ সদস্য মর্জিনা বেগম, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা , সামাজিক ও নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রমূখ।

গোপালপুর ইউনিয়ন জনসভায় আব্দুর রহমান এমপি ! বিএনপি জামাত জঙ্গিবাদের শিকড় উৎপাটন করাই আমার শেষ লক্ষ


  বিশেষ প্রতিনিধি ঃ বিএনপি জামাত জঙ্গিবাদের শিকড় উৎপাটন করাই আমার জীবনের শেষ লক্ষ।  বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে না এলে তাদেরকে ভুলের মাশুল দিতে হবে। ‘বিএনপি জানে ওই নির্বাচনে আসলে খালি ব্যালেট বক্স নিয়ে ফিরতে হবে। তাই তারা নির্বাচন কমিশনের পর এবার নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি তুলেছে।’
গত শুক্রবার ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার কামারগ্রাম স্কুল মাঠে এক জনসভায় এ সব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান।
আব্দুর রহমান আরও বলেন, ‘এই দেশের ক্ষমতার পরিবর্তন ব্যালটের মাধ্যমে হবে। অন্য কোনোভাবে হবে না। আগামী দিনে নির্বাচনে না আসলে সেই ভুলের মাশুল আপনাকেই (খালেদা জিয়া) গুণতে হবে। বিএনপি ভেঙে চুড়ে খান খান হয়ে যাবে।’‘আমি আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালীতে কী উন্নয়ন করেছি তা বলবো না। শুধু বলবো, অতীতে ফরিদপুর-১ আসনে যারা নৌকা মার্কা পেয়েছিলেন তারা নৌকা বিক্রি করে দিয়ে আপনাদের পকেট কেটে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে। বেইমানি করে আপনাদের আমানত খেয়ানত করেছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে আপনারা দুই-দুইজন বেইমানকে একই সঙ্গে শাস্তি দেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। একজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। আরেকজন নির্লজ্জের মতো হেরেছিল।’
জনসভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খান বেলায়েত হোসেন, ঢাকাটাইমস ও সাপ্তাহিক এই সময় সম্পাদক আরিফুর রহমান দোলন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক মো. নুরুল হাসান মিয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আকরাম হোসেন, সাধারন সম্পাদক নুরুল বাসার মিয়া,বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান মৃধা পিকুল, মধুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক রেজাইল করিম বকু ,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ.কে.এম আহাদুল হাসান আহাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সোলাইমান হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান হাদি হুমায়ন কবীর বাবু, আলহাজ্ব মিজানুর রহমান সরদার,আঃ ওহাব পান্নু, খান সাইফুল ইসলাম, ইমাম হাসান শিপন ,ফরিদপুর জেলা পরিষদ সদস্য শেখ শহীদুল ইসলাম,মহিলা সদস্য মোসা. বিউটি বেগম, গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম মিন্টু,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রানা,সাধারন সম্পাদক সাইফার,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজান সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান ইকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সহ- দপ্তর সম্পাদক হিটান্ত ঘোষ। এ জনসভার আয়োজন করে ২নং গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ।

সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আলফাডাঙ্গায় উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের শুভ উদ্ধোধন


আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের বহুতল বিশিষ্ট উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের শুভ উদ্ধোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ফরিদপুর -১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান। গত সোমবার দুপুরে (২৭-২-১৭) উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। উক্ত ভবন ও একটি হল রুম মেসার্স আতিয়ার রহমান ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে মোট ৪ কোটি ২০ লক্ষ ৪৬ হাজার ৮২৬ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করেন। এ সময় উপস্থিত আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন, বোয়ালমারী সহকারী ভূমি কমিশনার নাইমা আফরোজ ইমা, আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, সাধারন সম্পাদক নুরুল বাসার মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক  ও ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাচান আহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীন, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য মোসা. বিউটি বেগম, যুবলীগের সভাপতি আহসান উদ্দৌলা রানা, সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফার, যুবলীগের মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনিন, ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান, সাধারন সম্পাদক তৌকির আহম্মেদ ডালিম, মহিলা নের্তী মোসা. শিল্পী বেগম প্রমূখ। এ সময় ইউপি চেয়াম্যান, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা , উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মী, যুবলীগ-ছাত্রলীগ ও সাংবাদিক বৃন্দ।

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

তোপের মুখে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটি ! আলফাডাঙ্গায় অভিযুক্ত কমিটি দিয়ে চলছে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় অভিযুক্ত কমিটি দিয়ে চলছে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের কাজ। ডাকযোগে ভুয়া নাম ঠিকানা ব্যবহার করে প্রকৃত চারশত মুক্তিযোদ্ধাদের নামে কে বা কারা তিনটি ভিত্তিহীন অভিযোগ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর । বাদীর উপস্থিতি ছাড়া উক্ত অভিযোগ গুলো আমলে এনে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইউএনও অফিস সুত্রে জানা যায়, এস.এম মুজিবুর রহমান সভাপতি,উপজেলা নির্বাহী অফিসার সদস্য সচিব, ফরিদপুর জেলা ইউনিট কমান্ড সদস্য আবুল হোসেন ও আমিনুর রহমান ফরিদ, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়(মুবিম) প্রতিনিধি সদস্য উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস.এম আকরাম হোসেন, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সেলের প্রতিনিধি সদস্য আবু হোসেন তালুকদার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল(জামুকা) প্রতিনিধি সদস্য মোঃ গোলাম সফি-কে আলফাডাঙ্গা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটি নিযুক্ত করা হয়েছে।
সারা দেশের ন্যায় আলফাডাঙ্গায় গত ২৮ জানুয়ারী শনিবার মুক্তিযোদ্ধাদের  যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু হয়। যাদের নাম শুধুমাত্র গেজেটে তালিকা ভুক্ত ও সাময়িক সনদ আছে এবং যারা নতুন তালিকাভুক্তির জন্য অনলাইনে ও সরাসরি আবেদন করেছেন তাদেরকে বেশ কিছুদিন যাবৎ উপজেলা হল রুমে ৬টি ইউনিয়ন পর্যায় ক্রমে যাচাই বাছাই এর কাজ শেষ পর্যায়। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা মহলে শুরু হয়েছে লেনদেন সহ নানা বিধি দৌড় ঝাপ। যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রথমে ৭ জন থাকলেও পরে আরও একজনকে অন্তভুক্ত করেন জামুকা। যাচাই বাছাই কমিটির ৮জনের মধ্যে এস.এম আকরাম হোসেন, আবু হোসেন তালুকদার, মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, মোঃ গোলাম সফি সংশ্লিষ্ট উপজেলার চার জনের নামে অভিযোগ রয়েছে। মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা থাকা সত্তেও দেখা যায় ,যাদের নাম লাল মুক্তিবার্তা ও ভারতীয় তালিকায় রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে নাম মাত্র ভিত্তিহীন অভিযোগ আমলে এনে যাচাই-বাছাই এর অন্তভুক্ত করে একাধীক তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই বাছাই কমিটির সদস্য সচিব স্বাক্ষরিত নোর্টিশ এর মাধ্যমে ডেকে উপজেলা হলরুমে গণশুনানী করেছেন। যাচাই বাছাই কমিটি উক্ত গণশুনানী করেও ক্ষান্তহননী বরং একই অভিযোগের ভিত্তিতেই উক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের অনলাইনের আবেদন ফরম সহ তিনটি ফরম নতুন করে পূরণ করে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এতে উপজেলার শতশত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বার বার হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলে আজ শনিবার দুপুরে উপজেলা চত্ত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধারা উক্ত যাচাই বাছাই কমিটির বিরুদ্ধে নানা বিধ অভিযোগ ও অনিয়মের কথা সাংবাদিকদের নিকট তুলে ধরেন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধের তোপের মুখে পরেন যাচাই বাছাই কমিটি। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এম জালাল উদ্দিন ,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুকিবুল হাসান পুটু মিয়া সহ কয়েক জন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধি হিসাবে যাচাই বাছাই কমিটির সঙ্গে এক জররী সভায় মতবিনিময় করেন।
কমিটিতে অভিযুক্ত চার সদস্যকে দিয়ে চলছে যাচাই বাছাই এ বিষয়ে জানতে চাইলে  কমিটির সভাপতি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম মজিবার রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গণশুনানী দিয়ে অভিযোগকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের কলক্ষমুক্ত করা হলো। অভিযুক্তদের বিষয় আমাকে সদস্য সচিব যাচাই বাছাই শুরু হওয়ার পরে জানিয়েছেন। আগে জানতে পারলে তাদের নিয়ে যাচাই বাছাই করতাম না। তবে ভাতা প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নোর্টিশ করে ডেকে এনে আনুষ্ঠানিক শোনানিতে সংঙ্কচ বোধ করছেন তিনি।
এ ব্যাপারে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুকিবুল হাসান পুটু মিয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ডেকে অযথা হয়রানী করছেন। এটি মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননার শামিল। তিনি যাচাই বাছাই কমিটির প্রতি আহবান জানান যেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা আর কোন হয়রানীর শিক্রা না হন।
সমাবেশ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদত হোসেন বালা সহ একাধীক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ এনেছে তারা কেউ হাজির নেই, এমনকি অভিযোগ কারিরা বিষয়টি জানেন না, কে বা কাহারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নামে অভিযোগ দিয়েছেন তাদেরও কোন সন্ধান নেই। আমাদের নামের সাথে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির চার জনের নামে অভিযোগ থাকা সত্তেও তারা যাচাই-বাছাই কমিটিতে রয়েছে কিভাবে ? উক্ত বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(অতিরিক্ত দায়িত্ব) রওশন আরা পলি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী তাদের যাচাই বাছাই করা হবে এবং কমিটিতে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত কারীদের বিষয় উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

আমাদের আলফাডাঙ্গা প্রকাশ ২০-২-১৭ইং





ওয়াবদার জায়গা রক্ষা করলেন ডিসি

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ বাঁচাও নদী, বাঁচাও মানুষ,বাঁচাও দেশ  এই শ্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা রক্ষা করলেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া। আজ সোমবার(২০-২-১৭) ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুড়িয়া ইউনিয়রে বেড়ীর হাট বাজার সংলগ্ন ওয়াবদার খাল এর উপর বেআইনি ভাবে দখল করে আর.সি.সি পাকা পিলার দিয়ে তৈরি করে অবৈধ ভাবে দোকনঘর ভবন নিমার্ণের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার(অতিরিক্ত দায়িত্ব) রওশন আরা পলি-কে পাঠিয়ে ওয়াবদার জায়গা রক্ষা করেন জেলা প্রশাসক।
জানা যায়, উপজেলাধীন বেড়িরহাট বাজারে বানা থেকে যোগিবরাট মেইন রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ওয়াবদার সরকারী খাল। খালের পাড় দিয়ে বাজার সংলগ্ন জায়গায় এলাকার কিছু অসাধু ব্যক্তিগণ অবৈধ ভাবে খালটি দখল করে নিচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সরকারী জায়গা দখলের মহা উৎসব চলছে। স্থানীয় প্রভাবশালী  ধুলজুড়ী গ্রামের দাউদ হোসেন, আনন্দ ডাক্তার,নিরঞ্জন , কিরণ দজি, আমিনুর সরদার ,মান্নান গাজি ,আইযুব খান , হালিম খান ও ফজর মিয়া গং ৭/৮টি দোকান ঘর অবৈধ ভাবে নির্মাণ করছেন। জানতে চাইলে দাউদ হোসেন বলেন, উক্ত খালেতে আরও অনেক ঘর অবৈধ আছে। সেই গুলী আগে বন্ধ করেন তার পর আমাদের ঘরের কাজ বন্ধ হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার(অতিরিক্ত দায়িত্ব) রওশন আরা পলি বলেন, খালের মধ্যে সরকারী জায়গায় অবৈধ ভাবে ঘর উত্তেলন করতে ছিল। খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে ঘর তোলার কাজ বন্ধ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যাক্তি সাংবাদিকদের বলেন, মান্নান গাছিদের ঘরের কাজ বন্ধ করেছে ইউএনও কিন্তু আলফাডাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাই দাউদ হোসেন এর ঘরের কাজ এখনও চলছে।

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

গৃহবধূ নির্যাতন ! হাতের মেহেদীর রঙ মুছতে না মুছতেই লাশ হতে হলো শান্তকে

ইনসানা আক্তার শান্ত
প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা  ঃ সবে মাত্র কলেজের প্রথম ধাপ পাড় করলো ইনসানা আক্তার শান্ত। কলেজ পড়–য়া শান্ত (১৯)  কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছে। মেহেদীর রঙ মুছতে না মুছতেই লাশ হতে হলো তাকে। নিষ্ঠুর স্বামীর পরিবারের নির্যাতনের শিকার থেকে রেহাই পেলনা শান্ত। স্বামী জয়নুলের বহু বিবাহের কথা জানতে পেরে ও তার পিতা দাউদ খানের অবৈধ সর্ম্পকের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শেষ পযর্ন্ত লম্পট শশুড়, শাশুড়ি ও তার পরিবারের সদস্যরা পরিকল্পিত ভাবে শান্তকে পৃথিবী থেকে বিদায় করে দিল। আজ মঙ্গলবার (১৪-২-১৭) সন্ধায় শান্তর লাশ তার শশুড় বাড়ি থেকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ। নববধু শান্তর মৃত্যুর খবর শুনে তার পিতার বাড়ি বান্দু গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। কলেজের  সহপাটি ও আত্বীয় সজনদের কান্নায় বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। শান্তর পিতা ওয়াদুদ মোল্লা সাংবাদিকদের দেখে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মেয়েকে ওরা মেরে ঘরের বারান্দায় সিলিং ফেনের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাস লাগাইয়া ঝুলাই রেখেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নে জয়দেপুর গ্রামের লম্পট দাউদ খানের পুত্র জয়নুল খানের সাথে পারিবারিক ভাবে গত ৩১ জানুয়ারী ১৭ ইং তারিখে বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নে বান্দু গ্রামের ওয়াদুদ মোল্যার মেয়ে শান্তর বিবাহ হয়। বিবাহের পর শান্ত জানতে পারে তার শশুড়ের তিন বিবাহ এবং স্বামী জয়নালের পঞ্চম বিবাহ নববধু সে। চাকুরির সুবাধে বিবাহের ২ দিন পর স্বামী শান্তকে জয়দেবপুর নিজ বাড়িতে রেখে চলে যান ঢাকায় কর্মস্থলে। জয়নুল বাড়িতে এলেও পিতার বাড়িতে মেলানী করা হলো না তার। বিবাহের মাত্র ১৫ দিনের মাথায় স্বামীর বাড়িতে লাশ হতে হয় শান্তকে। অন্য দিকে শান্তর শশুর দাউদ খান বলেন, তার নবগৃহবধু আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে জন্য ফরিদপুরে প্ররণ করেছে ।
এ বিষয় শান্তর পিতা মো.ওয়াদুদ মোল্লা বাদী হয়ে মো. দাউদ খান (৫৫), পারভিন বেগম (৪০), জয়নুল খান (৩২), ফয়সাল খান (২৭) ও সিদ্দিকুর রহমান (৪০) এর নামে আলফাডাঙ্গা থানায় হত্যার অভিযোগ দায়ের করেন।
চানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে। ময়না তদন্ত রির্পোট আসলে হত্যা মামলা হলে হত্যা মামলা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

প্রতিপক্ষের হামলায় আলফাডাঙ্গায় নৌ-বাহিনী অফিসারের বাড়িতে ভাংচুর

আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি ঃ আলফাডাঙ্গায় জমিজমা বিরোধের জেরে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর অফিসারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকটি ঘরবাড়ি ভাংচুর সহ তার  ভাইকে আহত করেছে প্রতিপক্ষ দল। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছেন। পরিস্থিতি এখন নিয়নন্ত্রে। তার মাতা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া গ্রামে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী পেটি(সিডি) অফিসার মো. নাজমুল হাসান এর বাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকটি ঘরবাড়ি ভাংচুর করে উক্ত গ্রামের মো. মিজানুর রহমান গ্রুপের লোকজন। এ সময় অফিসার নাজমুল এর ভাই কৃষক মাসুদ বাধা দিলে তাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুত্বর আহত করে। পরে আহত মাসুদকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯ টায় ১০-১২জনের একটি সশস্ত্রদল অফিসার নাজমুল শেখ, পলাশ শেখ, বাবুল শেখ, আরচু আলী মীর, বাকা মিয়া, ইদ্রিস মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস, ছরোয়ার মিয়ার বাড়ি ভাংচুর করে বাধা দেওয়ায় মাসুদকে বিপক্ষের লোকজন আহত করে।পরে উক্ত ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পালটা ধাওয়া হয়। তাতে মিজানুর রহমান আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে আটক করে কোর্টে পাঠিয়েছে। আটককৃতরা হলো মশিয়ার রহমান(২৭),জুয়েল (৩৫),জব্বার (৪০),রইচ উদ্দিন(৩৭) ও ইয়ানুর(২৮)। এ ব্যাপারে নাজমুলের মাতা বাদি হয়ে থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে।
এ বিষয় বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর অফিসার মো. নাজমুল হাসান ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকটি ঘরবাড়ি ভাংচুর করে একই গ্রামের মো. মিজানুর রহমান গ্রুপের লোকজন। বাধা দিলে আমার বড় ভাই মাসুদকে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
বিষয়টি মিজানুর রহমান অস্বিকার করে বলেন, আমাদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে বিরোধ।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, উক্ত ঘটনা জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল, ওই এলাকায় শান্তির জন্য ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে আটক করে কোর্টে পাঠানো হয়েছে ।

বোয়ালমারীতে আব্দুর রহমান এমপিকে সংবর্ধনা

বোয়ালমারী প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্¥ সাধারন সম্পাদক নির্বচিত হওয়ায় মো. আব্দুর রহমান এমপিকে আজ শনিবার  ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। নাগরিক কমিটির ব্যানারে আওয়ামী লীগের একাংশ এ সংবর্ধনা প্রদান করে। উপজেলা আওয়মী লীগের সহসভাপতি ও নাগরিক কমিটির আহবায়ক জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নেন তিনি তা বাস্তবায়ন করেন। ড. ইউনুস, বিএনপি, জামায়াতের কথা শুনে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক পদ্মা সেতুর টাকা ফেরত নিয়েছিলেন। বিশ্ব ব্যাংককে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ করছেন। আগামী নির্বাচন শতভাগ অবাধ, সুষ্টু ও নিরপেক্ষ হবে। বিএনপি নির্বাচনে না এলে তাদেও অস্তিত্ব বিলিন হয়ে যাবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব শাহজাহান মীরদাহ পিকুলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে  বক্তব্য রাখেন বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, খালিদ মাহামুদ এমপি, আবু সাইদ আল মাহামুদ স্বপন এমপি, এসএম কামাল, মো. দেলোয়ার হোসেন, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. দিলিপ রায় প্রমুখ। আলফাডাঙ্গা উপজেলা থেকে উক্ত অনুষ্ঠানে আলফাডাঙ্গা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাসান আহাদ, কৃষক লীগের কেন্দীয় কমিটিরি সদস্য জামাল হোসেন মুন্না,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আহসান-উদ্দৌলাহ রানা,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান ও ইউপি চেয়ারম্যানদের নেতৃত্বে ৩/৪শত মটর সাইকেল বহর নিয়ে যোগদেন।  সংবর্ধনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন কওে আখি আলমগির, রিংকু, আকাশ, আকবর প্রমুখ শিল্পিবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৭

বন্ধু উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফ্রি-ব্লাড গ্রুপিং অনুষ্ঠিত

বক্তব্যদেন খান মোহাম্মদ রেজোয়ান।
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ আলফাডাঙ্গা উপজেলায় পাড়াগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হেলেঞ্চা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গত ২৫ ও ২৬ জানুয়ারী বুধ ও বৃহস্পতিবার “এসো আলোকিত সমাজ গড়ি” এই শে¬াগানকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফ্রি-ব¬াড গ্রুপিং ও ডেন্টাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। বন্ধু উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ঢাকা ডেন্টাল কলেজের সন্ধাণী ইউনিটের সহযোগিতায় সকাল ১০টায় উক্ত ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাড়াগ্রাম বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যদেন বন্ধু উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সভাপতি ও ডেপুটি কমিশনার পিওএম ঢাকা নর্থ এর ডিএমপি খান মোহাম্মদ রেজোয়ান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম.এইচ.এ.কে.এম রওনক আরা বেগম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যদেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান। অন্যন্য’র মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্ধু উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের আজিবন সদস্য আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও বাজার বণিক সমিতির সাধারন সম্পাদক আব্দুল মান্নান আব্বাস, আজিবন সদস্য মোঃ আজিজুর রহমান দুলাল ও মোঃ মাহামুদুল হাসান,সাবেক ইউপি সদস্য হাজী মুনছুর মোল্যা, সাবেক প্রধান শিক্ষক হাজী ওবায়দুর রহমান, ও ম্যানেজিং কমিটির সহÑসভাপতি মোঃ আবুল বাশার মিয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আবদুল হালিম মিয়া। অনুষ্ঠানের উদ্যক্তা  ছিলেন মোঃ মনিরুজ্জামান শিমুল ও শেখ আনিছুর রহমান। ১০ সদস্য’র মেডিকেল টিমের নেতৃত্বদেন ইউনিট উপদেষ্টা মোঃ রায়হান উদ্দিন, ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ইউনিট সন্ধানীর সাধারণ সম্পাদক দিলরুবা নওশিন দোলন উপস্থিত ছিলেন। উক্ত দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ ৪ শতজনকে এ সহয়তা দেয়া হয়।

মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৭

সোমবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৭

সবাই মিলে আলফাডাঙ্গাকে মডেল উপজেলা গড়ে তুলতে হবে ---জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ সবাই মিলে আলফাডাঙ্গা কে মডেল উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তা , জন প্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সূধীজন সহ উপস্থিত সকলকে যায় যায় দায়িত্ব পালনে আহবান করেন, সবাই মিলে জনগনকে সঠিক সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে বলেন এবং অনুরোধ করেন আসুন সেবা দিয়েই আলফাডাঙ্গাকে বদলে দেই। আজ ২৩ জানুয়ারী সোমবার দুপুর ২টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে ইনোভিশন কার্যক্রম, আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নমূলক আলোচনা সভায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া এ সব কথা বলেন। সরকারী সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল যুগে ফাকি দেওয়ার কোন সুযোগ নেই, সরকারের দেওয়া কাজকে সেবা হিসাবে জনগনের দারপ্রান্তে পৌছে দিতে হবে। তিনি শিক্ষকদের প্রতি সঠিক শিক্ষা প্রদান করতে আহবান জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার(অঃদাঃ) রওশন আরা পলি সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম.এম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ ও থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান । এ সময় অন্যান্য’দের মধ্যে বক্তব্যদেন বোয়ালমারী সহকারী কমিশনার(ভূমি) নাইমা আফরোজ ইমা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম তালুকদার, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাসান আহাদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আঃ কুদ্দুস খান ,উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ দেলোয়ার হোসেন,আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম সহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান,সূধীজন ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৭

শেখ হাসিনা যতদিন আছে ততদিন আমি তার সাথে থাকবো ---যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান


বিশেষ প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান বলেন, জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছে আমি ততদিন তার সাথে থাকবো। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ এখন ডিজিটালের দেশ হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের মধ্যে উন্নত দেশ হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ দেশ এখন সব দিকে সয়ংসম্পূর্ন্ন। গত শুক্রবার ২০ জানুয়ারী সন্ধার পরে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।  এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা কোন দলের নয়, তারা এ দেশের জন্য কাজ করে। তাদের নিরপেক্ষ লিখনী দিয়ে দেশ ও জাতিকে সঠিক তথ্য তুলে ধরে। তারাও এ দেশের নাগরিক। আমি তাদের সব সময় পাশে থাকবো।
মতবিনিময় সভায় আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত কমিটিকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন তিনি। এ সময় মধুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. রিজাইল ইসলাম বকু,আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম, সাধারন সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সহ-সভাপতি খান আসাদুজ্জামান টুনু,অর্থ সম্পাদক মো. শাহারিয়ার হোসেন ,সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম,প্রচার সম্পাদক হারান মিত্র, সমাজ কল্যান সম্পাদক মিয়া মো. মুরাদ হোসেন, কার্যকরী সদস্য এস.এম কোবাদ হোসেন, মো. বাশারুল বারী, তৈয়বুর রহমান কিশোর, মো. ইকবাল হোসেন প্রমূখ।

বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৭

সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির নেতৃত্বে আলফাডাঙ্গায় সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় সাংবাদিক গুরুত্বর আহত! প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টা

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর)ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় গুরুত্ব আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক দিনকালের আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি মো. শাহারিয়ার হোসেন। এ সময় এক দল সন্ত্রাসী বাহিনী প্রেসক্লাব দখল করার চেষ্টা করে।
সরেজমিনে জানা যায়,আজ বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী বিকাল ৪টার সময় উপজেলার কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ প্রেসক্লাবে বসে সংবাদ পাঠানো কাজে নিয়জিত থাকেন। এ সময় উপজেলা সেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি এনায়েত হোসেনের নেতৃীত্বে সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান আন্তজেলা জেলা ডাকাত দলের সরদার বিভিন্ন জেলার  একাধীক উপজেলার মামলার আসামী মিজান ডাকাত,বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়ন সেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি কামরুল হক ভূইয়া সহ ১৫/১৬ জনের একটি বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে প্রেসক্লাব দখল নেওয়ার চেষ্টা করে এবং প্রেসক্লাবের মালামাল ভাংচুর করার চেষ্টা কালে প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম,সাধারন সম্পাদক আলমগীর কবির,কোষাধ্যক্ষ মো. শাহারিয়ার হোসেন,প্রচার সম্পাদক হারান মিত্র সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা বাধাদিলে উক্ত সন্ত্রাসী বাহিনীরা হামলা চালালে প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও দৈনিক দিনকালের আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি মো. শাহারিয়ার হোসেন গুরুত্ব আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে প্রেসক্লাবের সভাপতি থানার মোবাইল নম্বরে(০১৭১৩৩৭৩৫৫৯) ফোন করে ওসি’র সঙ্গে কথা বললেও তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থালে পুলিশ পাঠান নাই এবং এ ব্যাপারে তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নাই।
এ বিষয় তাৎক্ষনিক ভাবে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে এক জররী প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। প্রতিবাদ সভায় সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা যানো হয় এবং শুক্রবার সকাল ১১ টায় বাজার চৌরাস্তায় উক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবীতে এক মানব বন্ধন কর্মসূচী গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল ইসলাম পিকুল,কাশিয়ানী,বোয়ালমারী,মধুখালী,সালথা,নগরকান্দা,ভাঙ্গা,সদরপুর,চরভদ্রসন,লোহাগড়া, প্রেসক্লাবের সভাপতি-সম্পাদক এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

বুধবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৭

মালা শহীদ আসাদুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সম্পূন্ন

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ আলফাডাঙ্গা উপজেলাধীন মালা শহীদ আসাদুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য নির্বাচন আজ ১৮ জানুয়ারী বুধবার সুন্দর পরিবেশে সম্পূন্ন হয়েছে। সকাল ৯টা হতে  বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহন চলে। এ নির্বাচনে পুরুষ সদস্য পদে ৭জন ও মহিলা সদস্য পদে ২জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। নির্বাচনে ২৯০ জন ভোটারে মধ্যে ২৮০ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন,মো. রবিউল শেখ পেয়েছে ১৭৫ ভোট,জামাল শেখ ১৬৯ ভোট,সিরাজুল ইসলাম খান ১২৮ ভোট,মফিজুল ইসলাম রেন্টু পেয়েছেন ১২৬ ভোট। অপর দিকে মহিলা সদস্য পদে কুলসুম বেগম পেয়েছেন ১৬৫ ভোট,তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খুকুমনি পেয়েছেন ৮৬ ভোট। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোসা. মাহাফুজা বেগম।



আরিফুজ্জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ আলফাডাঙ্গা সদরে অবস্থিত আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২ দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করা হয়। আজ বুধবার ১৮ জানুয়ারী সকাল ৮টায় বিদ্যালয়ের মাঠে জাতীয় পতাকা ও ক্রীড়া পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন শিক্ষা বিভাগের নিরীক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সৈয়দ জাফর আলী। অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এস.এম.আকরাম হোসেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম,এস.এম শহিদুল ইসলাম, হোসনেয়ারা, এম,এম মহিউদ্দিন আহম্মেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক আবুল বাশার শেখ। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আজাদুল ইসলাম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক এ,এম,এম মোস্তাফিজুর রহমান।




মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৭

উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছো

মো. তাইজুল ইসলাম ঃ গত ১৮ জানুয়ারী সকাল ১১ টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত নতুন পূর্নাঙ্গ কমিটি ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নেন বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (আলফাডাঙ্গা উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্ব) রওশোন আরা পলিকে। এ সময় প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম,সাধারন সম্পাদক আলমগীর কবির, উপজেলা আওয়ামীলীগের মহিলা সম্পাদিকা নারী নেত্রী সুফিয়া বেগম রোজি , উপজেলা যুবলীগের মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনীন সহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্য বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৭

আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টারঃ  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দৈনিক ভোরের পাতার প্রতিনিধি মো. সেকেন্দার আলমকে সভাপতি ও দৈনিক খবরের মো. আলমগীর কবিরকে সাধারন সম্পাদক করে ২ বছরের জন্য আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের ২৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

শুক্রবার উপজেলার কলেজ রোডের ১৯৮৫ সালে স্থাপিত প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে সকাল ১০টার দিকে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি খান আসাদুজ্জামান টুনুর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ সমযের প্রতিনিধি মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় দ্বিবার্ষিক সাধারন সভায় কন্ঠ ভোটের মাধ্যমে এ কমিটি গঠন করা হয়।  

অনান্য পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, সহ-সভাপতি খান আসাদুজ্জামান টুনু (আমাদের আলফাডাঙ্গা) ও আব্দুল মান্নান আব্বাস (দৈনিক ইনকিলাব), যুগ্ম সম্পাদক গোলাম আজম মনির  (খবর পত্র), অর্থ সম্পাদক মো. শাহারিয়ার হোসেন (দৈনিক দিনকাল), দপ্তর সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলাম নাঈম (ঢাকা টাইমস), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম (বাংলাদেশ সময়), প্রচার সম্পাদক হারান মিত্র (সময়ের ভাবনা), ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল ইসলাম (আমাদের আলফাডাঙ্গা), সাহিত্য সম্পাদক ইবাদত হোসেন (সময়ের বাংলা), সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন ( দৈনিক ঠিকানা), সমাজ কল্যান সম্পাদক মিয়া মো. মুরাদ হোসেন (আলোর জগত), আন্তর্জাতিক সম্পাদক আজিজুর রহমান দুলাল (দৈনিক কুমার), আইন সম্পাদক অ্যাড. মিরাজ শরীফ (অপরাধ চক্র), কার্যকরী সদস্য এসএম কোবাদ হোসেন (নয়া দিগন্ত), সেলিম রেজা লিপন (যুগান্তর), কাজী আমিনুল ইসলাম (সমকাল), এসএম শফিকুল ইসলাম (ভোরের আলো), মো. বাশারুল বারী (এশীয়া বাণী), তৈয়বুর রহমান কিশোর (আলোকিত সময়), তাইজুল ইসলাম টিটন (বাংলার নয়ন), এটিএম মুন্নু মিয়া (নাগরিক বার্তা), তাজমিনুর রহমান তুহিন(সময়২৪), অয়ন কুমার বিশ্বাস (কালের বাণী) ও মো. ইকবাল হোসেন (সাপ্তাহিক রোববার)।


সোমবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৭

তিনদিন ব্যাপি উন্নয়ন মেলা উদ্বোধন

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে  আজ  সোমবার (৯-১-১৭) দুপুর ২টায় তিনদিন ব্যাপি উন্নয়ন মেলা শুভ উদ্বোধন করা হয়। এ সময় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা চত্ত্বর থেকে বের হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। র‌্যালি শেষে উপজেলা শহীদ মিনার চত্ত্বরে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্স প্রজেক্টর এর মাধ্যমে হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিত্বিতে দেখানো হয়। মেলায় বর্তমান সরকারের উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড এবং বিভিন্ন উন্নয়নের তথ্য তুলে ধরে উপজেলা চত্ত্বরে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর , শিক্ষা ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মোট ৪০টি স্টল করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম.এম জালাল উদ্দিন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. নুরুল বাসার মিয়া,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ.কে.এম আহাদুল হাচান আহাদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান,জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য মোসা. বিউটি বেগম, যুবলীগের মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা নাজনীন ,আমাদের আলফাডাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক মো. সেকেন্দার আলম সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠিানে প্রধান,সরকারী দপ্তরের প্রধান,শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বৃন্দ, রাজনৈতিক নেতা কর্মি, সুশিল সমাজ এবং সাংবাদিক বৃন্দ।

সোমবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৭

আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের ব্যক্তিগত অফিস উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সাধারন সম্পাদক মো. নুরুল বাসার মিয়ার ব্যক্তিগত অফিস গত সোমবার সন্ধার পর পোস্ট অফিসের সামনে শুভ উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. নুরুল বাসার মিয়া, যুগ্ন সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান একেএম আহাদুল হাচান আহাদ, দপ্তর সম্পাদক ও টগরবন্ধ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন, গোপালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহীদুল ইসলাম মিন্টু, বুড়াইচ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আওয়াল ফকির, সাধারন সম্পাদক মো. আমির হোসেন, আলফাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ নুর ইসলাম,বানা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. জাহাঙ্গির হোসেন প্রমূখ।

বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় জমে উঠেছে জেলা পরিষদ নির্বাচন! প্রার্থীদের ত্রিমূখী লড়াই

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ জমে উঠেছে আসন্ন ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন। এ বারই প্রথম বারের মতো হতে যাচ্ছে জেলা পরিষদ নির্বাচন। শুধু মাত্র ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ একক ভাবে নির্বাচন করছে, যার ফলে লড়াই হচ্ছে নিজেদের সঙ্গে নিজেদের। নির্বাচনে সদস্য পদে তিন জন প্রার্থী জয়ের লক্ষে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রার্থীরা জনপ্রতিনিধিদের সাথে কুশল বিনিময়, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছে। উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ আ.লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা যার যার প্রার্থীর পক্ষে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ও মহিলা সংরক্ষিত আসনের সদস্যবৃন্দদের নিকট ভোট প্রার্থনা করছেন। এ নির্বাচনে সদস্য পদে আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রার্থীদের (২২ ডিসেম্বর পযর্ন্ত) জরিপ অনুযায়ী ত্রিমূখী লড়াই হবে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রতিনিধিরা। ফরিদপুর জেলার ৮নং ওয়ার্ড নির্বাচনী এলাকা হচ্ছে আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ, গোপালপুর, আলফাডাঙ্গা, টগরবন্ধ, বানা, পাচুড়িয়া ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত একটি ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. নুরুল বাসার মিয়া(তালা), উপজেলা যুবলীগের সদস্য যুবনেতা এ.কে.এম জাহিদুল হাচান জাহিদ(টিউবওয়েল), সাবেক ছাত্রনেতা কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শেখ শহীদুল ইসলাম শহীদ(হাতি) এবং মহিলা সংরক্ষিত আসনে সদস্য পদে(৭.৮.৯নংওয়ার্ড) আলফাডাঙ্গা থেকে নির্বাচন করছেন একজন মোসা. বিউটি বেগম(টেবিল ঘড়ি)। উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে মোট ভোট সংখ্যা ৮০জন। আগামী ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পযর্ন্ত বিরতীহীন ভাবে আলফাডাঙ্গা এ.জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শান্তিপুর্ন ভাবে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ন ভাবে সম্পূর্ন হবে এ উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।





মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬

আমাদের আলফাডাঙ্গা প্রকাশ(২১-১২-১৬)





কাশিয়ানীতে ৩০ ভরি স্বর্ণসহ এক ব্যবসায়ী আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীতে ২৯ ভরি ৯আনা স্বর্ণসহ আলফাডাঙ্গার সদর বাজার ব্যবসায়ী রঘুনাথ বিশ্বাস(৩৫) নামে এক স্বর্ণ চোরাকারবারীকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করেছে কাশিয়ানী থানা পুলিশ। গত ২০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার চোরাচালান বিষয়ে ১৯৭৩ সনের বিশেষ আইনে তাকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়। রঘুনাথ বিশ্বাস ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সদর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী লক্ষী নারায়ন জুয়েলার্স এর মালিক। তিনি সদরের মালোপাড়ার বাসিন্দা মোরারী মোহন বিশ্বাসের পুত্র। থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর সোমবার দিনগত রাতে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ব্যাসপুর বাসষ্টান থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাশিয়ানী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রঘুনাথ বিশ্বাসকে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে মোট ২৯ ভরি ৯আনা স্বর্ণ (আড়াইটি স্বর্ণের বিস্কুট, দশটি স্বর্ণের চেন, দশটি আংটি, পাঁচটি রকেট) উদ্ধার করা হয়। যার আনুমনিক মূল্যে-১২লক্ষ টাকা। আটক করে ঐদিন রাতেই কাশিয়ানী থানা পুলিশ বাদী হয়ে রঘুনাথ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ১৯৭৩ সনের বিশেষ আইনে চোরাচালান বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-১৫, ১৯/১২/১৬ইং। পুলিশ ধারনা করছে এই চুরা কারবারীর সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত আছে।
কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলিনুর হোসেন ঘটনার  সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এস আই ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে উক্ত আসামীকে চোরাই স্বর্ণসহ আটক করা হয়।

শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

বাংলাদেশ আজ বিন¤্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করলো বীর শহীদদের

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ আজ বিন¤্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করলো বীর শহীদদের। ডিসেম্বর মাস বিজয় দিবস ও মুক্তিযুদ্ধে বাঙালী জাতির শ্রেষ্ঠতম মাস। এ বিজয় বাঙালী জাতির জন্য পরম গেীরবের,আনন্দের এবং বেদনারও। এ বিজয় অর্জনে অকাতরে প্রান দিয়ে ছিল ৩০ লক্ষ মানুষ। আমরা সেই বীর শহীদদের আজিবন স্মরণ রাখবো। ১৬ ডিসেম্বর  মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আলফাডাঙ্গা উপজেলাধীন বাজড়া সরকারী প্রাথমীক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে শুক্রবার সন্ধা ৭টায় শহীদদের স্মরণে এক আলোচনা সভায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরিদপুর সরকারী রাজেন্দ্র কলেজের প্রফেসর সৈয়দ আনসার আলীর ব্যক্তি উদ্যেগে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভার সভাপতি প্রফেসর সৈয়দ আনসার আলী তার বক্তব্য বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে ৯ মাসের রক্ত ক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামে এ দেশের বীর যোদ্ধারা এই দিনে সাধীনতার বিজয় লাভ করে। ১৫ আগষ্ট শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর জর¥ না হলে এ দেশ স্বাধীন হতো না। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সাড়া দিয়ে ২৬মাস বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করতে ঝাপিয়ে পড়ের বীর সেনারা। এ দেশ স্বাধীনে যারা শহীদ হয়েছেন বাঙ্গালী জাতি তাদের চিরদিন স্মরণ করবে। এ সময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইকবাল হাচান চুন্নু, গোপালপুর ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাংবাদিক কামরুল ইসলাম,গোপালপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রুমানুজ্জামান রুমান প্রমূখ। সভা শেষে শহীদদের প্রতি আত্রাার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আলফাডাঙ্গায় যথাযথ মর্যাদায় বিজয় দিবস পালিত

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ-১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ও মুক্তিযুদ্ধে বাঙালী জাতির ৪৫তম বিজয় দিবস যথাযথ মর্যাদায় আলফাডাঙ্গা প্রসাশন ও বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে। ১৮ দলীয় টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা ,শুক্রবার সূযোদয়ের পূর্বে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুভ সূচনা করে সকল প্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন, উপজেলা শহীদ মিনারে মাল্যদান, এ.জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন, ড্রিসপ্লে এবং বিজয় মঞ্চে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ক্রেস প্রদান করা হয়। বিকালে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ,ভলিবল ,হাডুডু এবং মহিলা ও শিশুদের ক্রীয়া অনুষ্ঠান শেষে সন্ধায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন আহম্মেদ। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের। বিশেষ অতিথি ছিলেন,থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করীম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান,সদর ইউপি চেয়ারম্যান এ কে এম আহাদুল হাচান আহাদ। এ ছাড়া শহীদ জাফর স্বরনে জাগরনী ক্লাব সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

র‌্যাবের হাতে ইয়াবা সহ বাকাইলের মাদক ব্যবসায়ী মোমিন আটক

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকা বাকাইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ী মোমীন খা (২৮)কে আটক করেছে ফরিদপুর র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৮ । এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি মাদক মামলা হওয়ার পর কোর্টে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩-১২-১৬) সকাল ১০টার দিকে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ১৯(১) এবং টেবিল ৯(খ) ধারায় তাকে ফরিদপুর কোর্টে প্রেরণ করে। মোমীন খা পৌর এলাকার বাকাইল গ্রামের সাঈদ খার পুত্র।
জানা যায়, র‌্যাব সদস্যরা গোপন সংবাদ পেয়ে সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পৌর এলাকার বাকাইল গ্রামে সৈয়দ আলীর বাড়ির পাশে এক মেহগনির বাগানে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মোমীন খা (২৮)কে আটক করে। এসময় তার কাছ থেকে ১৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ঐ দিন রাতে আলফাডাঙ্গা থানায় মোমীনকে সোপর্দ করে র‌্যাবের ডিএডি ফারাজুল বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করে। যার নং-৫,তাং-১২-১২-১৬ই্ং।
অপর দিকে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধার পরে উপজেলার জয়দেবপুর বাজারে আকরামের চা এর দোকানে অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসায়ী রাজিব মোল্যা(৩২)কে আটক করে এস আই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে মঙ্গলবার মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ১৯(১) এবং টেবিল ৯(ক) ধারায় কোর্টে প্রেরণ করে। রাজিব মোল্যা উপজেলার জুগিবরাট গ্রামের মৃত সায়েন উদ্দিন এর ছেলে।

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৬

দেশকে মাদক মুক্ত করতে সামাজিক আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই--নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের

বিষেশ প্রতিনিধি ঃ ‘দেশকে মাদক মুক্ত করতে সামাজিক আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের। গত সোমবার(১২-১২-১৬) সকাল ৯টার দিকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের আয়োজনে আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকে মাদক মুক্ত করার লক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালযের  শিক্ষার্থীরা মাদক সেবন করে বিপথগামী হয়ে পড়ছে। মাদকের ছোবল থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্ত করতে হলে প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদক বিরোধী কমিটি করতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে গড়ে তুলতে হবে সামাজিক আন্দোলন। তাহলেই এ দেশ  হবে মাদক মুক্ত। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে দেশ ও সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। আমাদের সন্তানদের মাদকের সবল থেকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আপনাদের আশে পাশে যারা মাদকের সাথে জড়িত তাদের লিস্ট করে প্রশাসনকে জানাবেন, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদক ব্যবসায়ী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের অফিসার ইনচার্জ মো. মোশাররফ হেসেন এর সভাপতিত্বে ও প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাসের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি এস এম আকরাম হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, আলফাডাঙ্গা থানার এসআই সাহেব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার ফজলার রহমান বাবু, বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন আহম্মেদ, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মনিরুল হক সিকদার, কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ সারেকুল হাসান নয়ন, কলেজের প্রভাষক মো. মাহিদুল হক, সাংবাদিক মো. শাহারিয়ার হোসেন। এ সময় আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সহ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

মানুষ মানুষের জন্য, ও পজেটিভ কিটনি প্রয়োজন

আলফাডাঙ্গা উপজেলার শুকুরহাটা সরকারী প্রাথমীক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ,কামারগ্রামের নিবাসী মোঃ রবিউল মাস্টার (৫০) দির্ঘ্য দিন যাবত কিটনি রোগে ভুগছেন। রবিউল মাষ্টারের দুইটি কিটনিই নষ্ট হয়ে গেছে। তার একটি ও পজেটিভ কিটনি জররী প্রয়োজন। যদি কোন সদয় মহান ব্যক্তি তার জন্য কিটনি দিতে চান তাহলে এই (০১৭১৯৫৮৭২৬২) মোবাইল নম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। কিটনি দানকারীকে আলোচনা সাপেক্ষে অর্থ প্রদান করা হবে। বিজ্ঞতি

কাজী সিরাজকে এমপি হিসাবে দেখতে চাই

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব কাজী সিরাজুল ইসলামকে ফরিদপুর -১ আসনের এমপি হিসাবে দেখতে চায় (আলফাডাঙ্গা,বোয়ালমারী,মধুখালী) এলাকার সাধারন মানুষ। গত সোমবার সন্ধায় কাজী সিরাজের পক্ষে তার নিজ উপজেলার বানা ইউনিয়নে শিরগ্রাম বাজারে এক বিশাল মিছিল হয়। মিছিল শেষে বক্তারা বলেন,আমরা কাজী সিরাজকে আবার ফরিদপুর -১ আসনের এম পি হিসাবে দেখতে চাই।বক্তব্য শেষে সবার মাঝে মিষ্টি বিতারন করা হয়।  মিছিলটি আয়োজন করে গরানিয়া ফ্রেন্ডস ক্লাব ও শিরগ্রাম গরানিয়া যুব সমাজ। সৈাজন্যঃ কাজী নুর জাহান রিনা। 

মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

আলফাডাঙ্গায় রুপালী ব্যাংকে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সিসি লোনের মাধ্যমে অর্থ লুটের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ রুপালী ব্যাংক ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা শাখায় ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে সিসি লোন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে ২০১১ সালে কর্মরত উক্ত ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মো. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি ঢাকা রুপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ.জি.এম হিসাবে কর্মরত আছেন।।

জানা যায়, রুপালী ব্যাংক আলফাডাঙ্গা শাখায় ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পযর্ন্ত শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন মো. রেজাউল ইসলাম। তিনি কর্মরত থাকা কালিন সময় অর্থের লোভ দেখিয়ে নিজেস্ব আত্বীয় সজনদের  গ্রাহক সাজিয়ে বিভিন্ন নামে ভুয়া পর্চা, কাগজপত্র, ব্যবসা বিহীন প্রতিষ্ঠান, বন্ধকী দলিলে ব্যাংকের প্যানেল উকিলের স্বাক্ষর জাল ও জমির মূল্য অধিক দেখিয়ে সিসি লোনের মাধ্যমে লুটে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।

এ বিষয়ে সিসি-১১১নং লোন গ্রহীতার মেয়ে সাবিনা সুলতানা রুপালী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামে ম্যানেজার মো. রেজাউল ইসলামের নিজ বাড়ি হওয়ার সুবাদে উপজেলাধীন বানা ইউনিয়নের পন্ডিত বানা গ্রামের সাবিনা সুলতানার পিতা মো. সরোয়ার বিশ্বাসের সঙ্গে সু-সম্পর্ক হয়। সুম্পর্কের জের ধরে দরিদ্র সরোয়ারকে অর্থের লোভ দেখিয়ে বেড়ির হাট বাজারে মেসার্স বিশ্বাস এন্টার প্রাইজ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে রেজাউল ভুয়া পর্চা, কাগজপত্র তৈরি করে, বন্ধকী দলিলে ব্যাংকের প্যানেল উকিলের স্বাক্ষর জাল ও জমির মূল্য অধিক দেখিয়ে আলফাডাঙ্গা শাখা হইতে সিসি(হাইপোঃ) লোন নং-১১১নম্বরে ২৮/৭/২০১১ ইং তারিখে দরিদ্র সরোয়ারকে ৬ (ছয়) লক্ষ টাকা লোন প্রদান করেন। কিন্তু সে লোনের টাকা সরোয়ারকে না দিয়ে রেজাউল নিজেই আত্মসাত করেন। যা বর্তমানে সুদ-আসলে প্রায় ১২লক্ষ টাকা হয়েছে।

লোন গ্রহীতা সরোয়ার বিশ্বাসের ঋন খেলাপী হওয়ায় ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত শাখা ব্যাবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মো. আমিরুল ইসলাম প্রধান জামিনদার শরিফ হারুন অর রশিদ অভিযুক্ত ব্যাবস্থাপক রেজাউল ইসলামের আপন ভগ্নিপতি হওয়ায় তাকে বাদ রেখে সরোয়ারের আপন দুই ভাই হতদরিদ্র সহজ সরল কৃষক মো. আবজাল বিশ্বাস(৬০) ও মো. মোসলেম বিশ্বাস(৭০) এবং সরোয়ার বিশ্বাসের স্ত্রী গৃহিনী তহমিনা বেগম(৪৫) জামীনদার হিসাবে শনাক্ত থাকার দায়ে আদালতে মামলা করলে বর্তমানে তারা ছয় মাসের জন্য জেল হাজতে রয়েছেন।

সরোয়ার বিশ্বাস টাকা উত্তোলন না করেও লোনের দায়ে মামলা হওয়ায় বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পলাতক থাকায় লোন গ্রহীতা সরোয়ার বিশ্বাস মুঠোফোনে ঢাকাটাইমকে অভিযোগ করে বলেন, রেজাউল  (শাখা ব্যবস্থাপক) আমার কাছ থেকে স্বাক্ষর কৃত বিলাঙ্ক চেক রেখে দিয়ে আমাকে বলেন, তুমি বাড়ি চলে যাও, লোনের টাকা পাশ হলে তোমাকে খবর দিব, তখন টাকা নিয়ে যেও। কিন্তু আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে রেজাউল উক্ত চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আমাকে না দিয়ে সে নিজেই আত্মসাত করে। তিনি আরও বলেন, রুপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পিএস মো. হাসান মিয়া রেজাউলের পাশের গ্রাম ও আত্মীয় হওয়ায় এই অপরাধ থেকে পার পেয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে প্রকৃত অপরাধীরা ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আলফাডাঙ্গা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উক্ত ব্যাংকের প্রধান সিসি লোন গ্রহীতা আলহাজ্ব মো. মাইনউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি বলেন, এ ছাড়াও মেসার্স সামস্ ট্রেডার্স প্রতিষ্ঠানের নামে মারজান মিয়াকে সিসি লোন-১১২ ও মেসার্স কনজ এন্টার প্রাইজ এর কনজের নামে সিসি লোন-১০৩ নম্বরে ভুয়া কাগজপত্র এবং জালজালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত ম্যানেজার জোগসাজোগে একাধিক সিসি লোনের নাম করে অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তৎকালিন শাখা ব্যবস্থাপক মো. আমিরুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আমি উক্ত লোনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে মামলায় বিবাদী করেছি।

এ ব্যাপারে রুপালী ব্যাংক ফরিদপুর শাখার প্যানেল এডভোকেট মোঃ আব্দুল হান্নান কর্তৃক ২৫/৫/২০১৫ ইং তারিখে রুপালী ব্যাংক আলফাডাঙ্গা শাখায় দেওয়া একটি প্রত্যায়ন পত্রে উল্লেখ করেন, আমার বর্ণিত বন্ধকী দলিল ও আম-মোক্তার নামায় স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধ ভাবে সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মো. রেজাউল ইসলাম ৩১টি সিসি লোনে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা ।

জানতে চাইলে রুপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের এ.জি.এম অভিযুক্ত রেজাউল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আমাকে কিছুদিন সময় দেন, আমি বিষয়টি মিমাংশার চেষ্টা করছি।

এ ব্যাপারে বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক মো. মিজানুর রহমান ঢাকাটাইমসকে জানান, রেজাউল ইসলাম সাহেব ম্যানেজার থাকা কালিন প্রদত্ত ঋনের মধ্যে বেশকিছু ঋনের কাগজপত্রে ত্রুটি রয়েছে, যা ব্যাংকের ঋনের বিধি বিধান বহির্ভুত বলে প্রতিয়মান হয়। যার কারনে ব্যাংক বেশ কিছু ঋন খেলাপী হয়ে পড়েছে। সরোয়ার বিশ্বাসের ঋনটির বিপক্ষে দ্বায়ের কৃত মামলায় বর্তমানে বিবাদীগন জেল হাজতে রয়েছেন। ইতি পূর্বে একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি অভিযুক্ত হয়ে বরখাস্তও হয়েছিলেন।

জানতে চাইলে রুপালী ব্যাংক ফরিদপুর শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. ওবায়দুল হক ঢাকাটাইমসকে মুঠোফোনে (০১৭৩১৯৩১৮৭৮) বলেন, আমি অভিযোগের অনুলিপি কপি হাতে পেয়েছি, অভিযোগের তদন্তভার আমার কাছে আসলে আমি অতি দ্রুত আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করব। তিনি আরও বলেন, রেজাউল ম্যানেজার থাকাকালিন ৩১টা সিসি লোনের তদন্ত করে কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে তার মধ্যে হেড অফিস রেজাইলকে ২টি সিসি লোনের টাকা পরিশোদের দায়িত্বভার দিয়েছেন।


সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

ভ্রাম্যমান আদালতে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন বিল্ডিং এর ভবন নির্মানের শ্রমিক মো. রকিব মিয়াকে আহত করার অপরাধে ফয়সাল মিয়া(৩০) নামে এক বখাটে যুবককে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। গত রবিবার (৪.১২.১৬) সন্ধা ৬টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ৩৫৩ ধারায় এ আদেশ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবুল খায়ের। ফয়সাল উপজেলাধীন টিটা গ্রামের হাজী মিজান মিয়ার ছেলে।

শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

মানব পাচার মামলার মূল আসামীর নাম বাদ দিয়ে চার্জশিট দেয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মানব পাচার মামলার মূল আসামীর নাম বাদ দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের অভিযোগ উঠেছে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।

শনিবার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ করেন মামলার বাদী মোসা. নবেলা বেগম (৫০)। তিনি দাবি করেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাহেব আলী মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এজাহারভূক্ত ২ নং আসামী আল-আমিনের  নাম অভিযোগপত্র থেকে বাদ দিয়েছেন। তবে এসআই সাহেব আলী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাদীর নিজ বাড়ি আলফাডাঙ্গার বুড়াইচ ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রাম হতে পঙ্গু ও প্রতিবন্ধি কন্যা সাবিনা খানমকে (৩০) ভিক্ষা বৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে আসামীগণ ভারতের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। পরে আসামীগণ সাবিনাকে ফেরত না দেয়ায় ২০১৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী ফরিদপুর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং মানব পাচার প্রতিরোধ দমন ট্রাইবুনালে বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের রাখালতলী গ্রামের মতিয়ার রহমান শেখের ছেলে মো. আল-আমিন (২৭), আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের বারাংকুলা গ্রামের ওলফাত শেখের ছেলে মো. আল-আমিন (২৫) ও কাছেদ শেখের ছেলে আশরাফ হোসেনের (২৬) নামে মামলা দায়ের করেন মৃত আফজাল হোসেনের স্ত্রী মোসা. নবেলা বেগম। পরে আদালত ১৭ ফেব্রুয়ারী ০৭৫৫-নং স্বারক নম্বরে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলফাডাঙ্গা থানাকে নির্দেশ দেন। পরে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর ৩/৮/১০ ধারায় মামলাটি রুজু করেন। মামলা নং-১০,তাং-২৯/০২/১৬ খ্রী.।

সংবাদ সম্মেলনে অসহায় বিধবা মহিলা নবেলা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সাহেব আলী আমার কাছে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন অংকের টাকা দাবী করে আসছিলেন। আমি দরিদ্র হওয়ায় তা দিতে না পারায় মামলার সঠিক তদন্ত ও সাক্ষীদের সাথে কোন কথা না বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে ঘটনার প্রধান আসামী আল-আমিন এর নাম বাদ দিয়ে গত ৩১/১০/১৬ইং তারিখে চার্জসীট দিয়েছে আদালতে।

তিনি আরও বলেন, আলফাডাঙ্গা থানায় গিয়ে ২নং বিবাদীর নাম বাদ দেয়ার কথা জানতে চাইলে এসআই সাহেব আলী আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দিয়ে বলেন আমার কলমে অনেক ধার, কলমে যা পেয়েছে তাই করেছি।

এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানার এসআই সাহেব আলী জানান, তিনি সবার সাথে কথা বলে মামলা তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এদিকে মামলার সাক্ষী আলীম খান, সিদ্দিক মোল্যা, লুৎফর মোল্যা জানান, মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মামলার ব্যাপারে তাদের সাথে কোন কথা বলেন নাই।

আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ নাজমুল করিম বলেন, মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মামলা তদন্ত করে চার্জসীট দিয়েছে। যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে বাদী আদালতে নারাজী দিতে পারবেন।

বিজয় দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে আলফাডাঙ্গায় কৃষকলীগের প্রস্তুতিমূলক সভা

স্টাফ রিপোর্টারঃ মহান বিজয় দিবস-২০১৬ উদ্যাপন উপলক্ষে আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষক লীগের প্রস্তুতিমূলক আলোচনা সভা হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষকলীগের আয়োজনে থানায় সামনে অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা হয়।

উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ন আহবায়ক মোকলেচুর রহমানের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন আহবায়ক শেখ দেলোয়ার হোসেন এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুগ্ন আহবায়ক হাজী গফফার মিয়া,যুদ্ধকালীন কমান্ডার মো. হিমায়েত হোসেন,সদস্য সাহাদত হোসেন বালা,আছাদ মিয়া প্রমূখ। এ সময় উপজেলা কৃষকলীগের ছয় ইউনিয়নের সভাপতি-সাধারন সম্পাদক ও সদস্য বৃন্দ অংশ গ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬

শিক্ষক ও প্রতিবন্ধীর উপর সন্ত্রাসী হামলা

আহত লিটন বিশ্বাস
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জাটিগ্রাম মমোতাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল ম্যাধমিক বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্ম বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ভারতি রানী বিশ্বাসের স্বামী উক্ত বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী লিটন বিশ্বাস ও তার ছোট ভাই পঙ্গু প্রতিবন্ধী নিপেন বিশ্বাসকে গত বুধবার (৩০-১১-১৬) বিকালে জমি জমার বিরোধের জের ধরে প্রাণ নাশের উদ্দেশে দেশী অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ী কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, লিটন বিশ্বাস ও নিপেন বিশ্বাস বোয়ালমারী উপজেলার রুপপাত ইউনিয়নে টুংরাইল নিজ গ্রামে ফসলি জমিতে আইল কুপানোর সময় একই গ্রামের লাঠিয়াল মহান্দ বিশ্বাসের নেতৃত্বে আনন্দ বিশ্বাস,সুব্রপ বিশ্বাস সহ ৮/১০ জন হঠাৎ লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ী ভাবে মাথায় কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে তাদেরকে মুমুর্ষু অবস্থায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রো ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে লিটনের পিতা মনিমোহন বিশ্বাস বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। সহকারী শিক্ষক ভারতি রানী বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, উক্ত সন্ত্রাসীরা বেআইনি ভাবে আমার স্বামী ও দেবরকে কুপিয়েছে এবং ইতি পূর্বেও তারা আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে আমাকে মামলা না করার জন্য বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিচ্ছে।