বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই, ২০১৭

২৫ জুলাই থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু

সমন্বয় কমিটির সভা
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ সারা দেশের ন্যায় আলফাডাঙ্গায় আগামী ২৫ জুলাই থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। সুষ্ঠ,সুন্দর,নির্ভূল ও সুচারুপে ভোটার তালিকা সম্পাদনের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার ১৩ জুলাই সকাল ১১টায় উপজেলা হল রুমে নির্বাচন কমিশনের উপজেলা পর্যায়ে গঠিত সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. মমতাজ আল শিবলী জানান, আগামী ২৫ জুলাই হইতে ০৯ আগষ্ট ২০১৭ইং তারিখ পর্যন্ত সকল বাড়িতে গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কাজ চলবে। ভোটার হইতে প্রয়োজন হবে বাড়ির হল্ডিং নম্বার,হালনাগাদ অনলাইন জর¥ নিবন্ধন,এস.এস.সি বা সমমানের সার্টিফিকেট,পিতা -মাতার ভোটার আইডি কার্ড এবং ইউপি চেয়ারম্যানের চারিত্রিক সনদপত্র। এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এম. জালাল উদ্দিন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজহারুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইচ চেয়ারম্যান আঃ কুদ্দুস খান ও মোনেয়ারা ছালাম,ইউপি চেয়ারম্যান এ.কে.এম আহাদুল হাচান আহাদ, ইউপি চেয়ারম্যান বাবু হুমায়ন কবীর, ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান সরদার, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ ওহাব পান্নু, ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান শিপন,আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম ও সাধারন সম্পাদক মো. আলমগীর কবির-সহ উপজেলা দপ্তরের সকল অফিসারগণ।

শনিবার, ১৭ জুন, ২০১৭

এসিলেন্ডের নির্দেশ অমান্য করে আলফাডাঙ্গায় চলছে সরকারী গাছ কাটার হরিলুট


প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) পারভেজ চৌধুরীর নিদের্শ অমান্য করে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বানা ইউনিয়নের টোনাপাড়া গ্রামে চলছে সরকারী গাছ কাটার হরিলুট। গত শনিবার ১৭ জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  বানা ইউনিয়নের টোনাপাড়া গ্রাম সহ কয়েকেটি গ্রামে পল্লী বিদ্যুত এর নতুন লাইন নির্মাণের কাজ চলছে। বিদ্যুত এর লাইন নির্মানের জন্য সরকারী রাস্তার পাশ দিয়ে মেহগুনী,রেন্টি ও বিভিন্ন প্রকার গাছের ডালপালা ছেটে লাইন নির্মান করছেন বিদ্যুত কৃতপক্ষ। অন্যদিকে সুযোগ পেয়ে স্থানীয় সাবেক ইউপি মেম্বর মো. আলমগীর হোসেন, কাঠ ব্যবসায়ী শাহাবুল সরদার, স্থানীয় যুবলীগ নেতা কামাল হোসেন, একই গ্রামের রোকন উদ্দিন,হাসু মিয়া ও আড়পাড়া গ্রামের হাসু মিয়া প্রায় ১০লক্ষ টাকা মূল্যের মেহগুনী,শিশু ও রেন্টি গাছ দিনে দুপুরে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে কেটে নিয়ে যায়।
এ বিষয় সাহাবুল ও আলমগীর বলেন, আমরা ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে গাছ কেটে নিচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো সার্ভেয়ার ইসমাইল হোসেন সিরাজী বলেন, আমি নিজে সরেজমিনে গিয়ে গাছ কাটতে বাধা দিয়েছি এবং কাটা গাছ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় রেখে এসেছি।
জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) পারভেজ চৌধরী বলেন,বিষয়টি জানতে পেয়ে আমি সার্ভেয়ারকে পাঠিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করেছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০১৭

ক্ষুদা দারিদ্র মুক্ত উপজেলা গড়তে চাই ---ইউএনও আজহারুল ইসলাম

ইউএনও আজহারুল ইসলাম
প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ আলফাডাঙ্গা উপজেলাকে ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত উপজেলা হিসাবে গড়তে চাই।  এ উপজেলায় যতদিন চাকুরী করবো ততদিন মাটি ও মানুষের পাশে থেকে সবার সেবা যেন নিশ্চিত করতে পারি। আপনারা আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করবেন। মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে পারলেই সেটাই হবে আমার বড় পাওয়া। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সকল সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় কালে সদ্য যোগদানকারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাজহারুল ইসলাম এ সব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, মাদক,বাল্য বিবাহ, ইভটিজিং এর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং জনগনের মধ্যে সচেতনা বাড়াতে হবে। তিনি গত ১১জুন এ উপজেলায় নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আহসনদ্দৌলাহ রানা, আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম, সাধারন সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সহ-সভাপতি খান আসাদুজ্জামান টুনু ও আঃ মান্নান আব্বাস, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম আজম মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ শাহারিয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ইকবাল হোসেন, প্রচার সম্পাদক হারান মিত্র, সাহিত্য সম্পাদক ইবাদত হোসেন মোরাদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাছির,সমাজ কল্যান সম্পাদক মিয়া মুরাদ হোসেন,আর্ন্তজাতিক সম্পাদক আজিজুর রহমান দুলাল, কায্যকারী সদস্য এস এম কোবাদ হোসেন,এটিএম মুন্নু মিয়া প্রমূখ।

পিবিআই তদন্ত শুরু ! আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতির নামে ফেসবুকে কটুক্তি করায় আদালতে মামলা

প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক আমাদের আলফাডাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, রুর‌্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন(আরজেএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, দৈনিক ভোরের পাতার ও ভোরের প্রত্যাশা পত্রিকার আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি  সাংবাদিক মো. সেকেন্দার আলম শেখ এর নামে বহিরাগত আবুল বাসার (৪২) নামে এক ইনসুরেন্স ও এনজিও কর্মী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তার (বাসার) আইডিতে কটুক্তি করা , সেকেন্দারের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোসলেম উদ্দিন ও তার মৃতঃ দাদা  মো. লাল মিয়ার নামে বিভিন্ন আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করায় জেলা ফরিদপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে ৫০১/৫০২ ধারায় মানহানী ও তথ্য প্রযুক্তি আইনে (সেকেন্দার বাদী হয়ে) মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আদালত আমলে এনে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)তে মামলাটি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার নিদেশ দেন। আবুল বাসার বোয়ালমারী উপজেলার শেখপুর গ্রামের মৃতঃ আবুল কালাম এর পুত্র।
কিছু দিন পর আজ বৃহস্পতিবার ১৫ জুন ফরিদপুর পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই) ইনচার্জ অতিরিক্ত  পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক(নিঃ) মো. মিজানুর রহমান মামলার তদন্ত করার জন্য আলফাডাঙ্গায় আসেন। এ জেড পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এক রুমে উভয় পক্ষকে নিয়ে তদন্ত করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কানাই লাল সরকার বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পুলিশ বিভাগের আরেকটি তদন্ত কারী বিভাগ বাংলাদেশ পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)। ফরিদপুর জেলা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই) এ পযর্ন্ত প্রায় ৫শতাধীক মামলা ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে সততা রেখে সঠিক তদন্ত করেছে। আমার অফিসে যাওয়ার জন্য কোন অনুমতি নেওয়া লাগেনা। এই মামলায় যে সতত্যতা পাওয়া যাবে আমরা সেই প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করব। তিনি আরও বলেন,আমি কোন তদবির পছন্দ করি না এবং এ পযর্ন্ত কেউ আমাকে তদবীরের জন্য শুপারিশ করেন নাই। এসময় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি,স্থানীয় সাংবাদিক,পৌর-ওয়ার্ড কমিশনার সহ মামলার স্বাক্ষীগন উপস্থিত ছিলেন।

গাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা

আলফাডাঙ্গা  ঃ  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের বেজিডাঙ্গা গ্রামে হতদরিদ্র এক কৃষকের লিজ নেওয়া জমিতে ২টি আমের বাগান সহ বিভিন্ন গাছের চারা রাতের আধারে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে থানার এস আই অসোক ঘটনাস্টল পরিদর্শন করেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, হতদরিদ্র কৃষক হালিম মোল্যা মাথায় হাত দিয়ে গাছের গোড়াঁয় বসে কান্না করছে এবং বলছে গাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা। অসুস্থ কৃষক হালিম মোল্যার স্ত্রী মিনি বেগম গতকাল বৃহস্পতিবার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, পূর্বের শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের তাহাজ্জেত মূন্সি তার দলবল নিয়ে ১৪ জুন রাত ১০টায় বসত বাড়ি পাশের লিজ নেওয়া জমিতে ২টি বাগানে প্রায় দুইশত ধরন্ত আম গাছ, একশত চম্পল গাছ, একশত দেবদার গাছের চারা সহ বিভিন্ন ফলের গাছ গেটে ফেলেছে। আমি এন্জিও’র থেকে এক লক্ষটাকা লোন করে এই গাছের চারা দুই বছর আগে লাগিছে এখন আমার কি হবে বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ ব্যপারে তাহাজ্জেত মুন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেস্টা করলে তাকে পাওয়া যায় নাই।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ নাজমুল করিম বলেন, এ বিষয় কোন অভিযোগ পাওয়া যায় নাই। তবে খবর পেয়ে এস আই অসোককে পাঠিয়েছিলাম।
উল্লেখ্য, গত ১২ জুন দিনগত রাতে মো. মিজানুর রহমানের ২১ শতাংশ জমিতে সোসা গাছ কেটে ফেলেছে কে বা কাহারা।

রবিবার, ১১ জুন, ২০১৭

আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে ইফতার পার্টি

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে গত ১০ জুন শনিবার সন্ধায় এক আলোচনা সভা ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার কলেজ রোড চৌয়াল্লিশের মোড়ে অবস্থিত প্রেসক্লাবের অফিস কক্ষে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সেকেন্দার আলমের স্বাগত বক্তব্য’র মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  এসিল্যান্ড ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অঃদাঃ) পারভেজ চৌধুরী। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক  নুরুল বাসার মিয়া, ফরিদপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান (পিকুল),মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দকুর রহমান,সদর ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাচান আহাদ,প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ্যাড.মিরাজ শরিফ, গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান সাইফার,জেলা পরিষদের সদস্য বিউটি বেগম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, এস আই মাসরুল,উপজেলা কৃষক লীগের সাধারন সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেন, বানা ইউনিয়নের কৃষকলীগের সভাপতি হারুন অর- রশিদ। । অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি খান আসাদুজ্জামান টুনু ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর কবির। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান আব্বাস ,সহ-সাধারণ সম্পাদক গোলাম আজম মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম,কোষাধ্যক্ষ মোঃ শাহারিয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন, আর্ন্তজাতিক সম্পাদক আজিজুর রহমান দুলাল, প্রচার সম্পাদক হারাণ মিত্র ,সমাজকল্যাণ সম্পাদক মিয়া মোঃ মোরাদ হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক ইবাদত হোসেন মোরাদ ,সংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন,ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য এটিএম মুন্নু মিয়া ও  কিশোর মাহমুদ। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে ফুল দিয়ে বরণ করেন অতিথিরা।

শনিবার, ১০ জুন, ২০১৭

শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ট সন্তান হিসেবে স্বীকৃিত দিয়েছেন--কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাক

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা  ঃ বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ট সন্তান হিসেবে স্বীকৃিত দিয়েছেন। স্বাধীনতা বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে শপথ করছেন এ দেশ থেকে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলা হবে। আমি বলতে চাই এ দেশ থেকে জঙ্গি নির্মুল করে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময় এবং দুই লক্ষ মা বোনদের ইজ্জেতের বিনিময় যে দেশ স্বাধীন হয়েছে সেই দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করবে জাতির শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধা এবং তার প্রজম্ম। আমি যখন ছাত্রলীগ করি তখন বিরোধী দলের রাজপথের জুলুম নির্যাতন বয়ে গেছে আমার শরীরের ওপর দিয়ে। এখন আমার আওয়ামী রাজনীতি মিশে গেছে যাঁর শরীরের প্রতিটি অস্থি মজ্জায়। গত শুক্রবার ৯ জুন সন্ধায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর শহীদ জাফর স্বরণে জাগরনী ক্লাবের আয়োজনে গোপালপুর সরকারী প্রাথমীক বিদ্যালয় মাঠে ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন, বাংলাদেশ তিতাস গ্যাস কম্পানীর পরিচালক, উক্ত ক্লাবের সভাপতি, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক খান মঈনুল ইসলাম মোস্তাক।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ হয়ে ছিলেন এই গ্রামেরই কৃতি সন্তান জাফর। তার নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফরিদপুর জেলার স্বাধীনতার প্রথম দিকের রেজিষ্টার প্রাপ্ত সংগঠন শহীদ জাফর স্বরণে জাগরনী ক্লাব। আর স্বাধীনতা স্বপক্ষে কাজ করছে এ ক্লাবটি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) পারভেজ চৌধরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা খান বেলায়েত হোসেন,নিটল গুরুপ অব কম্পানীর পরিচালক মো. আফরোজ খান, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল বাসার মিয়া। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আবুৃ হোসেন তালুকদার,আকরামুজ্জামান কুয়েতী আকরাম,মো. আশরাফ উদ্দিন তারা, ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাসান আহাদ,ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম , উপজেলা সেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন , উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান , উপজেলা যুবলীগের মহিলা সম্পাদীকা সৈয়দা নাজনীন প্রমুখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উক্ত ক্লাবের অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক সেকেন্দার আলম।
এ ছাড়া ও মুক্তিযোদ্বাগণ, উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সাংবাদিকসহ œ সর্বস্তরের  জনসাধারন উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার, ৪ জুন, ২০১৭

আলফাডাঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় যুদ্ধকালিন কম্পানী কমান্ডার অবসরপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর টেকনিক্যাল ইঞ্জিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা বকতিয়ার রহমানের বসত বাড়িতে প্রতিপক্ষ হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়  রবিবার থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, যুদ্ধকালিন কম্পানী কমান্ডার অবসরপ্রাপ্ত বিমান বাহিনীর টেকনিক্যাল ইঞ্জিয়ার বকতিয়ার রহমানের গ্রামের বাড়ি উপজেলাধীন টগরবন্দ ইউনিয়ানের তিতুরকান্দি গ্রামে। একই গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৃতঃ আঃ মান্নানের ভাই শেখ দাউদ হোসেন ও পুত্র মোঃ শাহিন শেখ এর নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন পূর্বের শত্রুতার জের ধরে গত ৩ জুন গভীর রাতে তাদের দলবল নিয়ে কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে ফ্রিজ,শোকেজ,ঘাট,আলমারী,টিভি,টেবিল,মালামাল ও ঘরবাড়ি ভাংচুর করে এবং ঘরে থাকা মালামাল,গরু,স্বর্ণ অলংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। হামলায় বাধা দেয়ায় সাহাবুদ্দিন নামে একজনকে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়া পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে। পরে তাকে কাশিয়ানী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা বকতিয়ার রহমান কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, এই জন্য দেশ স্বাধীন করে ছিলাম। আমি থানায় মামলা করায় জীবন নাশের হুমকীর মুখে রয়েছি। যে কোন মুহুত্বে শাহিনরা আমার পরিবারের উপর আবার হামলা চালাতে পারে। আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা দরকার।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিছে এবং মুক্তিযোদ্ধা বকতিয়ার রহমান বাদী হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০১৭

আলফাডাঙ্গায় নবগত ইউএনও’র মতবিনিময় সভা

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ আলফাডাঙ্গা উপজেলা হল রুমে ২৫ মে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নবগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার(অঃদাঃ) পারভেজ চৌধরী এক মতবিনিময় সভা করেন। সদ্য যোগদানকারী সহকারী কমিশনার ভূমি পারভেজ চৌধরী ২১ মে ইউএনও এবং পৌর প্রশাসক হিসাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়ে উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা,চেয়ারম্যান,সাংবাদিক,শিক্ষক ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম জালাল উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যক্ষ মনিরুল হক ও মোরসেদুর রহমান, মৎস্য কর্মকর্তা তপন মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল আহম্মেদ, ইউপি চেয়ারম্যান আঃ ওহাব পান্নু ও খান সাইফুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক আঃ রউফ তালুকদার ,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান ও সাংবাদিক আলমগীর কবির। সভা পরিচালনা করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা অনুপম দাস।

আলফাডাঙ্গায় শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

প্রতিনিধি, আলফাডাঙ্গা ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মুন্সি রুহুল আসলাম বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়ে। গত ২৪ মে বুধবার সন্ধায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়। নওয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল আহসানের সভাপতিত্বে পরিচালনা করেন পাড়াগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমানের। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান,সহকারী শিক্ষা অফিসার লাভনী রায় ও উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের প্রশিক্ষক বিকাশ চন্দ্র দাস , উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ সিহাবুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি হিটলার রহমান খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সিফায়েত আলী,বুড়াইচ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজা বেগম,কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল হোসেন, ইকড়াইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আশরাফ আলী খান, ইছাপাশা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দপ্তরী (অফিস সহায়ক) কল্যাণ সমিতির বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম এবং উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ বোরহান কবির প্রমুখ। উল্লেখ্য, সহকারী শিক্ষা অফিসার  মুন্সি রুহুল আসলাম গত ১১ মে সহকারী শিক্ষা অফিসার থেকে শিক্ষা অফিসার পদে পদন্নতি লাভকরায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা থেকে বদলি হয়ে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসেদপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন।

বুধবার, ২৪ মে, ২০১৭

আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে----যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ আগামী ২০১৯ সালে সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে সারা দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে। অন্য সরকারের তুলনায় আওয়ামীলীগ সরকার ৮ বছরে সারা দেশে বহুগুণ বেশী উন্নয়ন করেছে। ফরিদপুর-১ আসন (আলফাডাঙ্গা,বোয়ালমারী,মধুখালী) যে উন্নয়ন হয়েছে তা এই সরকারের আমলেই হয়েছে। এই সরকারের অধিনে আগামী নির্বাচন হবে সুষ্ঠ,সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচন। আর বিএনপি যদি এ নির্বাচনে সাড়া না দেয় এবং এই সরকারের অধিনে নির্বাচনের না আসে তাহলে সেই ভুলের মাশুল বিএনপি’কে নিতে হবে। কারন বর্তমানে বিএনপি বোকার স্বর্গে বসত করছে। মঙ্গলবার ২৩ মে বিকালে ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে আলফাডাঙ্গা উপজেলাধীন শিরগ্রাম সাদ্দাম মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক হাসপাতালের শুভ উদ্ধোধন অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুর রহমান।
আব্দুর রহমান আরও বলেন, আলফাডাঙ্গার শিরগ্রামে যে ডায়াবেটিক হাসপাতালটি উদ্ধোধন করছি এটি করছেন আমাদেরই এলাকার এক মমতাময়ী নারী সেলীনা খানম। তিনি সাধারন মানুষের কথা ভেবে বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য সেবাকে উন্নতীর দারপ্রান্তে পৌছে দেওয়ার লক্ষে তার পুত্র সাদ্দামের নামে এই হাসপাতালটি তৈরি করছেন। আমি তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বিনিত নিবেদন করছি। কারন এখানে অনেক টাকা অলা লোক আছে তারা কখনো এই ধরনে উদ্যেগ গ্রহন করে নাই। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো সবাই এই সেবা কেন্দ্রটি যেন মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে পারে এবং আমরা সকলে সেলিনা খানমের পুত্র সাদ্দামের সৃতি ধরে রাখব।
ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি মীর নাছিরের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডাঃ একে আজাদ খান, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহা-সচিব মো. সাইফ উদ্দিন, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির যুগ্ন কোষাধ্যক্ষ মো. শহীদুল হাসান,ফরিদপুর সিভিল সার্জন ডাঃ অরুন কান্তি বিশ্বাস, ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির সাধারন সম্পাদক প্রফেসর শেখ আবদুস সামাদ, আলফাডাঙ্গার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খান বেলায়েত হোসেন, আলফাডাঙ্গা সহকারী ভূমি কমিশনার পারভেজ চৌধরী, থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল বাশার মিয়া, বোয়ালমারী উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান হোসেন পিকুল মিরদাহ, উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান আহাদুল হাসান আহাদ,ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম , ্উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফার ,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান ,সাধারন সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) ডালিম প্রমূখ।

মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০১৭

চরনারানদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্ধোধন

প্রতিনিধি,আলফাডাঙ্গা ঃ আলফাডাঙ্গা উপজেলাধীন চরনারানদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপি বার্ষিক ক্রীড়া ও সাহিত্য সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্ধোধন করেন পাচুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান।  ২৩ মে মঙ্গলবার প্রথম দিন সকাল ৮টায় বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সুচনা শুরু হয়। নিত্য প্রতিযোগিতার এক পর্যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেশে গাড়ি বহরে এসে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক এস.এম ওবায়দুর রহমান (জাফর মিয়া)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পলাশবাড়িয়া ইউনিয়ানের সাবেক চেয়ারম্যান এম এম রেজাউল করিম চুন্নু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমানসহ বিদ্যালয়ের কমিটির সদস্যগণ, ইউপি সদস্য,অভিভাবকবৃন্দ,গন্যমান্যব্যাক্তিবর্গ,কমিটির সদস্যবৃন্দ,শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

রবিবার, ১৪ মে, ২০১৭

প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ! আলফাডাঙ্গায় সরকারী জায়গায় পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ


আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর) থেকে  ঃ আইনের তোয়াক্কা না করে স্থানীয় ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার)কে ম্যানেজ করে রাত-দিনভর সরকারী জায়গায় পাকা ঘর নিমার্নের কাজ চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বদলীর সুবাদে উপজেলা ব্যাপি চলছে সরকারী জায়গা দখলের মহা উৎসব।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অফিসের সামনে তহশিলদারকে ম্যানেজ করে গোপালপুর মৌজার সরকারী খাস ১নং খতিয়ান ভূক্ত এস.এ ৮৮৩ নং দাগের জমিতে পাকা ঘর নির্মানের কাজ চলছে। গোপালপুর বাজারে উক্ত দোকান ঘর নির্মানের মালিক মুনছুর আলম দিপুর নিকট সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযুক্ত সম্পত্তি আমি ক্রয় সূত্রে মালিক। এ ছাড়াও উক্ত বাজারে গরুহাটা একই দাগের উপর নির্মান করা ২/৩ টি ঘরের মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলা যায়নি। নাম প্রকাশে অইচ্ছুক স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল খায়ের গত ৪মাস বদলী হওয়ার পর থেকে গোপালপুর বাজার,হেলেঞ্চা বাজার,বানা বাজার, বেড়ির হাট বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে সরকারী জায়গা দখল করার মহা উৎসব শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে গোপালপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মোরাদ হোসেন বলেন, দিপুর নির্মিত ঘরে ৮৮৩ নং দাগে সরকারী খাস সম্পত্তিও রয়েছে। অভিযুক্ত পাকা ঘর সরকারী জায়গায় আছে কি না তা কাগজপত্র না দেখে বলতে পারিব না।
এ বিষয় দায়িত্ব প্রাপ্ত কানুনগো সার্ভেয়ার মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী বলেন, গোপালপুর বাজারে পাকা ঘর নির্মাণের খবর পেয়ে আমি তহশিলদার মুরাদ হোসেনকে মৌখিক ভাবে কাজ বন্দ করার নির্দেশ দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখে পরবর্তীতে কাজ করার কথা বলেছি। তবে মুনছুর আলম দিপু আইনের তোয়াক্কা না করে উক্ত সরকারী জায়গায় পাকা ঘর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানতে চাইলে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওশোন আরা পলি বলেন, সরকারী জায়গায় ঘর নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০১৭

আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ইউএনও’কে বিদায় সংবর্ধণা

 স্টাফ রিপোর্টার ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমানকে বিদায়ী সংবর্ধণা জানান আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ। আজ বিকাল ৫টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে উপজেলায় শেষ কর্ম দিবসে এক মতবিনিময় শেষে এ সংবর্ধণা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান,আলফাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান এ.কে.এম আহাদুল হাচান আহাদ,উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফার,আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকেন্দার আলম,সহ-সভাপতি খান আসাদুজ্জামান টুনু, সাধারন সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম,কোষাধ্যক্ষ মো. শাহারিয়ার হোসেন, আর্ন্তজাতিক সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান দুলাল,প্রচার সম্পাদক হারান মিত্র , যুব ও ক্রীয়া বিষয়ক সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, পৌর সভার সচিব মো. মেহেদি রহমান প্রমূখ।
 

শনিবার, ৬ মে, ২০১৭

এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় আলফাডাঙ্গা বেলবানায় ছাত্রীর আত্মহত্যা

বিশেষ প্রতিনিধি  ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ‘বানা এমএ মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের’ এক ছাত্রী নাজমীন খানম (১৭) ২০১৭ইং সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করার কারণে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। গত শুক্রবার (০৫.০৫.১৭) রাত ৮টার দিকে বাড়িতে সে বিষ পান করলে দ্রুত তাকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসার পর সে কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠে। হঠাৎ রাত সাড়ে নয়টার দিকে অসুস্থ হয়ে সে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুমন রায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নাজনীন উপজেলাধীন বানা ইউনিয়ানে বেলবানা গ্রামের খোরশেদ এর মেয়ে। আজ শনিবার ময়না তদন্ত ছাড়াই আরাজী বানা কবর স্থানে তাকে জোহর বাদ জানাযা শেষে দাফন দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে আলফাডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল করিম জানান,এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭

প্রেম কাহিনীকে আড়াল করে আলফাডাঙ্গা থানায় অপহরণ মামলা !

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ প্রেম মানে না ধনী গরিব, প্রেম মানে না শত বাধা, আর সেই বাধাকে উপেক্ষা করে প্রেমের টানে বাজার ব্যবসায়ী প্রেমিক সোহাগ এর হাত ধরে ঘর ছাড়লো হেলেঞ্চা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেনীতে পড়–য়া মেধাবী ছাত্রী কানিজ আক্তার লিজা(১৫)। সরেজমিন ও থানা সুত্রে জানা যায়, উপজেলাধীন হেলেঞ্চা বাজারে মোবাইলের দোকান ব্যবসায়ী সোহাগ (২১) দীর্ঘদিন যাবত লিজার সঙ্গে গভীর প্রেমের সর্ম্পক চলছিল। ইতিপূর্বে ইউপি চেয়ারম্যান ও উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শালিশ বিচারের মাধ্যমে উভয়কে শাসিয়েছেন। অবশেষে প্রেমের টানে প্রেমিক প্রেমিকা উভয় গত ১৭ এপ্রিল লিজার স্কুল থেকে পালিয়ে যায়। তাদের উভয়ের বাড়ি আলফাডাঙ্গার বুড়াইচ ইউনিয়নের শোলমারী গ্রামে। এ ব্যাপারে লিজার নানী রিজিয়া বেগম বাদী হয়ে সোহাগ(২১),আলামিন(২২),হাবিল(২৫) ও শফিক(২৪) কে আসামী করে আলফাডাঙ্গা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-জিআর-০৮,তাং-১৮/৪/১৭ইং। থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে খবর পেয়ে বুড়াইচ ইউপি চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে যশোর জেলার বাঘার পাড়া উপজেলা থেকে লিজাকে উদ্ধার করে অভিভাবকের নিকট পৌছিয়ে দেন।
এ ঘটনায় সোহাগের দুলাভাই আলামিনের পিতা জালাল উদ্দিন আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার ছেলে ঐদিন ঢাকা থেকে বাড়িতে আশার পর পুলিশ তাকে বিনা অপরাধে ধরে নিয়ে যায়। পরে থানায় এনে আলামিনকে অপহরণ মামলার আসামী করে। কিন্তু থানা পুলিশ যশোর থেকে ছেলে মেয়েকে এক সঙ্গে পেয়েও সোহাগকে ছেড়ে দিয়ে লিজাকে উদ্ধার করে আমার ছেলে(আলামিন)কে মিথ্যা মামলার আসামী করে কোর্টে প্রেরণ করে।
মামলাটি মিথ্যা দাবী করে সোহাগের মা বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে লিজার সম্পর্কের বিষয় এলাকার সবাই জানতো। তবুও মেয়ের পক্ষ হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলা করে আমার ছেলে ও জামাইদের ফাসিয়েছে।
এ ব্যপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই শুভজিৎ পাল বলেন, মেয়েকে উদ্ধারের সময় ছেলে পালিয়ে যায়, তবে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, শুনেছি এদের উভয়ের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক ছিল।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা এস আই মো. সাহেব আলী বলেন, বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছি। ভিক্টিম আদালতে শিকারোক্তি দিবেন। তাহলে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭

আলফাডাঙ্গায় কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৪৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে আলফাডাঙ্গা উপজেলায় দুই গ্রুপ পৃথক ভাবে দুই জায়গায় কেক কেটে কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেছেন। উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু হোসেন তালুকদার এর সভাপতিত্বে আজ ১৯ এপ্রিল বুধবার সকাল ১০ টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের অস্থায়ী কার্যালয় উপজেলা কৃষক লীগের একঅংশ আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল বাসার মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাচান শিপন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-প্রচার সম্পাদক হিটান্ত কুমার ঘোষ, টগরবন্দ ইউনিয়ান আওয়ামীলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি খান মিজানুর রহমান প্রমূখ। অপর দিকে উপজেলা কৃষক লীগের অস্থায়ী কার্যালয় দিনগত বিকাল ৪ টায় উপজেলা কৃষকলীগের আয়োজনে এক আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করে। এ সময় উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি মো. মোকলেচুর রহমানের সভাপতিত্বে পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষক লীগের সাধারন সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেন। আলোচনা সভায় অন্যান্য’র মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুদ্ধ চলাকালিন থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজ উদ্দিন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হেমায়েত হোসেন, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম, উপলেজা কৃষক লীগের সদস্য আজিজুর রহমান দুলাল প্রমূখ।

সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৭

আলফাডাঙ্গায় ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসে বর্নাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ আলফাডাঙ্গায় ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উদয্পান উপলক্ষে এক বর্নাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ ১৭ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০ টায় উপজেলা চত্ত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে উপজেলায় শেষ হয়। পরে উপজেলা হল রুমে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমানের। সহকারী ভুমি কর্মকর্তা অধির কুমার গুহর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান একেএম আহাদুল হাসান আহাদ, গোপালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খান সাইফুর ইসলাম , টগরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাসান সিপন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তপন মজুমদার, চরনারানদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস,এম ওবায়দুর রহমান জাফর , আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ আলমগীর কবির। এ সময় অন্যান্য’র মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা সালাম প্রমুখ।

শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৭

আলফাডাঙ্গায় সন্ত্রাসী হামলায় সদর বাজার ব্যবসায়ী নাছির গুরুত্বর আহত

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে নাছির নামে এক ব্যবসায়ীকে। গত শুক্রবার ৬ এপ্রিল বিকালে হেলেঞ্চা বাজার পার করে টিকর পাড়া ব্রিজের আগে আসলে উসমান মোল্ল্যা নামে এক সন্ত্রাসী তার দলবল নিয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিনের উপর হামলা চালায়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে তাকে মারাতœক জখম অবস্থায় আলফাডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
জানা যায়, নাছির উদ্দিন আলফাডাঙ্গা থানার সামনে কম্পিউটার এর ব্যবসা করেন। উপজেলাধীন হেলেঞ্চা গ্রামের রাজ্জাক মোল্ল্যার পুত্র সন্ত্রাসী উসমান মোল্ল্যা সোমবার নাছিরের দোকানে এসে ভোটার আইডি কাড ডুপলিকেট কপি করার জন্য অনুরোধ করে। নাছির উক্ত কাজটি না করায় শুক্রবার বিকালে তার নিজ বাড়ি টাবনি কঠুরাকান্দি থেকে দোকানের উর্দ্দেশে রওনা হয়ে হেলেঞ্চা বাজার পার হলে সন্ত্রাসী উসমান তার দলবল নিয়ে মোটর সাইকেল ঠেকিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুত্বর আহত করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে বাজার বনিক সমিতি সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ বাজার ব্যবসায়ীরা উক্ত ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০১৭

ইসলাম কখনও জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে না -------ফরিদপুর জনসভায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ ইসলাম শার্ন্তির ধর্ম। ইসলাম কখনও জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে না। জঙ্গিরা ইসলামকে হেয় করছে। বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের মান-সম্মান নষ্ট করছে। এ ব্যাপারে ইমাম, ধর্মীয় পন্তিসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বিকালে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজন জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাম্প্রতিক দেশে সংঘটিত জঙ্গিবাদী কর্মকার্ন্ডের দিকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইসলাম আত্মহননের পথ বেছে নেয়া কখনো সমর্থন করে না। মুসলমানদের মান-সম্মান নষ্ট করছে। এ ব্যাপারে তিনি প্রত্যেককে সোচ্চার হতে বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনাদের ছেলেমেয়েরা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে সে ব্যাপারে খোঁজখবর রাখবেন। আপনাদের সন্তানদেরকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের পথ থেকে রক্ষা করবেন।’ এ সময় তিনি স্কুল-কলেজে কোন কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকছে সে ব্যাপারে শিক্ষকদের সতর্ক থাকতে বলেন। এই এলাকা সবসময় অবহেলিত ছিল। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ফরিদপুরে কোনো সরকার উন্নয়ন করেনি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেকে এখানে সবধরনের উন্নয়ন বন্ধ ছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে ফরিদপুরের সব উন্নয়ন করেছি।
ফরিদপুরকে নতুন বিভাগ করার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা ঢাকাকে ভেঙে ময়মনসিংহ বিভাগ করেছি। ঢাকাকে ভেঙে নতুন আরেকটি বিভাগ হবে। ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর নিয়ে এই বিভাগ করা হবে। এ ব্যাপারে আমাদের পরিকল্পনা আছে।’ তবে তিনি সুস্পষ্ট কোনো অঙ্গীকার করেননি।
এ সময় তিনি বিগত ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করায় ফরিদপুরবাসীকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। আগামী নির্বাচনেও ফরিদপুরের চারটি আসন আওয়ামী লীগকে উপহার দিতে আহ্বান জানান। এ সময় তিনি উপস্থিত জনতাকে হাত তুলে নৌকায় ভোট দেয়ার অঙ্গীকার নেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই দেশের মানুষ কিছু পায়। এদেশের যত অর্জন সব আওয়ামী লীগের হাত ধরেই এসেছে।’ এ সময় তিনি বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। তারা একদিকে ধর্মের কথা বলে অন্যদিকে মানুষ পুড়িয়ে মারে, কোরআন পোড়ায়। হরতাল-অবরোধের নামে দেশবাসীকে জিম্মি করে।’


বিএনপির আমলের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা মুরব্বি আছে তাদের মনে থাকার কথা, জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর ৪০ পর্যন্ত টিভিতে শুধু দেখানো হয়েছে ভাঙা সুটকেস। পরে সেই ভাঙা সুটকেস জাদুর বাক্সে পরিণত হয়। মানুষের টাকা লুট করে খালেদা ও তার ছেলেরা বিশাল সম্পদের মালিক হন।’
প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে নিজের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরেন। পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ শেষ হলে দক্ষিণাঞ্চলের চিত্র পাল্টে যাবে বলে জানান তিনি।
ফরিদপুরে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অনুষ্ঠানে প্রকল্পগুলোর ফলক উন্মোচন করে ২০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। প্রকল্পগুলো উদ্বোধন ও ভিত্তিপস্তর স্থাপনের পর বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

ফরিদপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল সাহার সভাপতিত্বে সমাবেশে এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ফরিদপুর-১ আসনের সাংসদ মো. আব্দুর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ সংসদ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। 
প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করেন সেগুলো হচ্ছে- ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নির্মাণ প্রকল্প, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, পল্লীকবি জসিম উদ্দীন সংগ্রহশালা, ফরিদপুর ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, শিশু একাডেমি, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয় নির্মাণ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ফরিদপুর, ফরিদপুর ৫০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের একাডেমিক কাম পরীক্ষা হল, সদর উপজেলাধীন চর কমলাপুর খেয়াঘাট থেকে বিলমামুদপুর স্কুল সড়কে কুমার নদীর ওপর ৯৬ মিটার আরসিসি ব্রিজ, ভাংগা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১-শয্যা থেকে ৫০-শয্যায় উন্নয়ন প্রকল্প, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস ফরিদপুর, বিএসটিআই ভবন, ভাংগা থানা ভবন, মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, সদর উপজেলা থেকে বাখুন্ডা জিসি হয়ে রসুলপুর ভায়া চর নিখুরদি সড়ক বিসি দ্বারা উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প, ফরিদপুর সদর উপজেলাধীন ডিক্রিরচর ইউনিয়নের মুন্সীডাঙ্গী কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ৩৩/১১ কেভি হান্তকান্দি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (ক্ষমতা ২০/২৬.৬৬ এমভিএ)। এই ২০টি প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৩৮ কোটি টাকা। 
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেগুলো হচ্ছে- কুমার নদ পুনঃখনন প্রকল্প, আলফাডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রকল্প(কামারগ্রাম), ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় নির্মাণ প্রকল্প, পুলিশ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প, পুলিশ অফিসার্স মেস, সালথা টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, চন্দ্রপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুরের ছাত্রী নিবাস নির্মাণ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নির্মাণ, ১৫০০-আসনবিশিষ্ট মাল্টিপারপাস হলরুম নির্মাণ, সালথা ফায়ার সর্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, সদরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণ প্রকল্প। এই বারটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা।